আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ

২- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৩৩
- নামাযের অধ্যায়
যে ব্যক্তি নামাযের কিছু অংশ পায়।
১৩৩। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ কোন ব্যক্তি নামাযের এক রাআত পেলে সে নামায পেয়ে গেলো (অথবা যে ব্যক্তি রুকূ পেয়ে গেলো সে নামায পেয়ে গেলো) ।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই হাদীস অনুযায়ী আমল করি। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
أبواب الصلاة
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الصَّلاةِ رَكْعَةً، فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاةَ» .
قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، رَحِمَهُ اللَّهُ

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

** এ হাদীসের "রাকআত পাওয়ার" অর্থ নির্দ্ধারণে হাদীস বিশারদদের মধ্যে মতভেদ হয়েছে। তাদের কতকের মতে, রাকআত পাওয়ার অর্থ ওয়াক্ত পাওয়া। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি যদি সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের এবং সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের এক রাআত ধরতে পারে, তবে সে সংশ্লিষ্ট ওয়াক্তের নামায তার ওয়াক্তের মধ্যেই পেয়ে গেলো বলে গণ্য হবে, তার নামায কাযা গণ্য হবে না। অথবা এর দ্বারা নামাযের ফযীলাত বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি ইমামের সাথে এক রাক্ষাত পড়তে পারলে তাকে জামাআতে পূর্ণ নামায পড়ার সমান সওয়াব দেয়া হবে। অথবা এর দ্বারা রুকূ বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি ইমামের সাথে রুকুর মধ্যে নামাযে শামিল হতে পারবে, সে ঐ রাআতটি পেয়েছে বলে গণ্য হবে। এই শোষাক্ত অর্থই অন্যান্য হাদীসের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ (অনুবাদক)।
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)