শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১১. শরীআত বিধিত দন্ডের অধ্যায়
হাদীস নং: ৫০৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫০৪৫
শরীআত বিধিত দন্ডের অধ্যায়
৫. কোন বক্তি মৃত্যুর সময় (মুমূর্ষ অবস্থায়) বলল, আমি যদি মরে যাই তাহলে অমুক আমাকে হত্যা করেছে
৫০৪৪-৪৫। ইউনুস (রাহঃ) ….. ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) তাকে বলেছেন যে, যদি লোকদের শুধু তাদের দাবি মুতাবিক (দলীল ব্যতীত হক ইত্যাদি) দেয়া হয় তাহলে লােকেরা অন্যের খুন ও সম্পদের দাবি করবে। কিন্তু বিবাদীর উপর কসম নির্ধারিত।
বস্তুত রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) নিষেধ করেছেন যে, কাউকে শুধু তার দাবি অনুযায়ী খুন (এর হক) অথবা সম্পদ দেয়া হবে এবং ফরিয়াদীর জন্য এতে কোন কিছুই ওয়াজিব সাব্যস্ত করা হয় নাই, কিন্তু (বিবাদীর) কসমের সঙ্গে। রিওয়ায়াতসমূহের মর্মগত বিশুদ্ধকরণ নীতিতে এটাই হলাে এই অনুচ্ছেদের বিশ্লেষণ।
যুক্তিভিত্তিক দলীল
যুক্তির নিরিখে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশ্লেষণ এই যে, এ বিষয়ে সকল ফকীহ একমত যে, কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুর সময় দাবি করে যে, অমুকের দায়িত্বে তার কিছু দিরহাম (পাওনা) রয়েছে। অতঃপর সে মারা যায়, তাহলে তার একথা গ্রহণযােগ্য হবে না। এবং তার এ দাবি সুস্থতার অবস্থার দাবির অনুরূপ অগ্রহণযােগ্য হবে। তাই এর উপর যুক্তির দাবি হলাে যে, এ অবস্থায় খুনের দাবিরও সেই হুকুম প্রযােজ্য হবে, যা সুস্থতার অবস্থায় হয়ে থাকে।
এটা ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর অভিমত।
নসর ইব্ন মারযূক (রাহঃ) ..... ইব্ন আবী মুলায়কা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তায়িফে আব্দুল্লাহ্ ইব্ন যুবাইর (রাযিঃ)-এর পক্ষ থেকে হাকিম (প্রশাসক) নিযুক্ত ছিলাম। আমি ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) -এর খিদমতে দুই মহিলার মুকাদ্দামা লিখে পাঠালাম যে, তারা উভয়ে এক গৃহে তাদের রেশম (এর কাপড়) সেলাই করছিলাে। তাদের একজন অপরজনের হাতে সুঁই ফুটিয়ে তাকে যখম করে দিয়েছিল। সে বেরিয়ে আসল এবং রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিলাে। হুজরাতে (কামরাতে) কিছু লােক কথাবার্তা বলছিলাে। (যখমপ্রাপ্ত মহিলা) বলল, ওই মহিলা আমাকে যখম করেছে। অতপর মহিলা তা অস্বীকার করল। অনন্তর আমি বিষয়টি সম্পর্কে ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর নিকট লিখলাম। তিনি আমাকে (উত্তরে) লিখলেন যে, রাসূলুল্লাহ(ﷺ) বিবাদীর উপর কসমের ফায়সালা প্রদান করেছেন। আর যদি লােকদেরকে শুধু তাদের দাবি অনুযায়ী (দলীল ব্যতীত) দেয়া হয় তাহলে লােকেরা অপরের খুন এবং সম্পদসমূহের দাবি করবে। তুমি তাকে ডেকে তার সম্মুখে এ আয়াতটি পড়ে দাওঃ إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلًا
অর্থাৎ যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছমূল্যে বিক্রয় করে। (সূরাঃ ৩ আয়াতঃ ৭৭) বললেন, আমি তার সম্মুখে আয়াত পড়েছি এবং সে স্বীকার করেছে। নাফি' (রাহঃ) বলেন, আমার ধারণা যে, এ বিষয়টি ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর নিকট পৌঁছেছে এবং এটা তাঁকে আনন্দিত করেছে।
তােমরা কি লক্ষ্য করছনা যে, ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) এই যখম করার হুকুমকে ঐ সমস্ত জিনিসের হুকুমের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন যা লােকেরা একে অপরের উপর দাবি করে। আল্লাহ্ সর্বাধিক জ্ঞাত।
বস্তুত রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) নিষেধ করেছেন যে, কাউকে শুধু তার দাবি অনুযায়ী খুন (এর হক) অথবা সম্পদ দেয়া হবে এবং ফরিয়াদীর জন্য এতে কোন কিছুই ওয়াজিব সাব্যস্ত করা হয় নাই, কিন্তু (বিবাদীর) কসমের সঙ্গে। রিওয়ায়াতসমূহের মর্মগত বিশুদ্ধকরণ নীতিতে এটাই হলাে এই অনুচ্ছেদের বিশ্লেষণ।
যুক্তিভিত্তিক দলীল
যুক্তির নিরিখে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশ্লেষণ এই যে, এ বিষয়ে সকল ফকীহ একমত যে, কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুর সময় দাবি করে যে, অমুকের দায়িত্বে তার কিছু দিরহাম (পাওনা) রয়েছে। অতঃপর সে মারা যায়, তাহলে তার একথা গ্রহণযােগ্য হবে না। এবং তার এ দাবি সুস্থতার অবস্থার দাবির অনুরূপ অগ্রহণযােগ্য হবে। তাই এর উপর যুক্তির দাবি হলাে যে, এ অবস্থায় খুনের দাবিরও সেই হুকুম প্রযােজ্য হবে, যা সুস্থতার অবস্থায় হয়ে থাকে।
এটা ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর অভিমত।
নসর ইব্ন মারযূক (রাহঃ) ..... ইব্ন আবী মুলায়কা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তায়িফে আব্দুল্লাহ্ ইব্ন যুবাইর (রাযিঃ)-এর পক্ষ থেকে হাকিম (প্রশাসক) নিযুক্ত ছিলাম। আমি ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) -এর খিদমতে দুই মহিলার মুকাদ্দামা লিখে পাঠালাম যে, তারা উভয়ে এক গৃহে তাদের রেশম (এর কাপড়) সেলাই করছিলাে। তাদের একজন অপরজনের হাতে সুঁই ফুটিয়ে তাকে যখম করে দিয়েছিল। সে বেরিয়ে আসল এবং রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিলাে। হুজরাতে (কামরাতে) কিছু লােক কথাবার্তা বলছিলাে। (যখমপ্রাপ্ত মহিলা) বলল, ওই মহিলা আমাকে যখম করেছে। অতপর মহিলা তা অস্বীকার করল। অনন্তর আমি বিষয়টি সম্পর্কে ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর নিকট লিখলাম। তিনি আমাকে (উত্তরে) লিখলেন যে, রাসূলুল্লাহ(ﷺ) বিবাদীর উপর কসমের ফায়সালা প্রদান করেছেন। আর যদি লােকদেরকে শুধু তাদের দাবি অনুযায়ী (দলীল ব্যতীত) দেয়া হয় তাহলে লােকেরা অপরের খুন এবং সম্পদসমূহের দাবি করবে। তুমি তাকে ডেকে তার সম্মুখে এ আয়াতটি পড়ে দাওঃ إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلًا
অর্থাৎ যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছমূল্যে বিক্রয় করে। (সূরাঃ ৩ আয়াতঃ ৭৭) বললেন, আমি তার সম্মুখে আয়াত পড়েছি এবং সে স্বীকার করেছে। নাফি' (রাহঃ) বলেন, আমার ধারণা যে, এ বিষয়টি ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর নিকট পৌঁছেছে এবং এটা তাঁকে আনন্দিত করেছে।
তােমরা কি লক্ষ্য করছনা যে, ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) এই যখম করার হুকুমকে ঐ সমস্ত জিনিসের হুকুমের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন যা লােকেরা একে অপরের উপর দাবি করে। আল্লাহ্ সর্বাধিক জ্ঞাত।
كتاب الحدود و الجنايات
5044 - حَدَّثَنَا يُونُسُ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ لَهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ لَادَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ وَلَكِنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ» . فَمَنَعَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُعْطَى أَحَدٌ بِدَعْوَاهُ دَمًا أَوْ مَالًا وَلَمْ يُوجِبْ لِلْمُدَّعَى فِيهِ بِدَعْوَاهُ إِلَّا بِالْيَمِينِ. فَهَذَا حُكْمُ هَذَا الْبَابِ مِنْ طَرِيقِ تَصْحِيحِ مَعَانِي الْآثَارِ. وَأَمَّا وَجْهُ ذَلِكَ مِنْ طَرِيقِ النَّظَرِ فَإِنَّهُمْ قَدْ أَجْمَعُوا أَنَّ رَجُلًا لَوِ ادَّعَى فِي حَالِ مَوْتِهِ أَنَّ لَهُ عَلَى رَجُلٍ دَرَاهِمَ ثُمَّ مَاتَ أَنَّ ذَلِكَ غَيْرُ مَقْبُولٍ مِنْهُ وَأَنَّهُ فِي ذَلِكَ كَهُوَ فِي دَعْوَاهُ فِي حَالِ الصِّحَّةِ. فَالنَّظَرُ عَلَى ذَلِكَ أَنْ يَكُونَ كَذَلِكَ هُوَ فِي دَعْوَاهُ الدَّمَ فِي تِلْكَ الْحَالِ كَهُوَ فِي دَعْوَاهُ ذَلِكَ فِي حَالِ الصِّحَّةِ. وَهَذَا قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ وَأَبِي يُوسُفَ وَمُحَمَّدٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ أَجْمَعِينَ وَقَدْ
5045 - حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ مَرْزُوقٍ قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ نِزَارٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ: كُنْتُ عَامِلًا لِابْنِ الزُّبَيْرِ عَلَى الطَّائِفِ فَكَتَبْتُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فِي امْرَأَتَيْنِ كَانَتَا فِي بَيْتٍ تَخْرِزَانِ حَرِيرًا لَهُمَا فَأَصَابَتْ إِحْدَاهُمَا يَدَ صَاحِبَتِهَا بِالْإِشْفَى فَجَرَحَتْهَا فَخَرَجَتْ وَهِيَ تَدْمَى وَفِي الْحُجْرَةِ حِدَاتٌ فَقَالَتْ: أَصَابَتْنِي فَأَنْكَرَتْ ذَلِكَ الْأُخْرَى. فَكَتَبْتُ فِي ذَلِكَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَكَتَبَ إِلَيَّ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى أَنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ وَلَوْ أَنَّ النَّاسَ أُعْطُوا بِدَعْوَاهُمْ لَادَّعَى نَاسٌ مِنَ النَّاسِ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ فَادْعُهَا فَاقْرَأْ هَذِهِ الْآيَةَ عَلَيْهَا { «إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلًا» } [آل عمران: 77] الْآيَةَ فَقَرَأْتُ عَلَيْهَا الْآيَةَ فَاعْتَرَفَتْ " قَالَ نَافِعٌ: فَحَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ: فَبَلَغَ ذَلِكَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَسَرَّهُ. أَفَلَا تَرَى أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَدْ رَدَّ حُكْمَهَا فِي ذَلِكَ إِلَى حُكْمِ سَائِرِ مَا يَدَّعِي النَّاسُ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَاللهُ أَعْلَمُ
5045 - حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ مَرْزُوقٍ قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ نِزَارٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ: كُنْتُ عَامِلًا لِابْنِ الزُّبَيْرِ عَلَى الطَّائِفِ فَكَتَبْتُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فِي امْرَأَتَيْنِ كَانَتَا فِي بَيْتٍ تَخْرِزَانِ حَرِيرًا لَهُمَا فَأَصَابَتْ إِحْدَاهُمَا يَدَ صَاحِبَتِهَا بِالْإِشْفَى فَجَرَحَتْهَا فَخَرَجَتْ وَهِيَ تَدْمَى وَفِي الْحُجْرَةِ حِدَاتٌ فَقَالَتْ: أَصَابَتْنِي فَأَنْكَرَتْ ذَلِكَ الْأُخْرَى. فَكَتَبْتُ فِي ذَلِكَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَكَتَبَ إِلَيَّ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى أَنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ وَلَوْ أَنَّ النَّاسَ أُعْطُوا بِدَعْوَاهُمْ لَادَّعَى نَاسٌ مِنَ النَّاسِ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ فَادْعُهَا فَاقْرَأْ هَذِهِ الْآيَةَ عَلَيْهَا { «إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلًا» } [آل عمران: 77] الْآيَةَ فَقَرَأْتُ عَلَيْهَا الْآيَةَ فَاعْتَرَفَتْ " قَالَ نَافِعٌ: فَحَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ: فَبَلَغَ ذَلِكَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَسَرَّهُ. أَفَلَا تَرَى أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَدْ رَدَّ حُكْمَهَا فِي ذَلِكَ إِلَى حُكْمِ سَائِرِ مَا يَدَّعِي النَّاسُ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَاللهُ أَعْلَمُ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যদি কোন ব্যক্তি বিচারক ও কাযীর আদালতে অন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন দাবি অথবা অভিযোগ পেশ করে তবে দাবি পেশকারী যতই নির্ভরযোগ্য, উত্তম ও উঁচু মর্যাদার হোন না কেন, কেবল তার দাবির ভিত্তিতে বিচারক তার পক্ষে ফায়সালা করতে পারেন না। ইসলামী আইনে প্রত্যেক দাবির জন্য যথানিয়মে সাক্ষী-প্রমাণ প্রয়োজন। যদি দাবিদার সাক্ষী প্রমাণ পেশ করতে না পারে তখন অভিযুক্তকে বলা হবে যদি তার দাবি গ্রহণ না কর তবে শপথ করে বল, এ দাবি মিথ্যা।
অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি এরূপ শপথ করতে অস্বীকার করে তবে দাবি সঠিক মনে করে ডিক্রি দেওয়া হবে। আর যদি সে শপথসহ দাবিকারীর দাবি মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তবে, দাবি খারিজ করে অভিযুক্তের পক্ষে ফায়সালা দেওয়া হবে। এটা আদালতের আইন ও রীতি যা রাসূলুল্লাহ ﷺ দিকনির্দেশ প্রদান করেছেন এবং এটা স্বয়ং তার কর্মপদ্ধতি ছিল।
এ বর্ণনার শব্দাবলীতে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার উল্লেখ নেই। কেবল অভিযুক্তের নিকট থেকে অস্বীকার মূলক শপথ গ্রহণের উল্লেখ আছে। কিন্তু সহীহ মুসলিমের ভাষ্যকার ইমাম নববী মুসলিমের ভাষ্যে লিখেন যে, এ হাদীসকে ইমাম বায়হাকীও হাসান অথবা বিশুদ্ধ সনদে বর্ণনা করেছেন। আর তাতে প্রথমে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার কথা উল্লেখ রয়েছে। সে হাদীসের শেষ শব্দাবলী এই:
-ولكنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينُ على من انكر
কিন্তু কেবল কারো দাবির ওপর তার পক্ষে ফায়সালা যাবে না, বরং প্রমাণ তলব করা হবে এবং প্রমাণ ও সাক্ষী না থাকাবস্থায় বিবাদী থেকে শপথসহ অস্বীকারমূলক বক্তব্য গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি এরূপ শপথ করতে অস্বীকার করে তবে দাবি সঠিক মনে করে ডিক্রি দেওয়া হবে। আর যদি সে শপথসহ দাবিকারীর দাবি মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তবে, দাবি খারিজ করে অভিযুক্তের পক্ষে ফায়সালা দেওয়া হবে। এটা আদালতের আইন ও রীতি যা রাসূলুল্লাহ ﷺ দিকনির্দেশ প্রদান করেছেন এবং এটা স্বয়ং তার কর্মপদ্ধতি ছিল।
এ বর্ণনার শব্দাবলীতে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার উল্লেখ নেই। কেবল অভিযুক্তের নিকট থেকে অস্বীকার মূলক শপথ গ্রহণের উল্লেখ আছে। কিন্তু সহীহ মুসলিমের ভাষ্যকার ইমাম নববী মুসলিমের ভাষ্যে লিখেন যে, এ হাদীসকে ইমাম বায়হাকীও হাসান অথবা বিশুদ্ধ সনদে বর্ণনা করেছেন। আর তাতে প্রথমে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার কথা উল্লেখ রয়েছে। সে হাদীসের শেষ শব্দাবলী এই:
-ولكنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينُ على من انكر
কিন্তু কেবল কারো দাবির ওপর তার পক্ষে ফায়সালা যাবে না, বরং প্রমাণ তলব করা হবে এবং প্রমাণ ও সাক্ষী না থাকাবস্থায় বিবাদী থেকে শপথসহ অস্বীকারমূলক বক্তব্য গ্রহণ করা হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)