শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৮৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৮৭২
নামাযের অধ্যায়
সালাতুল খাওফ-এর বিবরণ
১৮৬৯-১৮৭২। ইউনুস (রাহঃ) …… সালিহ ইবন খাওওয়াত (রাহঃ) এমন ব্যক্তি থেকে রিওয়ায়াত করেছেন, যিনি যাতুর রিকা যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -এর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেছেন। (তা ছিল এভাবে) একদল তাঁর সাথে কাতার বেঁধেছেন এবং অন্যদল শত্রুর সম্মুখে অবস্থান নিয়েছেন। যারা তাঁর সাথে রয়েছেন তাদেরকে নিয়ে এক রাক'আত পড়েছেন তারপর তিনি স্থির রয়েছেন এবং তারা নিজেদের সালাত পূর্ণ করেছেন এরপর তারা সালাত শেষ করে শত্রুর মুকাবিলায় অবস্থান নিয়েছেন এরপর দ্বিতীয় দল এসেছে তিনি তাদেরকে নিয়ে তাঁর অবিশষ্ট সালাত পড়েছেন। তারপর তিনি বসে রয়েছেন এবং তারা নিজেদের সালাত পূর্ণ করে নিয়েছেন। তারপর তিনি তাদের সাথে সালাম ফিরিয়েছেন।
ইউনুস (রাহঃ) ….. সালিহ ইবন খাওওয়াত আল-আনসারী (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সাহল ইবন আবী হাছুমা (রাযিঃ) তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, সালাতুল খাওফ - তারপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটিকে তিনি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে উল্লেখ করেননি। আর দ্বিতীয় রাক'আতের উল্লেখে অতিরিক্ত রিওয়ায়াত করেছেন, তিনি বলেনঃ তাদের নিয়ে রুকূ করেছেন এবং সিজদা করেছেন তারপর সালাম ফিরিয়েছেন। এরপর তারা উঠে নিজেদের অবশিষ্ট দ্বিতীয় রাক'আত পড়েছেন। তারপর তারা সালাম ফিরিয়েছেন।
আবু বাকরা (রাহঃ) ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
তাদেরকে বলা হবেঃ ইয়াযিদ ইবন রূমান ...... সালিহ ইবন খাওওয়াত (রাহঃ) সূত্রে বর্ণিত এ হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, ইমাম সালাত শেষ করার পূর্বে তারা সালাত পড়ে নিয়েছেন এবং শেষ করে ফেলেছেন। অথচ ইতিপূর্বে শু'বা আব্দুর রহমান ইবন কাসিম তাঁর পিতা কাসিম সালিহ ইবন খাওওয়াত সূত্রে বর্ণিত হাদীসে এর বিপরীত বর্ণিত হয়েছে। যেহেতু ইয়াযিদ ইবন রূমান (রাহঃ)-এর হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, তিনি প্রথম রাক'আত আদায় করার পর স্থির রয়েছেন এবং তারা নিজেদের সালাত পূর্ণ করে শেষ করেছেন। তারপর দ্বিতীয় দল এসেছে। আর শু'বা (রাহঃ) ...... আব্দুর রহমান (রাহঃ) তাঁর পিতা কাসিম ..... সালিহ ইবন খাওওয়াত (রাহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, তিনি তাদের এক দলকে নিয়ে এক রাক'আত পড়েছেন। তারপর এরা ওদের স্থানে চলে গিয়েছেন। কিন্তু এটি উল্লেখ করেননি যে, “তারা অবস্থান নেয়ার পূর্বে সালাত পড়ে নিয়েছেন এবং পূর্ণ করেছেন।”
কাসিম অবশ্যই ইয়াযিদ ইবন রূমান-এর বিরোধিতা করেছেন। যদি সনদের দিকে লক্ষ্য করা হয় সালিহ ..... তাহলে ইয়াযিদ ইবন রূমান ...... সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত সনদ অপেক্ষা আব্দুর রহমান ...... কাসিম ...... সালিহ ইবন খাওওয়াত সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্ প্রান্ত থেকে বর্ণিত সনদ অধিক শক্তিশালী। আর যদি সনদ সমমর্যাদাসম্পন্ন হয় তাহলে উভয়ের বর্ণনা সাংঘর্ষিক হয়। বস্তুত উভয়ের বর্ণনা পারস্পরিক সাংঘর্ষিক হলে উভয়পক্ষের কারো জন্য এটি দলীল হতে পারবে না। বরং এটি অগ্রহণযোগ্য হিসাবে সাব্যস্ত হবে।
কোন প্রশ্ন উত্থাপনকারী যদি প্রশ্ন করে যে, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাহঃ) কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রাহঃ) থেকে তিনি সালিহ ইব্ন খাওওয়াত (রাহঃ) থেকে তিনি সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ) থেকে ইয়াযিদ ইবন রূমান-এর অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। আর ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাহঃ) যবত (নিয়ন্ত্রণ) এবং হিফয (সংরক্ষণ)-এর দিক দিয়ে আব্দুর রহমান ইবন কাসিম অপেক্ষা দুর্বল ।
তাকে উত্তরে বলা হবে যে, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ সম্পর্কে তোমার বর্ণনা যথার্থ কিন্তু তিনি হাদীসকে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে মারফূ হিসাবে বর্ণনা করেননি বরং তিনি এটিকে সাহল (রাযিঃ)-এর উক্তি (মাউকুফ) হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন। হতে পারে আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম তিনি কাসিম থেকে তিনি সালিহ থেকে যে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন তা অনুরূপই (মারফু) যা সাহল (রাযিঃ) বিশেষভাবে মারফূ হিসাবে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তারপর তিনি বলেছেনঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ)-এর নিজস্ব অভিমত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে বর্ণিত নয়। এজন্যেই ইয়াহইয়া (রাহঃ) এটিকে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছাননি। অতএব মারফূ রিওয়ায়াত এর মুকাবিলায় মাউকুফ দ্বারা দলীল পেশ করা যেতে পারে না।
যুক্তিভিত্তিক দলীল
বস্তুত যুক্তি তা প্রত্যাখ্যান করে। যেহেতু আমরা কোন সালাতে পাইনি যে, মুকতাদী সালাতের কোন অংশ ইমামের পূর্বে সম্পন্ন করে ফেলবেন। বরং মুকতাদী তা ইমামের আমলের সাথে অথবা ইমামের পরে সম্পন্ন করবেন। অতএব বিরোধপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্তকে ঐকমত্য পূর্ণ বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত করা বিধেয়।
প্রশ্নকারীরা যদি বলে যে, আমরা লক্ষ্য করেছি, কোন সালাতেই কিবলা থেকে চেহারা ফিরানো জায়িয নেই কিন্তু সালাতুল খাওফ-এ এটি জায়িয আছে। অনুরূপ অস্বীকার করার জো নেই যে, ইমামের পূর্বে মুকতাদীর জন্য নিজ সালাত সম্পন্ন করা সালাতুল খাওফ-এ জায়িয আছে, অন্য কোন সালাতে জায়িয নেই।
তাকে উত্তরে বলা হবে যে, আমরা লক্ষ্য করেছি, কিবলা থেকে চেহারাকে অন্যদিকে ফিরানো উত্তরের কারণে অপরাপর সালাতে জায়িয আছে। অতএব সালাতুল খাওফেও এটি জায়িয আছে। এর কারণ হচ্ছে, আলিমগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, যুদ্ধে পরাস্ত ব্যক্তির যদি সালাতের সময় উপস্থিত হয়ে যায় তাহলে সে সালাত আদায় করবে, যদিও তা কিব্লা ব্যতীত অন্যদিকে হয়। অতএব যখন কোন কোন সময়ে পূর্ণ সালাতকে শত্রুর উযরের কারণে কিবলা ব্যতীত অন্যদিকে আদায় করা হয় এবং এর কারণে তাঁর সালাত বিনষ্ট হয় না, তাহলে সালাতের কিছু অংশ কিলা ব্যতীত অন্যদিকে হয়ে আদায় করলে এতে কোন রূপ ক্ষতি না হওয়াই অধিকতর যুক্তিযুক্ত।
বস্তুত আমরা যখন কিবলা ব্যতীত অন্যদিকে হয়ে সালাত আদায় করার সর্ববাদী সম্মত একটি ভিত্তি পেয়ে গেলাম যে, তা উঘরের কারণে কখনো জায়িয হয়, তাহলে বিরোধপূর্ণ সালাতুল খাওফ-এর মধ্যেও উযরের কারণে কিলার দিকে পিঠ করে সালাত আদায় করা জায়িয হবে। আর ইমাম সালাত সম্পন্ন করার পূর্বে মুক্তাদীর সালাত সম্পন্ন করার সর্ববাদী সম্মত কোন ভিত্তি যখন আমরা পাইনি, যার সাথে এটিকে আমরা মিলাতে পারি। অতএব তোমাদের অনুমান বাতিল ও প্রত্যাখ্যাত এবং আমরা গ্রহণ করব অপরাপর সেই সমস্ত হাদীস যার আলোচনা আমরা পূর্বে করে এসেছি,যেগুলোর পক্ষে অকাট্য সূত্র পরস্পর (তাওয়াতুর) এবং ঐকমত্যের (ইজ্মার) সাক্ষ্য বহন করছে।
আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে পূর্বোক্ত বর্ণনাগুলোর সম্পূর্ণ পরিপন্থী রিওয়ায়াত বর্ণিত আছেঃ
ইউনুস (রাহঃ) ….. সালিহ ইবন খাওওয়াত আল-আনসারী (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সাহল ইবন আবী হাছুমা (রাযিঃ) তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, সালাতুল খাওফ - তারপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটিকে তিনি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে উল্লেখ করেননি। আর দ্বিতীয় রাক'আতের উল্লেখে অতিরিক্ত রিওয়ায়াত করেছেন, তিনি বলেনঃ তাদের নিয়ে রুকূ করেছেন এবং সিজদা করেছেন তারপর সালাম ফিরিয়েছেন। এরপর তারা উঠে নিজেদের অবশিষ্ট দ্বিতীয় রাক'আত পড়েছেন। তারপর তারা সালাম ফিরিয়েছেন।
আবু বাকরা (রাহঃ) ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
তাদেরকে বলা হবেঃ ইয়াযিদ ইবন রূমান ...... সালিহ ইবন খাওওয়াত (রাহঃ) সূত্রে বর্ণিত এ হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, ইমাম সালাত শেষ করার পূর্বে তারা সালাত পড়ে নিয়েছেন এবং শেষ করে ফেলেছেন। অথচ ইতিপূর্বে শু'বা আব্দুর রহমান ইবন কাসিম তাঁর পিতা কাসিম সালিহ ইবন খাওওয়াত সূত্রে বর্ণিত হাদীসে এর বিপরীত বর্ণিত হয়েছে। যেহেতু ইয়াযিদ ইবন রূমান (রাহঃ)-এর হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, তিনি প্রথম রাক'আত আদায় করার পর স্থির রয়েছেন এবং তারা নিজেদের সালাত পূর্ণ করে শেষ করেছেন। তারপর দ্বিতীয় দল এসেছে। আর শু'বা (রাহঃ) ...... আব্দুর রহমান (রাহঃ) তাঁর পিতা কাসিম ..... সালিহ ইবন খাওওয়াত (রাহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, তিনি তাদের এক দলকে নিয়ে এক রাক'আত পড়েছেন। তারপর এরা ওদের স্থানে চলে গিয়েছেন। কিন্তু এটি উল্লেখ করেননি যে, “তারা অবস্থান নেয়ার পূর্বে সালাত পড়ে নিয়েছেন এবং পূর্ণ করেছেন।”
কাসিম অবশ্যই ইয়াযিদ ইবন রূমান-এর বিরোধিতা করেছেন। যদি সনদের দিকে লক্ষ্য করা হয় সালিহ ..... তাহলে ইয়াযিদ ইবন রূমান ...... সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত সনদ অপেক্ষা আব্দুর রহমান ...... কাসিম ...... সালিহ ইবন খাওওয়াত সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্ প্রান্ত থেকে বর্ণিত সনদ অধিক শক্তিশালী। আর যদি সনদ সমমর্যাদাসম্পন্ন হয় তাহলে উভয়ের বর্ণনা সাংঘর্ষিক হয়। বস্তুত উভয়ের বর্ণনা পারস্পরিক সাংঘর্ষিক হলে উভয়পক্ষের কারো জন্য এটি দলীল হতে পারবে না। বরং এটি অগ্রহণযোগ্য হিসাবে সাব্যস্ত হবে।
কোন প্রশ্ন উত্থাপনকারী যদি প্রশ্ন করে যে, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাহঃ) কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রাহঃ) থেকে তিনি সালিহ ইব্ন খাওওয়াত (রাহঃ) থেকে তিনি সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ) থেকে ইয়াযিদ ইবন রূমান-এর অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। আর ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাহঃ) যবত (নিয়ন্ত্রণ) এবং হিফয (সংরক্ষণ)-এর দিক দিয়ে আব্দুর রহমান ইবন কাসিম অপেক্ষা দুর্বল ।
তাকে উত্তরে বলা হবে যে, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ সম্পর্কে তোমার বর্ণনা যথার্থ কিন্তু তিনি হাদীসকে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে মারফূ হিসাবে বর্ণনা করেননি বরং তিনি এটিকে সাহল (রাযিঃ)-এর উক্তি (মাউকুফ) হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন। হতে পারে আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম তিনি কাসিম থেকে তিনি সালিহ থেকে যে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন তা অনুরূপই (মারফু) যা সাহল (রাযিঃ) বিশেষভাবে মারফূ হিসাবে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তারপর তিনি বলেছেনঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি সাহল ইবন আবী হাছমা (রাযিঃ)-এর নিজস্ব অভিমত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে বর্ণিত নয়। এজন্যেই ইয়াহইয়া (রাহঃ) এটিকে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছাননি। অতএব মারফূ রিওয়ায়াত এর মুকাবিলায় মাউকুফ দ্বারা দলীল পেশ করা যেতে পারে না।
যুক্তিভিত্তিক দলীল
বস্তুত যুক্তি তা প্রত্যাখ্যান করে। যেহেতু আমরা কোন সালাতে পাইনি যে, মুকতাদী সালাতের কোন অংশ ইমামের পূর্বে সম্পন্ন করে ফেলবেন। বরং মুকতাদী তা ইমামের আমলের সাথে অথবা ইমামের পরে সম্পন্ন করবেন। অতএব বিরোধপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্তকে ঐকমত্য পূর্ণ বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত করা বিধেয়।
প্রশ্নকারীরা যদি বলে যে, আমরা লক্ষ্য করেছি, কোন সালাতেই কিবলা থেকে চেহারা ফিরানো জায়িয নেই কিন্তু সালাতুল খাওফ-এ এটি জায়িয আছে। অনুরূপ অস্বীকার করার জো নেই যে, ইমামের পূর্বে মুকতাদীর জন্য নিজ সালাত সম্পন্ন করা সালাতুল খাওফ-এ জায়িয আছে, অন্য কোন সালাতে জায়িয নেই।
তাকে উত্তরে বলা হবে যে, আমরা লক্ষ্য করেছি, কিবলা থেকে চেহারাকে অন্যদিকে ফিরানো উত্তরের কারণে অপরাপর সালাতে জায়িয আছে। অতএব সালাতুল খাওফেও এটি জায়িয আছে। এর কারণ হচ্ছে, আলিমগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, যুদ্ধে পরাস্ত ব্যক্তির যদি সালাতের সময় উপস্থিত হয়ে যায় তাহলে সে সালাত আদায় করবে, যদিও তা কিব্লা ব্যতীত অন্যদিকে হয়। অতএব যখন কোন কোন সময়ে পূর্ণ সালাতকে শত্রুর উযরের কারণে কিবলা ব্যতীত অন্যদিকে আদায় করা হয় এবং এর কারণে তাঁর সালাত বিনষ্ট হয় না, তাহলে সালাতের কিছু অংশ কিলা ব্যতীত অন্যদিকে হয়ে আদায় করলে এতে কোন রূপ ক্ষতি না হওয়াই অধিকতর যুক্তিযুক্ত।
বস্তুত আমরা যখন কিবলা ব্যতীত অন্যদিকে হয়ে সালাত আদায় করার সর্ববাদী সম্মত একটি ভিত্তি পেয়ে গেলাম যে, তা উঘরের কারণে কখনো জায়িয হয়, তাহলে বিরোধপূর্ণ সালাতুল খাওফ-এর মধ্যেও উযরের কারণে কিলার দিকে পিঠ করে সালাত আদায় করা জায়িয হবে। আর ইমাম সালাত সম্পন্ন করার পূর্বে মুক্তাদীর সালাত সম্পন্ন করার সর্ববাদী সম্মত কোন ভিত্তি যখন আমরা পাইনি, যার সাথে এটিকে আমরা মিলাতে পারি। অতএব তোমাদের অনুমান বাতিল ও প্রত্যাখ্যাত এবং আমরা গ্রহণ করব অপরাপর সেই সমস্ত হাদীস যার আলোচনা আমরা পূর্বে করে এসেছি,যেগুলোর পক্ষে অকাট্য সূত্র পরস্পর (তাওয়াতুর) এবং ঐকমত্যের (ইজ্মার) সাক্ষ্য বহন করছে।
আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে পূর্বোক্ত বর্ণনাগুলোর সম্পূর্ণ পরিপন্থী রিওয়ায়াত বর্ণিত আছেঃ
كتاب الصلاة
1869 - وَذَهَبَ آخَرُونَ فِي ذَلِكَ إِلَى مَا حَدَّثَنَا يُونُسُ قَالَ: أنا ابْنُ وَهْبٍ أَنَّ مَالِكًا حَدَّثَهُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ , عَنْ [ص:313] صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَمَّنْ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ ذَاتِ الرِّقَاعِ صَلَاةَ الْخَوْفِ: «أَنَّ طَائِفَةً صَفَّتْ مَعَهُ وَطَائِفَةً وِجَاهَ الْعَدُوِّ فَصَلَّى بِالَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ ثَبَتَ قَائِمًا وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ انْصَرَفُوا فَصَفُّوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ , وَجَاءَتِ الطَّائِفَةُ الْأُخْرَى فَصَلَّى بِهِمُ الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ مِنْ صَلَاتِهِ ثُمَّ ثَبَتَ جَالِسًا , وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ , ثُمَّ سَلَّمَ بِهِمْ»
1870 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: أنا ابْنُ وَهْبٍ، أَنَّ مَالِكًا، حَدَّثَهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ أَبِي حَثْمَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ صَلَاةَ الْخَوْفِ فَذَكَرَ نَحْوَهُ , وَلَمْ يَذْكُرْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَزَادَ فِي ذِكْرِ الْآخِرَةِ قَالَ: «فَيَرْكَعُ بِهِمْ وَيَسْجُدُ ثُمَّ يُسَلِّمُ , فَيَقُومُونَ فَيَرْكَعُونَ لِأَنْفُسِهِمُ الرَّكْعَةَ الْبَاقِيَةَ ثُمَّ يُسَلِّمُونَ»
1871 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرَةَ، قَالَ: ثنا مُؤَمَّلٌ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ،. فَذَكَرَ مِثْلَهُ بِإِسْنَادِهِ قِيلَ لَهُمْ: إِنَّ هَذَا الْحَدِيثَ فِيهِ أَنَّهُمْ صَلَّوْا وَهُمْ مَأْمُومُونَ قَبْلَ فَرَاغِ الْإِمَامِ مِنَ الصَّلَاةِ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ.
1872 - وَقَدْ رَوَيْنَا مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ خِلَافًا لِذَلِكَ ; لِأَنَّ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ أَنَّهُ ثَبَتَ بَعْدَمَا صَلَّى الرَّكْعَةَ الْأُولَى قَائِمًا , وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ , ثُمَّ انْصَرَفُوا ثُمَّ جَاءَتِ الْأُخْرَى بَعْدَ ذَلِكَ وَفِي حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ , عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ , أَنَّهُ صَلَّى بِطَائِفَةٍ مِنْهُمْ رَكْعَةً ثُمَّ ذَهَبَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ وَلَمْ يَذْكُرْ أَنَّهُمْ صَلَّوْا قَبْلَ أَنْ يَنْصَرِفُوا. فَقَدْ خَالَفَ الْقَاسِمُ مُحَمَّدَ بْنَ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ فَإِنْ كَانَ هَذَا يُؤْخَذُ مِنْ طَرِيقِ الْإِسْنَادِ فَإِنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ الْقَاسِمِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْسَنُ مِنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ عَنْ صَالِحٍ عَمَّنْ أَخْبَرَهُ وَإِنْ تَكَافَآ تَضَادَّا، وَإِذَا تَضَادَّا لَمْ يَكُنْ لِأَحَدِ الْخَصْمَيْنِ فِي أَحَدِهِمَا حُجَّةٌ ; إِذْ كَانَ لِخَصْمِهِ عَلَيْهِ مِثْلُ مَا لَهُ عَلَى خَصْمِهِ. فَإِنْ قَالَ قَائِلٌ: فَإِنَّ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ قَدْ رَوَى عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلٍ مَا يُوَافِقُ مَا رَوَى يَزِيدُ بْنُ رُومَانَ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ لَيْسَ بِدُونِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ فِي الضَّبْطِ وَالْحِفْظِ. قِيلَ لَهُ: يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ كَمَا ذَكَرْتُ وَلَكِنْ لَمْ يَرْفَعِ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَإِنَّمَا أَوْقَفَهُ عَلَى سَهْلٍ , فَقَدْ يَجُوزُ أَنْ يَكُونَ مَا رَوَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ صَالِحٍ هُوَ الَّذِي كَذَلِكَ. كَانَ عِنْدَ سَهْلٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاصَّةً ثُمَّ قَالَ: هُوَ مِنْ رَأْيِهِ مَا بَقِيَ فَصَارَ ذَلِكَ رَأْيًا مِنْهُ , لَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِذَلِكَ لَمْ يَرْفَعْهُ يَحْيَى إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَلَمَّا احْتَمَلَ ذَلِكَ مَا ذَكَرْنَا , ارْتَفَعَ أَنْ يَقُومَ بِهِ حُجَّةٌ أَيْضًا. وِالنَّظَرُ يَدْفَعُ ذَلِكَ ; لِأَنَّا لَمْ نَجِدْ فِي شَيْءٍ مِنَ الصَّلَاةِ أَنَّ الْمَأْمُومَ يُصَلِّي شَيْئًا مِنْهَا قَبْلَ الْإِمَامِ , وَإِنَّمَا يَفْعَلُهُ الْمَأْمُومُ مَعَ فِعْلِ الْإِمَامِ أَوْ بَعْدَ فِعْلِ الْإِمَامِ , وَإِنَّمَا يُلْتَمَسُ عِلْمُ مَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِمَّا أُجْمِعَ عَلَيْهِ. [ص:314] فَإِنْ قَالُوا: قَدْ رَأَيْنَا تَحْوِيلَ الْوَجْهِ عَنِ الْقِبْلَةِ قَدْ يَجُوزُ فِي هَذِهِ الصَّلَاةِ , وَلَا يَجُوزُ فِي غَيْرِهَا , فَمَا يُنْكِرُونَ قَضَاءَ الْمَأْمُومِ قَبْلَ فَرَاغِ الْإِمَامِ كَذَلِكَ جُوِّزَ فِي هَذِهِ الصَّلَاةِ , وَلَمْ يُجَوَّزْ فِي غَيْرِهَا قِيلَ لَهُ: إِنَّ تَحْوِيلَ الْوَجْهِ عَنِ الْقِبْلَةِ قَدْ رَأَيْنَاهُ أُبِيحَ فِي غَيْرِ هَذِهِ الصَّلَاةِ لِلْعُذْرِ فَأُبِيحَ فِي هَذِهِ الصَّلَاةِ كَمَا أُبِيحَ فِي غَيْرِهَا , وَذَلِكَ أَنَّهُمْ أَجْمَعُوا أَنَّ مَنْ كَانَ مُنْهَزِمًا فَحَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَإِنَّهُ يُصَلِّي , وَإِنْ كَانَ عَلَى غَيْرِ قِبْلَةٍ. فَلَمَّا كَانَ قَدْ يُصَلِّي كُلَّ الصَّلَاةِ عَلَى غَيْرِ قِبْلَةٍ لَعَلَّهُ الْعَدُوُّ , وَلَا يُفْسِدُ ذَلِكَ عَلَيْهِ صَلَاتَهُ , كَانَ انْصِرَافُهُ عَلَى غَيْرِ الْقِبْلَةِ مِنْ بَعْضِ صَلَاتِهِ , أَحْرَى أَنْ لَا يَضُرَّهُ ذَلِكَ. فَلَمَّا وَجَدْنَا أَصْلًا فِي الصَّلَاةِ إِلَى غَيْرِ الْقِبْلَةِ مُجْمَعًا عَلَيْهِ أَنَّهُ قَدْ يَجُوزُ بِالْعُذْرِ , عَطَفْنَا عَلَيْهِ مَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنِ اسْتِدْبَارِ الْقِبْلَةِ فِي الِانْصِرَافِ لِلْعُذْرِ , وَلَمَّا لَمْ نَجِدْ لِقَضَاءِ الْمَأْمُومِ قَبْلَ أَنْ يَفْرُغَ الْإِمَامُ مِنَ الصَّلَاةِ أَصْلًا فِيمَا أُجْمِعَ عَلَيْهِ يَدُلُّ عَلَيْهِ فَنَعْطِفُهُ عَلَيْهِ , أَبْطَلْنَا الْعَمَلَ بِهِ وَرَجَعْنَا إِلَى الْآثَارِ الْأُخَرِ الَّتِي قَدَّمْنَا ذِكْرَهَا , الَّتِي مَعَهَا التَّوَاتُرُ وَشَوَاهِدُ الْإِجْمَاعِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خِلَافُ ذَلِكَ كُلِّهِ
1870 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: أنا ابْنُ وَهْبٍ، أَنَّ مَالِكًا، حَدَّثَهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ أَبِي حَثْمَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ صَلَاةَ الْخَوْفِ فَذَكَرَ نَحْوَهُ , وَلَمْ يَذْكُرْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَزَادَ فِي ذِكْرِ الْآخِرَةِ قَالَ: «فَيَرْكَعُ بِهِمْ وَيَسْجُدُ ثُمَّ يُسَلِّمُ , فَيَقُومُونَ فَيَرْكَعُونَ لِأَنْفُسِهِمُ الرَّكْعَةَ الْبَاقِيَةَ ثُمَّ يُسَلِّمُونَ»
1871 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرَةَ، قَالَ: ثنا مُؤَمَّلٌ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ،. فَذَكَرَ مِثْلَهُ بِإِسْنَادِهِ قِيلَ لَهُمْ: إِنَّ هَذَا الْحَدِيثَ فِيهِ أَنَّهُمْ صَلَّوْا وَهُمْ مَأْمُومُونَ قَبْلَ فَرَاغِ الْإِمَامِ مِنَ الصَّلَاةِ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ.
1872 - وَقَدْ رَوَيْنَا مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ خِلَافًا لِذَلِكَ ; لِأَنَّ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ أَنَّهُ ثَبَتَ بَعْدَمَا صَلَّى الرَّكْعَةَ الْأُولَى قَائِمًا , وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ , ثُمَّ انْصَرَفُوا ثُمَّ جَاءَتِ الْأُخْرَى بَعْدَ ذَلِكَ وَفِي حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ , عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ , أَنَّهُ صَلَّى بِطَائِفَةٍ مِنْهُمْ رَكْعَةً ثُمَّ ذَهَبَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ وَلَمْ يَذْكُرْ أَنَّهُمْ صَلَّوْا قَبْلَ أَنْ يَنْصَرِفُوا. فَقَدْ خَالَفَ الْقَاسِمُ مُحَمَّدَ بْنَ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ فَإِنْ كَانَ هَذَا يُؤْخَذُ مِنْ طَرِيقِ الْإِسْنَادِ فَإِنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ الْقَاسِمِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْسَنُ مِنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ عَنْ صَالِحٍ عَمَّنْ أَخْبَرَهُ وَإِنْ تَكَافَآ تَضَادَّا، وَإِذَا تَضَادَّا لَمْ يَكُنْ لِأَحَدِ الْخَصْمَيْنِ فِي أَحَدِهِمَا حُجَّةٌ ; إِذْ كَانَ لِخَصْمِهِ عَلَيْهِ مِثْلُ مَا لَهُ عَلَى خَصْمِهِ. فَإِنْ قَالَ قَائِلٌ: فَإِنَّ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ قَدْ رَوَى عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلٍ مَا يُوَافِقُ مَا رَوَى يَزِيدُ بْنُ رُومَانَ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ لَيْسَ بِدُونِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ فِي الضَّبْطِ وَالْحِفْظِ. قِيلَ لَهُ: يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ كَمَا ذَكَرْتُ وَلَكِنْ لَمْ يَرْفَعِ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَإِنَّمَا أَوْقَفَهُ عَلَى سَهْلٍ , فَقَدْ يَجُوزُ أَنْ يَكُونَ مَا رَوَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ صَالِحٍ هُوَ الَّذِي كَذَلِكَ. كَانَ عِنْدَ سَهْلٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاصَّةً ثُمَّ قَالَ: هُوَ مِنْ رَأْيِهِ مَا بَقِيَ فَصَارَ ذَلِكَ رَأْيًا مِنْهُ , لَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِذَلِكَ لَمْ يَرْفَعْهُ يَحْيَى إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَلَمَّا احْتَمَلَ ذَلِكَ مَا ذَكَرْنَا , ارْتَفَعَ أَنْ يَقُومَ بِهِ حُجَّةٌ أَيْضًا. وِالنَّظَرُ يَدْفَعُ ذَلِكَ ; لِأَنَّا لَمْ نَجِدْ فِي شَيْءٍ مِنَ الصَّلَاةِ أَنَّ الْمَأْمُومَ يُصَلِّي شَيْئًا مِنْهَا قَبْلَ الْإِمَامِ , وَإِنَّمَا يَفْعَلُهُ الْمَأْمُومُ مَعَ فِعْلِ الْإِمَامِ أَوْ بَعْدَ فِعْلِ الْإِمَامِ , وَإِنَّمَا يُلْتَمَسُ عِلْمُ مَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِمَّا أُجْمِعَ عَلَيْهِ. [ص:314] فَإِنْ قَالُوا: قَدْ رَأَيْنَا تَحْوِيلَ الْوَجْهِ عَنِ الْقِبْلَةِ قَدْ يَجُوزُ فِي هَذِهِ الصَّلَاةِ , وَلَا يَجُوزُ فِي غَيْرِهَا , فَمَا يُنْكِرُونَ قَضَاءَ الْمَأْمُومِ قَبْلَ فَرَاغِ الْإِمَامِ كَذَلِكَ جُوِّزَ فِي هَذِهِ الصَّلَاةِ , وَلَمْ يُجَوَّزْ فِي غَيْرِهَا قِيلَ لَهُ: إِنَّ تَحْوِيلَ الْوَجْهِ عَنِ الْقِبْلَةِ قَدْ رَأَيْنَاهُ أُبِيحَ فِي غَيْرِ هَذِهِ الصَّلَاةِ لِلْعُذْرِ فَأُبِيحَ فِي هَذِهِ الصَّلَاةِ كَمَا أُبِيحَ فِي غَيْرِهَا , وَذَلِكَ أَنَّهُمْ أَجْمَعُوا أَنَّ مَنْ كَانَ مُنْهَزِمًا فَحَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَإِنَّهُ يُصَلِّي , وَإِنْ كَانَ عَلَى غَيْرِ قِبْلَةٍ. فَلَمَّا كَانَ قَدْ يُصَلِّي كُلَّ الصَّلَاةِ عَلَى غَيْرِ قِبْلَةٍ لَعَلَّهُ الْعَدُوُّ , وَلَا يُفْسِدُ ذَلِكَ عَلَيْهِ صَلَاتَهُ , كَانَ انْصِرَافُهُ عَلَى غَيْرِ الْقِبْلَةِ مِنْ بَعْضِ صَلَاتِهِ , أَحْرَى أَنْ لَا يَضُرَّهُ ذَلِكَ. فَلَمَّا وَجَدْنَا أَصْلًا فِي الصَّلَاةِ إِلَى غَيْرِ الْقِبْلَةِ مُجْمَعًا عَلَيْهِ أَنَّهُ قَدْ يَجُوزُ بِالْعُذْرِ , عَطَفْنَا عَلَيْهِ مَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنِ اسْتِدْبَارِ الْقِبْلَةِ فِي الِانْصِرَافِ لِلْعُذْرِ , وَلَمَّا لَمْ نَجِدْ لِقَضَاءِ الْمَأْمُومِ قَبْلَ أَنْ يَفْرُغَ الْإِمَامُ مِنَ الصَّلَاةِ أَصْلًا فِيمَا أُجْمِعَ عَلَيْهِ يَدُلُّ عَلَيْهِ فَنَعْطِفُهُ عَلَيْهِ , أَبْطَلْنَا الْعَمَلَ بِهِ وَرَجَعْنَا إِلَى الْآثَارِ الْأُخَرِ الَّتِي قَدَّمْنَا ذِكْرَهَا , الَّتِي مَعَهَا التَّوَاتُرُ وَشَوَاهِدُ الْإِجْمَاعِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خِلَافُ ذَلِكَ كُلِّهِ