মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
২৭- নম্রতা ও যুহদের অধ্যায়
হাদীস নং: ৫২২৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৩০
- নম্রতা ও যুহদের অধ্যায়
তৃতীয় অনুচ্ছেদ
৫২২৯-৫২৩০। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ও আবু খাল্লাদ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ যখন তোমরা কোন বান্দাকে দেখিবে যে, তাহাকে দুনিয়ার প্রতি অনীহা ও স্বপ্নালাপী (এই দুইটি গুণ) দান করা হইয়াছে, তাহার নৈকট্য লাভ কর। কেননা, তাহাকে সূক্ষ্ম জ্ঞান দেওয়া হইয়াছে। —উপরের হাদীস দুইটি বায়হাকী শোআবুল ঈমানে রেওয়ায়ত করিয়াছেন।
كتاب الرقاق
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي خَلَّادٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا رَأَيْتُمُ الْعَبْدَ يُعْطِي زُهْدًا فِي الدُّنْيَا وَقِلَّةَ مَنْطِقٍ فَاقْتَرِبُوا مِنْهُ فَإِنَّهُ يلقى الْحِكْمَة» . رَوَاهُمَا الْبَيْهَقِيّ فِي «شعب الْإِيمَان»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হিকমত দান করার অর্থ হলো, আল্লাহ তা'আলা প্রদত্ত সঠিক জ্ঞান হিকমত লাভকারী ব্যক্তি প্রতিটি কাজ সঠিক মূল্যায়নের জ্ঞান লাভ করেন। তিনি সব সময় সঠিক ও কল্যাণকর কথা বলেন। হিকমত এমন এক বস্তু যার তুলনা দুনিয়ার অন্য কোন জিনিসের সাথে করা যায় না। হিকমত এমন এক প্রাচুর্যের নাম যার সমকক্ষ দুনিয়ার অন্য কোন প্রাচুর্য নেই। অন্তরে হিকমত দান সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا
-"যাকে হিকমত বা জ্ঞান দান করা হয়েছে, তাকে অনেক মঙ্গল দান করা হয়েছে।"
আল্লাহ যাকে হিকমত দিয়েছেন তিনি কখনো লোকসানের সম্মুখীন হবেন না। তার ছোট বড় প্রত্যেক কাজে হিকমত প্রতিফলিত হবে। তিনি অবিবেচক ও অদূরদর্শীর ন্যায় কোন কাজ করবেন না। কাকে আল্লাহ হিকমত দান করেন তার পরিচয় হাদীসে দেয়া হয়েছে। যিনি যাহিদ এবং স্বল্পভাষী, তিনিই হিকমতের অধিকারী। যাহিদ ব্যক্তি আখিরাতের মহব্বতে দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগকারী।
তাই আল্লাহ তাকে মহব্বত করেন। আল্লাহ তাঁর মাহবুবকে দুনিয়া ও আখিরাতে তামাম অমঙ্গল থেকে রক্ষা করেন। আল্লাহ বলেন:
اللَّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُوا يُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ
"আল্লাহ মু'মিনদের বন্ধু, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে যান।"
পবিত্র কুরআনে অন্যত্র বলা হয়েছেঃ
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ
-"আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের বন্ধু।"
হিকমতের অধিকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন বা তাদের সান্নিধ্য লাভের অর্থ হল তাদের নিকট থেকে উপদেশ গ্রহণ করা এবং তারা যেভাবে যিন্দেগী যাপন করেন সেভাবে যিন্দেগী যাপন করা এবং তারা যেভাবে কামিয়াবী হাসিল করেছেন, সেভাবে কামিয়াবী হাসিল করা।
وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا
-"যাকে হিকমত বা জ্ঞান দান করা হয়েছে, তাকে অনেক মঙ্গল দান করা হয়েছে।"
আল্লাহ যাকে হিকমত দিয়েছেন তিনি কখনো লোকসানের সম্মুখীন হবেন না। তার ছোট বড় প্রত্যেক কাজে হিকমত প্রতিফলিত হবে। তিনি অবিবেচক ও অদূরদর্শীর ন্যায় কোন কাজ করবেন না। কাকে আল্লাহ হিকমত দান করেন তার পরিচয় হাদীসে দেয়া হয়েছে। যিনি যাহিদ এবং স্বল্পভাষী, তিনিই হিকমতের অধিকারী। যাহিদ ব্যক্তি আখিরাতের মহব্বতে দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগকারী।
তাই আল্লাহ তাকে মহব্বত করেন। আল্লাহ তাঁর মাহবুবকে দুনিয়া ও আখিরাতে তামাম অমঙ্গল থেকে রক্ষা করেন। আল্লাহ বলেন:
اللَّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُوا يُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ
"আল্লাহ মু'মিনদের বন্ধু, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে যান।"
পবিত্র কুরআনে অন্যত্র বলা হয়েছেঃ
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ
-"আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের বন্ধু।"
হিকমতের অধিকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন বা তাদের সান্নিধ্য লাভের অর্থ হল তাদের নিকট থেকে উপদেশ গ্রহণ করা এবং তারা যেভাবে যিন্দেগী যাপন করেন সেভাবে যিন্দেগী যাপন করা এবং তারা যেভাবে কামিয়াবী হাসিল করেছেন, সেভাবে কামিয়াবী হাসিল করা।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)