শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১২. জিহাদের বিধানাবলী সম্পর্কিত
হাদীস নং: ৫২৭৪
জিহাদের বিধানাবলী সম্পর্কিত
১৩. কোন অমুসলিম মহিলা দারুল হারবে ইসলাম গ্রহণের পর দারুল ইসলামে চলে আসা অতঃপর তার স্বামী মুসলমান হয়ে আসা প্রসঙ্গ
৫২৭৪। ফাহাদ (রাহঃ) .....শা'বী (রাহঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
তাঁরা বলেন, আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রাযিঃ)-এর এই হাদীসের বিষয়বস্তু ইবন আব্বাস (রাযিঃ)-এর হাদীসের বিষয়বস্তুর পরিপন্থী।
আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাযিঃ) এ বিষয়ে আমির শা'বী (রাহঃ)-এর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। অথচ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর গাযওয়া সম্পর্কে তাঁর ছিলো সম্যক জ্ঞান। তাঁরা বলেন, এই হাদীসটি কতিপয় কারণে বিপক্ষ হাদীসের তুলনায় অধিকতর গ্রহণযোগ্য, যে কারণগুলো আমরা অতিসত্তর এই অনুচ্ছেদে বর্ণনা করব ইনশাআল্লাহ্।
প্রথমোক্ত মত পোষণকারীদের বিরুদ্ধে তাদের একটি প্রমাণ হলো নিম্নরূপ : ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কর্তৃক যায়নাব (রাযিঃ)-কে আবুল 'আস (রাযিঃ)-এর কাছে প্রথম বিয়ের উপরই ফিরিয়ে দেয়ার যে উল্লেখ রয়েছে, তাতে একথার কোন প্রমাণ নেই যে, তিনি তাকে ইদ্দত বাকি থাকার কারণে তার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এটাও স্পষ্ট ছিলো না যে, তখন ঐ মুশরিক নারীর বিধান কি ছিলো যে ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং তার স্বামী মুশরিক থেকে গিয়েছে, সে কি তার থেকে পৃথক হয়ে যাবে, না পূর্বের ন্যায় সে তার স্ত্রীই বহাল থাকবে? বস্তুত ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াত প্রথমোক্ত মত পোষণকারীদের সপক্ষে প্রমাণ তখন হত, যখন তাতে এটা বিদ্যামান থাকত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে আবুল আস (রাযিঃ)-এর কাছে এই জন্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি তাকে ইদ্দতের মাঝে পেয়েছেন।
সুতরাং যখন আমাদের জন্য এই বিষয়টি স্পষ্ট নয় যে, তিনি তাকে কি কারণে বা কি জন্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। হতে পারে তিনি ইদ্দতের মাঝে ছিলেন এবং এই কারণেও ফিরিয়ে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যে, তখনকার সময় ইসলাম গ্রহণ তাকে তার থেকে পৃথক করত না এবং পূর্বোক্ত বিধানকেও তার থেকে দূরীভূত করত না।
তাঁরা বলেন, আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রাযিঃ)-এর এই হাদীসের বিষয়বস্তু ইবন আব্বাস (রাযিঃ)-এর হাদীসের বিষয়বস্তুর পরিপন্থী।
আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাযিঃ) এ বিষয়ে আমির শা'বী (রাহঃ)-এর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। অথচ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর গাযওয়া সম্পর্কে তাঁর ছিলো সম্যক জ্ঞান। তাঁরা বলেন, এই হাদীসটি কতিপয় কারণে বিপক্ষ হাদীসের তুলনায় অধিকতর গ্রহণযোগ্য, যে কারণগুলো আমরা অতিসত্তর এই অনুচ্ছেদে বর্ণনা করব ইনশাআল্লাহ্।
প্রথমোক্ত মত পোষণকারীদের বিরুদ্ধে তাদের একটি প্রমাণ হলো নিম্নরূপ : ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কর্তৃক যায়নাব (রাযিঃ)-কে আবুল 'আস (রাযিঃ)-এর কাছে প্রথম বিয়ের উপরই ফিরিয়ে দেয়ার যে উল্লেখ রয়েছে, তাতে একথার কোন প্রমাণ নেই যে, তিনি তাকে ইদ্দত বাকি থাকার কারণে তার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এটাও স্পষ্ট ছিলো না যে, তখন ঐ মুশরিক নারীর বিধান কি ছিলো যে ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং তার স্বামী মুশরিক থেকে গিয়েছে, সে কি তার থেকে পৃথক হয়ে যাবে, না পূর্বের ন্যায় সে তার স্ত্রীই বহাল থাকবে? বস্তুত ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াত প্রথমোক্ত মত পোষণকারীদের সপক্ষে প্রমাণ তখন হত, যখন তাতে এটা বিদ্যামান থাকত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে আবুল আস (রাযিঃ)-এর কাছে এই জন্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি তাকে ইদ্দতের মাঝে পেয়েছেন।
সুতরাং যখন আমাদের জন্য এই বিষয়টি স্পষ্ট নয় যে, তিনি তাকে কি কারণে বা কি জন্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। হতে পারে তিনি ইদ্দতের মাঝে ছিলেন এবং এই কারণেও ফিরিয়ে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যে, তখনকার সময় ইসলাম গ্রহণ তাকে তার থেকে পৃথক করত না এবং পূর্বোক্ত বিধানকেও তার থেকে দূরীভূত করত না।
كتاب السير
5274 - حَدَّثَنَا فَهْدٌ , قَالَ: ثنا يَحْيَى , قَالَ: ثنا حَفْصٌ , عَنْ دَاوُدَ , عَنِ الشَّعْبِيِّ , مِثْلُهُ قَالُوا: فَفِي حَدِيثِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو هَذَا , خِلَافُ مَا فِي حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا , وَقَدْ وَافَقَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَمْرٍو , عَلَى ذَلِكَ , عَامِرَ الشَّعْبِيَّ , مَعَ عِلْمِهِ بِمَغَازِي رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , قَالُوا: فَهَذَا أَوْلَى مِمَّا قَدْ خَالَفَهُ , لِمَعَانٍ سَنُبَيِّنُهَا فِي هَذَا الْبَابِ , إِنْ شَاءَ اللهُ تَعَالَى , وَكَانَ مِنَ الْحُجَّةِ لَهُمْ فِي ذَلِكَ , عَلَى مَنْ ذَهَبَ إِلَى الْقَوْلِ الْأَوَّلِ , أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا إِنَّمَا فِي حَدِيثِهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَدَّهَا , عَلَى أَبِي الْعَاصِ , عَلَى النِّكَاحِ الْأَوَّلِ , [ص:257] فَلَيْسَ فِي ذَلِكَ دَلِيلٌ أَنَّهُ رَدَّهَا إِلَيْهِ , لِأَنَّهَا فِي الْعِدَّةِ , وَلَا كَيْفَ كَانَ الْحُكْمُ يَوْمَئِذٍ فِي الْمُشْرِكَةِ تُسْلِمُ وَزَوْجُهَا مُشْرِكٌ , أَيُبِينُهَا ذَلِكَ مِنْهُ , أَوْ تَكُونُ زَوْجَةً لَهُ عَلَى حَالِهَا؟ , وَإِنَّمَا يَكُونُ حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حُجَّةً لِأَهْلِ الْمَقَالَةِ الْأُولَى , لَوْ كَانَ فِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَدَّهَا عَلَى أَبِي الْعَاصِ لِأَنَّهُ أَدْرَكَهَا وَهِيَ فِي الْعِدَّةِ , فَأَمَّا إِذَا لَمْ يَتَبَيَّنْ لَنَا الْعِلَّةُ , الَّتِي لَهَا رَدَّهَا عَلَيْهِ , فَقَدْ يَجُوزُ أَنْ يَكُونَ هِيَ الْعِدَّةَ , وَقَدْ يَجُوزُ أَنْ تَكُونَ , لِأَنَّ الْإِسْلَامَ لَمْ يَكُنْ حِينَئِذٍ يُبِينُهَا مِنْهُ , وَلَا يُزِيلُهَا عَنْ حُكْمِهَا الْمُتَقَدِّمِ , وَلَقَدْ