শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৬৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৬৩৪
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
৮. কেউ ফল ক্রয় করে কবয করার পর তা বিপদ গ্রস্ত হলে
৫৬৩৩-৩৪। ইউনুস বলেন, ..... হযরত জাবির ইব্ন আব্দিল্লাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যদি তুমি তোমার ভায়ের নিকট গাছের ফল বিক্রয় কর, অতঃপর তাতে কোন বিপদ পৌঁছাল তবে তোমার পক্ষে তার নিকট হতে কিছু গ্রহণ করা হালাল হবেনা। কোন হক ব্যতীত তুমি কিসের বিনিমযে তোমার ভায়ের মাল নিবে?
ইবরাহীম ইবন মারযূক বলেন, ..... ইবন জুরাইজ নিজস্ব সনদে হাদীসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।* তারা বলেন, এ হাদীস الجائحة এর ঐ অর্থ-ই বর্ণনা করেছে, যা আমরা উল্লেখ করেছি। উল্লেখিত উলামা-ই কিরামের এ ব্যাখ্যার বিরোধিতা করেছেন উলামা-ই কিরামের অন্য একটি জামাত।** তারা বলেন, ক্রেতা বিক্রেতার নিকট হতে ক্রয় করে কবযা করার পর কম-বেশী যাই নষ্ট হোক না কেন, তা ক্রেতার মাল হতে নষ্ট হবে। আর বিক্রেতার নিকট হতে কবযা করার পূর্বে যতটুকু নষ্ট হবে ক্রেতার থেকে ঐ পরিমাণের মূল্য বাতিল হবে। তাঁরা বলেন, আপনারা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে এই যে সব হাদীস উল্লেখ করেছেন, তা বিশুদ্ধ-গ্রহণযোগ্য, বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হবার কারণে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি না। তবে প্রথম মতের অনুসারীগণ এ হাদীসসমূহের যে ব্যাখ্যা পেশ করেছেন, আমরা তার বিরোধিতা করি। এবং এসব হাদীসে যে الجوائح শব্দটি রয়েছে আমরা তার অর্থ করি, ‘ঐসব বিপদ' যা দ্বারা মানুষ বিপদগ্রস্ত হয় এবং এ বিপদ ঐ খেরাজী যমীনে, যার খেরাজ মুসলমানরা ভোগ করে তাদেরকে বিপর্যয়ের সম্মুখীন করে। এ ক্ষেত্রে উক্ত খেরাজ তাদের থেকে রহিত করা ওয়াজিব। কারণ, এ অবস্থায় খেরাজ রহিত করায়-ই মুসলমানদের কল্যাণ নিহিত এবং তাদের যমীন আবাদ করায় সাহায্য ও শক্তি সঞ্চয় করে। এসব হাদীসে যে الجوائح ও বিপদ-আপদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তা ক্রয়-বিক্রয়ের বস্তুসমূহের সহিত সম্পৃক্ত নয়। এটা হলো অনুচ্ছেদের শুরুতে হযরত জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের ব্যাখ্যা। তবে হযরত জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক দ্বিতীয় যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তার অর্থ এর থেকে ভিন্ন। আর দ্বিতীয় যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তার মধ্যে বিক্রয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ ক্রেতা তার ক্রয় করা ফল যে কবযা করেছে হাদীসের মধ্যে তা উল্লেখ করা হয়নি। আর আমাদের মতে ক্রেতার কবযা করার পূর্বে যেসব ক্রয় করা বস্তু বিক্রেতার হাতে আপদ-বিপদের সম্মুখীন হয়ে নষ্ট হয়, বিক্রেতার জন্য তার মূল্য গ্রহণ করা হালাল নয়। কারণ এ ক্ষেত্রে বিক্রেতারা তার মূল্য গ্রহণ করলে কোন হক ছাড়াই তারা তার মূল্য গ্রহণ করবে। এ হাদীসের ব্যাখ্যা তাদের মতে এটাই ।
তবে ক্রেতারা যে ফল ক্রয় করার পর কবযা করে এবং ফল তাদের নিয়ন্ত্রণে এসে যায় সেটা অন্যান্য সকল ক্রয়-বিক্রয়ের মত বিবেচিত, যার মধ্যে ক্রেতাদের ক্রয় করা মাল কবযা করার পর তা বিপদ-আপদে নষ্ট হলে সে ক্ষেত্রে যেমন তা ক্রেতাদের মাল হতেই নষ্ট হয়, বিক্রেতার মাল নষ্ট হয় না; অনুরূপভাবে ক্রেতারা ফল কবযা করার পর তাদের হাতে তা নষ্ট হলে তাদের ফল হতেই তা নষ্ট হবে। এটাই হলো আমাদের যুক্তি এবং এ হাদীসকে এর ওপরই প্রয়োগ করা হয়েছে। কারণ, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে বর্ণিত, যা আমাদের এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছেঃ
ইবরাহীম ইবন মারযূক বলেন, ..... ইবন জুরাইজ নিজস্ব সনদে হাদীসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।* তারা বলেন, এ হাদীস الجائحة এর ঐ অর্থ-ই বর্ণনা করেছে, যা আমরা উল্লেখ করেছি। উল্লেখিত উলামা-ই কিরামের এ ব্যাখ্যার বিরোধিতা করেছেন উলামা-ই কিরামের অন্য একটি জামাত।** তারা বলেন, ক্রেতা বিক্রেতার নিকট হতে ক্রয় করে কবযা করার পর কম-বেশী যাই নষ্ট হোক না কেন, তা ক্রেতার মাল হতে নষ্ট হবে। আর বিক্রেতার নিকট হতে কবযা করার পূর্বে যতটুকু নষ্ট হবে ক্রেতার থেকে ঐ পরিমাণের মূল্য বাতিল হবে। তাঁরা বলেন, আপনারা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে এই যে সব হাদীস উল্লেখ করেছেন, তা বিশুদ্ধ-গ্রহণযোগ্য, বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হবার কারণে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি না। তবে প্রথম মতের অনুসারীগণ এ হাদীসসমূহের যে ব্যাখ্যা পেশ করেছেন, আমরা তার বিরোধিতা করি। এবং এসব হাদীসে যে الجوائح শব্দটি রয়েছে আমরা তার অর্থ করি, ‘ঐসব বিপদ' যা দ্বারা মানুষ বিপদগ্রস্ত হয় এবং এ বিপদ ঐ খেরাজী যমীনে, যার খেরাজ মুসলমানরা ভোগ করে তাদেরকে বিপর্যয়ের সম্মুখীন করে। এ ক্ষেত্রে উক্ত খেরাজ তাদের থেকে রহিত করা ওয়াজিব। কারণ, এ অবস্থায় খেরাজ রহিত করায়-ই মুসলমানদের কল্যাণ নিহিত এবং তাদের যমীন আবাদ করায় সাহায্য ও শক্তি সঞ্চয় করে। এসব হাদীসে যে الجوائح ও বিপদ-আপদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তা ক্রয়-বিক্রয়ের বস্তুসমূহের সহিত সম্পৃক্ত নয়। এটা হলো অনুচ্ছেদের শুরুতে হযরত জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের ব্যাখ্যা। তবে হযরত জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক দ্বিতীয় যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তার অর্থ এর থেকে ভিন্ন। আর দ্বিতীয় যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তার মধ্যে বিক্রয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ ক্রেতা তার ক্রয় করা ফল যে কবযা করেছে হাদীসের মধ্যে তা উল্লেখ করা হয়নি। আর আমাদের মতে ক্রেতার কবযা করার পূর্বে যেসব ক্রয় করা বস্তু বিক্রেতার হাতে আপদ-বিপদের সম্মুখীন হয়ে নষ্ট হয়, বিক্রেতার জন্য তার মূল্য গ্রহণ করা হালাল নয়। কারণ এ ক্ষেত্রে বিক্রেতারা তার মূল্য গ্রহণ করলে কোন হক ছাড়াই তারা তার মূল্য গ্রহণ করবে। এ হাদীসের ব্যাখ্যা তাদের মতে এটাই ।
তবে ক্রেতারা যে ফল ক্রয় করার পর কবযা করে এবং ফল তাদের নিয়ন্ত্রণে এসে যায় সেটা অন্যান্য সকল ক্রয়-বিক্রয়ের মত বিবেচিত, যার মধ্যে ক্রেতাদের ক্রয় করা মাল কবযা করার পর তা বিপদ-আপদে নষ্ট হলে সে ক্ষেত্রে যেমন তা ক্রেতাদের মাল হতেই নষ্ট হয়, বিক্রেতার মাল নষ্ট হয় না; অনুরূপভাবে ক্রেতারা ফল কবযা করার পর তাদের হাতে তা নষ্ট হলে তাদের ফল হতেই তা নষ্ট হবে। এটাই হলো আমাদের যুক্তি এবং এ হাদীসকে এর ওপরই প্রয়োগ করা হয়েছে। কারণ, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে বর্ণিত, যা আমাদের এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছেঃ
كتاب البيوع و الصرف
5633 - فَذَكَرُوا مَا قَدْ حَدَّثَنَا يُونُسُ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ , قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ , أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ , عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنْ بِعْتَ مِنْ أَخِيكَ ثَمَرًا فَأَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ , فَلَا يَحِلُّ لَكَ أَنْ تَأْخُذَ مِنْهُ شَيْئًا , بِمَ تَأْخُذُ مَالَ أَخِيكَ بِغَيْرِ حَقٍّ»
5634 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ , قَالَ: ثنا أَبُو عَاصِمٍ , عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ , فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ قَالُوا. قَدْ بَيَّنَ هَذَا الْحَدِيثَ , الْمَعْنَى الَّذِي ذَكَرْنَا. وَخَالَفَهُمْ فِي ذَلِكَ آخَرُونَ , فَقَالُوا: مَا ذَهَبَ مِنْ ذَلِكَ مِنْ شَيْءٍ , قَلَّ أَوْ كَثُرَ , بَعْدَ أَنْ يَقْبِضَهُ الْمُشْتَرِي , ذَهَبَ مِنْ مَالِ الْمُشْتَرِي. وَمَا ذَهَبَ فِي يَدِ الْبَائِعِ , قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَهُ الْمُشْتَرِي , بَطَلَ ثَمَنُهُ عَنِ الْمُشْتَرِي. وَقَالُوا: مَا هَذِهِ الْآثَارُ الْمَرْوِيَّةُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّتِي ذَكَرْتُمُوهَا , فَمَقْبُولٌ صَحِيحٌ عَلَى مَا جَاءَ. وَلَسْنَا نَدْفَعُ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا لِصِحَّةِ مَخْرَجِهِ , وَلَكِنَّا نُخَالِفُ التَّأْوِيلَ الَّذِي تَأَوَّلَهَا عَلَيْهِ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى. وَنَقُولُ: إِنَّ مَعْنَى الْجَوَائِحِ الْمَذْكُورَةِ فِيهَا , هِيَ الْجَوَائِحُ الَّتِي يُصَابُ النَّاسُ بِهَا , وَيَجْتَاحُهُمْ فِي الْأَرْضِينَ الْخَرَاجِيَّةِ الَّتِي خَرَاجُهَا لِلْمُسْلِمِينَ , فَيُوضَعُ ذَلِكَ الْخَرَاجُ عَنْهُمْ وَاجِبٌ لَازِمٌ , لِأَنَّ فِي ذَلِكَ صَلَاحًا لِلْمُسْلِمِينَ , وَتَقْوِيَةً لَهُمْ فِي عِمَارَةِ أَرَضِيهِمْ فَأَمَّا فِي الْأَشْيَاءِ الْمَبِيعَاتِ , فَلَا. فَهَذَا تَأْوِيلُ حَدِيثِ جَابِرٍ , الَّذِي فِي أَوَّلِ هَذَا الْبَابِ. وَأَمَّا حَدِيثُ جَابِرٍ الثَّانِي , فَمَعْنَاهُ غَيْرُ هَذَا الْمَعْنَى , وَذَلِكَ أَنَّهُ ذَكَرَ فِيهِ الْبَيْعَ , وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ الْقَبْضَ. فَذَلِكَ عِنْدَنَا عَلَى الْبِيَاعَاتِ الَّتِي تُصَابُ فِي أَيْدِي بَائِعِيهَا , قَبْلَ قَبْضِ الْمُشْتَرِي لَهَا , فَلَا يَحِلُّ لِلْبَاعَةِ أَخْذُ أَثْمَانِهَا , لِأَنَّهُمْ يَأْخُذُونَهَا بِغَيْرِ حَقٍّ. فَهَذَا تَأْوِيلُ هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَهُمْ. فَأَمَّا مَا قَبَضَهُ الْمُشْتَرُونَ , وَصَارَ فِي أَيْدِيهِمْ , فَذَلِكَ كَسَائِرِ الْبِيَاعَاتِ , الَّتِي يَقْبِضُهَا الْمُشْتَرُونَ لَهَا , فَيَحْدُثُ بِهَا الْآفَاتُ فِي أَيْدِيهِمْ. فَكَمَا كَانَ غَيْرُ الثِّمَارِ , يَذْهَبُ مِنْ أَمْوَالِ الْمُشْتَرِينَ لَهَا , لَا مِنْ أَمْوَالِ بَاعَتِهَا , فَكَذَلِكَ الثِّمَارُ. فَهَذَا هُوَ النَّظَرُ , وَهُوَ أَوْلَى , مَا حُمِلَ عَلَيْهِ هَذَا الْحَدِيثُ
5634 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ , قَالَ: ثنا أَبُو عَاصِمٍ , عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ , فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ قَالُوا. قَدْ بَيَّنَ هَذَا الْحَدِيثَ , الْمَعْنَى الَّذِي ذَكَرْنَا. وَخَالَفَهُمْ فِي ذَلِكَ آخَرُونَ , فَقَالُوا: مَا ذَهَبَ مِنْ ذَلِكَ مِنْ شَيْءٍ , قَلَّ أَوْ كَثُرَ , بَعْدَ أَنْ يَقْبِضَهُ الْمُشْتَرِي , ذَهَبَ مِنْ مَالِ الْمُشْتَرِي. وَمَا ذَهَبَ فِي يَدِ الْبَائِعِ , قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَهُ الْمُشْتَرِي , بَطَلَ ثَمَنُهُ عَنِ الْمُشْتَرِي. وَقَالُوا: مَا هَذِهِ الْآثَارُ الْمَرْوِيَّةُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّتِي ذَكَرْتُمُوهَا , فَمَقْبُولٌ صَحِيحٌ عَلَى مَا جَاءَ. وَلَسْنَا نَدْفَعُ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا لِصِحَّةِ مَخْرَجِهِ , وَلَكِنَّا نُخَالِفُ التَّأْوِيلَ الَّذِي تَأَوَّلَهَا عَلَيْهِ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى. وَنَقُولُ: إِنَّ مَعْنَى الْجَوَائِحِ الْمَذْكُورَةِ فِيهَا , هِيَ الْجَوَائِحُ الَّتِي يُصَابُ النَّاسُ بِهَا , وَيَجْتَاحُهُمْ فِي الْأَرْضِينَ الْخَرَاجِيَّةِ الَّتِي خَرَاجُهَا لِلْمُسْلِمِينَ , فَيُوضَعُ ذَلِكَ الْخَرَاجُ عَنْهُمْ وَاجِبٌ لَازِمٌ , لِأَنَّ فِي ذَلِكَ صَلَاحًا لِلْمُسْلِمِينَ , وَتَقْوِيَةً لَهُمْ فِي عِمَارَةِ أَرَضِيهِمْ فَأَمَّا فِي الْأَشْيَاءِ الْمَبِيعَاتِ , فَلَا. فَهَذَا تَأْوِيلُ حَدِيثِ جَابِرٍ , الَّذِي فِي أَوَّلِ هَذَا الْبَابِ. وَأَمَّا حَدِيثُ جَابِرٍ الثَّانِي , فَمَعْنَاهُ غَيْرُ هَذَا الْمَعْنَى , وَذَلِكَ أَنَّهُ ذَكَرَ فِيهِ الْبَيْعَ , وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ الْقَبْضَ. فَذَلِكَ عِنْدَنَا عَلَى الْبِيَاعَاتِ الَّتِي تُصَابُ فِي أَيْدِي بَائِعِيهَا , قَبْلَ قَبْضِ الْمُشْتَرِي لَهَا , فَلَا يَحِلُّ لِلْبَاعَةِ أَخْذُ أَثْمَانِهَا , لِأَنَّهُمْ يَأْخُذُونَهَا بِغَيْرِ حَقٍّ. فَهَذَا تَأْوِيلُ هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَهُمْ. فَأَمَّا مَا قَبَضَهُ الْمُشْتَرُونَ , وَصَارَ فِي أَيْدِيهِمْ , فَذَلِكَ كَسَائِرِ الْبِيَاعَاتِ , الَّتِي يَقْبِضُهَا الْمُشْتَرُونَ لَهَا , فَيَحْدُثُ بِهَا الْآفَاتُ فِي أَيْدِيهِمْ. فَكَمَا كَانَ غَيْرُ الثِّمَارِ , يَذْهَبُ مِنْ أَمْوَالِ الْمُشْتَرِينَ لَهَا , لَا مِنْ أَمْوَالِ بَاعَتِهَا , فَكَذَلِكَ الثِّمَارُ. فَهَذَا هُوَ النَّظَرُ , وَهُوَ أَوْلَى , مَا حُمِلَ عَلَيْهِ هَذَا الْحَدِيثُ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
* ইমাম বায়হাকী এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
** আল্লামা আইনী (র) বলেন, এ সমস্ত উলামা দ্বারা জুমহুরে সালাফ, ইমাম ছাওরী, ইমাম আবূ হানীফা, আবূ ইউসুফ, মুহাম্মদ, নয়া মতে ইমাম শাফেঈ, তাবারী, দাউদ ও তাঁর সাথী বর্গ উদ্দেশ্য।
** আল্লামা আইনী (র) বলেন, এ সমস্ত উলামা দ্বারা জুমহুরে সালাফ, ইমাম ছাওরী, ইমাম আবূ হানীফা, আবূ ইউসুফ, মুহাম্মদ, নয়া মতে ইমাম শাফেঈ, তাবারী, দাউদ ও তাঁর সাথী বর্গ উদ্দেশ্য।