মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
২৬- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
হাদীস নং: ৫০৭৬
- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
১৯. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - নম্রতা, লজ্জাশীলতা ও উত্তম স্বভাব
৫০৭৬। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ যাহাকে নম্রতার কিছু অংশ প্রদান করা হইয়াছে তাহাকে দুনিয়া ও আখেরাতের বিরাট কল্যাণের অংশ দেওয়া হইয়াছে। আর যাহাকে সেই কোমলতা হইতে বঞ্চিত করা হইয়াছে তাহাকে ইহ ও পরকালের বিরাট কল্যাণ হইতে (মারূম) বঞ্চিত করা হইয়াছে। —শরহে সুন্নাহ্
كتاب الآداب
الْفَصْل الثَّانِي
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ أُعْطِي حَظَّهُ مِنْ خَيْرِ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَمَنْ حُرِمَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ حُرِمَ حَظَّهُ مِنْ خَيْرِ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ» . رَوَاهُ فِي «شرح السّنة»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসে ব্যবহৃত রিফক শব্দের অর্থ ব্যাপক। শুধুমাত্র 'দয়া' বা 'নম্রতা' কিংবা নরম মেযাজ দ্বারা অর্থ প্রকাশ করা যায় না। তবু রিফকের অর্থ দয়া ও নম্রতা করা হয়েছে। রিফক দুনিয়া ও আখিরাতের তামাম মঙ্গলের উৎস। যে রিফকের অধিকারী, সে আল্লাহ ও তাঁর বান্দার মহব্বতের পাত্র। যে রিফক থেকে বঞ্চিত হয়েছে, সে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আল্লাহ ও তাঁর বান্দাগণ তাকে অপসন্দ করেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)