শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ

১৯. শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান

হাদীস নং: ৬২৯০
শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান
তিন দিন পর কুরবানীর গােশত খাওয়া জায়েয কি জায়েয নয়
৬২৯০। ইব্‌ন আবু দাউদ ..... নুবায়শা আল-খায়র হতে বর্ণনা করেন, নবী (ﷺ) ইরশাদ করেন, আমি তোমাদেরকে তিন দিনের বেশী কুরবানীর গোশত হতে নিষেধ করেছিলাম, যাবত না তোমরা প্রাচুর্যের অধিকারী হও। এখন আল্লাহ্ পাক তোমাদেরকে প্রাচুর্য দান করেছেন। অতএব তোমরা খাও ও জমা কর। বস্তুত এ দিনগুলো পানাহার ও আল্লাহর যিকিরের দিন।
كتاب الصيد والذبائح والأضاحي
6290 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ، قَالَ: ثنا الْحِمَّانِيُّ، قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ الْخَيْرِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَنَا نَهَيْتُكُمْ عَنْ لُحُومِ الْأَضَاحِيِّ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ حَتَّى تَسَعَكُمْ فَقَدْ جَاءَ اللهُ بِالسَّعَةِ , فَكُلُوا , وَادَّخِرُوا , فَإِنَّ هَذِهِ الْأَيَّامَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ , وَذِكْرِ اللهِ تَعَالَى»

হাদীসের ব্যাখ্যা:

উপরের হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, কুরবানীর গোশতের বেলায় অনুমতি রয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত ইচ্ছা খাওয়া যায় এবং রাখা যায়। আর হাদীসটির শেষ বাক্য দ্বারা জানা গেল যে, আইয়ামে তাশরীকে আল্লাহর বান্দাদের খাওয়া ও পান করাও আল্লাহ্ তা'আলার কাছে প্রিয় ও পছন্দনীয় কাজ। এ দিনগুলো যেন আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে মেহমানদারী ও আপ্যায়নের দিন। তবে এই খাওয়া দাওয়ার সাথে আল্লাহর স্মরণ, তাঁর মাহাত্ম্য ঘোষণা, তাঁর পবিত্রতা ও তাওহীদের বাণী উচ্চারণ দ্বারা রসনাকে সিক্ত রাখা চাই। এর সংমিশ্রণ ছাড়া আল্লাহর প্রকৃত বান্দাদের জন্য জীবনের প্রতিটি বিষয়ই তো বিস্বাদ।
« اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ »
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান