শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৭. শুফআ এবং ইজারা অধ্যায়
হাদীস নং: ৬০২৪
শুফআ এবং ইজারা অধ্যায়
প্রতিবেশী হওয়ার কারণে শুফআর অধিকার
৬০২৪। আহমদ ইব্ন দাউদ ….. আবান ইব্ন উসমান (রাযিঃ) বলেন, উসমান (রাযিঃ) বলেছেন, কারাে অধিকার
আটকিয়ে রাখা যাবে না। অবশ্য যখন সীমা নির্ধারণ করা হবে তখন শুফআর অধিকার থাকবে না।
তাকে বলা হবে, আপনি যেমন উল্লেখ করেছেন, হযরত উসমান (রাযিঃ) হতে তেমনই বর্ণিত হয়েছে। তবে আমাদের মতে এতে আপনার পক্ষে কোন দলীল-প্রমাণ নেই। কারণ এ হাদীসে এ সম্ভাবনা রয়েছে যে, হযরত উসমান (রাযিঃ)-এর উদ্দেশ্য হলাে, যখন যাবতীয় হক থেকে সীমা নির্ধারণ করা হবে, তখন শুফআর কোন অধিকার থাকবে না এবং পথের যে হক, তাও এর অন্তর্ভুক্ত। সে ক্ষেত্রে আমরা এ অনুচ্ছেদে হযরত জাবির (রাযিঃ) হতে যে হাদীস বর্ণনা করেছি, এ হাদীস তার সাথে সংগতিপূর্ণ হবে। আর সে হাদীস হলাে إذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة অর্থাৎ যখন যমীনে সীমা নির্ধারণ করা হবে এবং পথ পৃথক করা হবে, তখন আর শুফআ'র অধিকার থাকবে না।
আপনারা ঐ হাদীসের যে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, যদি সেটাই ঠিক হয়, তবে এ ব্যাপারে হযরত সা'দ ইব্ন আবু ওয়াককাস, মিসওয়ার ইব্ন মাখরামা ও হযরত আবু রাফে' (রাযিঃ) এর বিপরীত বর্ণনা করেছেন যা আমরা এই অনুচ্ছেদেই পূর্বে তাদের থেকে বর্ণনা করেছি। হযরত উমর (রাযিঃ) হতেও এ ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে :
আটকিয়ে রাখা যাবে না। অবশ্য যখন সীমা নির্ধারণ করা হবে তখন শুফআর অধিকার থাকবে না।
তাকে বলা হবে, আপনি যেমন উল্লেখ করেছেন, হযরত উসমান (রাযিঃ) হতে তেমনই বর্ণিত হয়েছে। তবে আমাদের মতে এতে আপনার পক্ষে কোন দলীল-প্রমাণ নেই। কারণ এ হাদীসে এ সম্ভাবনা রয়েছে যে, হযরত উসমান (রাযিঃ)-এর উদ্দেশ্য হলাে, যখন যাবতীয় হক থেকে সীমা নির্ধারণ করা হবে, তখন শুফআর কোন অধিকার থাকবে না এবং পথের যে হক, তাও এর অন্তর্ভুক্ত। সে ক্ষেত্রে আমরা এ অনুচ্ছেদে হযরত জাবির (রাযিঃ) হতে যে হাদীস বর্ণনা করেছি, এ হাদীস তার সাথে সংগতিপূর্ণ হবে। আর সে হাদীস হলাে إذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة অর্থাৎ যখন যমীনে সীমা নির্ধারণ করা হবে এবং পথ পৃথক করা হবে, তখন আর শুফআ'র অধিকার থাকবে না।
আপনারা ঐ হাদীসের যে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, যদি সেটাই ঠিক হয়, তবে এ ব্যাপারে হযরত সা'দ ইব্ন আবু ওয়াককাস, মিসওয়ার ইব্ন মাখরামা ও হযরত আবু রাফে' (রাযিঃ) এর বিপরীত বর্ণনা করেছেন যা আমরা এই অনুচ্ছেদেই পূর্বে তাদের থেকে বর্ণনা করেছি। হযরত উমর (রাযিঃ) হতেও এ ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে :
كتاب الشفعة و الإجارات
6024 - مَا حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ دَاوُدَ قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ سَالِمٍ قَالَ: ثنا هُشَيْمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنْ مَنْصُورِ بْنِ أَبِي ثَعْلَبَةَ عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ قَالَ: قَالَ عُثْمَانُ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ لَا مُكَاءَلَةَ إِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ فَلَا شُفْعَةَ قِيلَ لَهُ: قَدْ رُوِيَ هَذَا عَنْ عُثْمَانَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ كَمَا ذَكَرْتَ وَلَيْسَ فِيهِ عِنْدَنَا حُجَّةٌ لَكَ لِأَنَّهُ قَدْ يَجُوزُ أَنْ يَكُونَ أَرَادَ بِذَلِكَ: إِذَا حُدَّتِ الْحُدُودُ مِنَ الْحُقُوقِ كُلِّهَا وَأُدْخِلَ الطَّرِيقُ فِي ذَلِكَ فَيَكُونُ ذَلِكَ مُوَافِقًا لِمَا قَدْ رَوَيْنَاهُ عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فِي هَذَا الْبَابِ إِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِفَتِ الطُّرُقُ فَلَا شُفْعَةَ. وَلَوْ كَانَ عَلَى مَا تَأَوَّلْتُمُوهُ عَلَيْهِ لَكَانَ قَدْ خَالَفَهُ فِي ذَلِكَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ وَالْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ وَأَبُو رَافِعٍ فِيمَا قَدْ رَوَيْنَاهُ عَنْهُمْ فِيمَا مَضَى مِنْ هَذَا الْبَابِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَيْضًا فِي ذَلِكَ
مَا قَدْ
مَا قَدْ