শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ

১৯. শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান

হাদীস নং: ৬৩০০
শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান
তিন দিন পর কুরবানীর গােশত খাওয়া জায়েয কি জায়েয নয়
৬৩০০। ফাহদ..... আমরাহ্ হযরত আয়েশা (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি কুরবানীর গোশত সম্পর্কে বলেন, আমরা তার কিছু লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে রাখতাম এবং তা নিয়ে লোকেরা মদীনায় আগমন করত। তখন তিনি বললেন, তোমরা তিন দিনের বেশী খেও না, তবে এ কথা ওয়াজিবমূলক নয়। এর উদ্দেশ্য ছিল বরং তার থেকে অন্যকে খাওয়ান।

তিন দিনের বেশী কুরবানীর গোশত খাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর যে নিষেধাজ্ঞা, তা দুটি কারণের কোন একটি হতে শূন্য হবে না। হয় তাঁর উদ্দেশ্য ছিল হারাম করা অথবা সদকা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হলে এটা এ কথারই প্রমাণ যে, কুরবানীর গোশত জমা করে রাখায় কোন ক্ষতি নেই এবং তিন দিন পর খাওয়াতে কোন অসুবিধাও নেই। আর যদি হারাম করা উদ্দেশ্য হয়, তবে তাঁর পক্ষ হতেই এরপর এমন বক্তব্যও পাওয়া যায়, যা তাঁর এ তাহরীমকে মানসূখ করে দেয় এবং তিন দিন পর কুরবানীর গোশত খাওয়াকে হালাল প্রমাণ করে।

এ পর্যন্ত আমরা যে আলোচনা করলাম, তা দ্বারা কুরবানীর গোশত জমা করে রাখা এবং তিন দিন পরও তা খাওয়া জায়েয ও বৈধ প্রমাণিত হয়। আর এটাই ইমাম আবু হানীফা, আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর মায্হাব।
كتاب الصيد والذبائح والأضاحي
6300 - حَدَّثَنَا فَهْدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللهِ، عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ [ص:189] عُرْوَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللهُ عَنْهَا , أَنَّهَا قَالَتْ فِي لُحُومِ الْأَضَاحِيِّ: «كُنَّا نُمَلِّحُ مِنْهُ , فَتَقَدَّمَ بِهِ النَّاسُ إِلَى الْمَدِينَةِ» فَقَالَ: «لَا تَأْكُلُوا إِلَّا ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ» لَيْسَتْ بِالْعَزِيمَةِ وَلَكِنْ أَرَادَ أَنْ يُطْعِمُوا مِنْهُ فَلَمْ يَخْلُ نَهْيُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ لُحُومِ الْأَضَاحِيِّ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ , مِنْ أَحَدِ وَجْهَيْنِ: إِمَّا أَنْ يَكُونَ ذَلِكَ عَلَى الْحَضِّ مِنْهُ لَهُمْ , عَلَى الصَّدَقَةِ وَالْخَيْرِ. فَإِنْ كَانَ ذَلِكَ عَلَى الْحَضِّ مِنْهُ لَهُمْ فِي الصَّدَقَةِ , لَا عَلَى التَّحْرِيمِ , فَذَلِكَ دَلِيلٌ عَلَى أَنْ لَا بَأْسَ بِادِّخَارِ لُحُومِ الْأَضَاحِيِّ وَأَكْلِهَا بَعْدَ الثَّلَاثِ. وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى التَّحْرِيمِ , فَقَدْ كَانَ مِنْهُ بَعْدَ ذَلِكَ , مَا قَدْ نَسَخَ ذَلِكَ , وَأَوْجَبَ التَّحْلِيلَ. فَثَبَتَ بِمَا ذَكَرْنَا , إِبَاحَةُ ادِّخَارِ لُحُومِ الْأَضَاحِيِّ وَأَكْلِهَا فِي الثَّلَاثَةِ وَبَعْدَهَا , وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ , وَأَبِي يُوسُفَ , وَمُحَمَّدٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ أَجْمَعِينَ
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান