আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ

২- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ২৪৪
- নামাযের অধ্যায়
ফজরের নামাযে দোয়া কুনূত ।
২৪৪। নাফে (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাযিঃ) ফজরের নামাযে দোয়া কুনূত পড়তেন না।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফারও এই মত। অর্থাৎ ফজরের নামাযে দোয়া কুনূত পড়বে না।
أبواب الصلاة
بَابُ: الْقُنُوتِ فِي الْفَجْرِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: «كَانَ ابْنُ عُمَرَ لا يَقْنُتُ فِي الصُّبْحِ» .
قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، رَحِمَهُ اللَّهُ

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

** একদল সাহাবী ফজরের নামাযে দোয়া কুনূত পড়তেন এবং আরেক দল পড়তেন না। এ কারণে বিশেষজ্ঞ আলেমদের মধ্যেও মতভেদ হয়েছে। অধিকাংশ সাহাবা, তাবিঈ, ইমাম আবু হানীফা, সুফিয়ান সাওরী প্রমুখের মতে ফরয নামাযের মধ্যে সব সময় দোয়া কুনূত পড়বে না । বরং কঠিন বিপদ এবং যুদ্ধ চলাকালে ফরয নামাযে কুনূত পাঠ করবে। আর এই কুনূতকে বলা হয় কুনূতে নাযিলা। তবে বেতের নামাযে সব সময় কুনূত পাঠ করবে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ এবং আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ কেবল এক মাস কুনূতে নাযিলা পাঠ করেছিলেন, এরপর আর কখনো তা পাঠ করেননি। কিন্তু ইমাম শাফিঈ ফযরের নামাযে কুনূত পড়ার পক্ষপাতী । সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব, মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন, কাতাদা, তাউস, আবদুর রহমান ইবনে আবু লায়লা, মালেক ইবনে আনাস প্রমুখ মনীষীদেরও এই মত (অনুবাদক)।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান