মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
২৬- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
হাদীস নং: ৪৮৪৫
- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
১০. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - জিহ্বার হিফাযাত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে
৪৮৪৫। হযরত সুফিয়ান ইবনে আসাদ হাযরামী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বলিতে শুনিয়াছি, সবচাইতে বড় বিশ্বাসঘাতকতা হইল এই যে, তুমি তোমার কোন (মুসলমান) ভাইকে কোন কথা বল, সে উহাকে সত্য বলিয়া বিশ্বাস করিয়া নেয়, অথচ তুমি উহাতে মিথ্যাবাদী। –আবু দাউদ
كتاب الآداب
وَعَن سُفيان
بن أسدٍ الحضرميِّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «كَبُرَتْ خِيَانَةً أَنْ تُحَدِّثَ أَخَاكَ حَدِيثًا هُوَ لَكَ بِهِ مُصَدِّقٌ وَأَنْتَ بِهِ كاذبٌ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
بن أسدٍ الحضرميِّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «كَبُرَتْ خِيَانَةً أَنْ تُحَدِّثَ أَخَاكَ حَدِيثًا هُوَ لَكَ بِهِ مُصَدِّقٌ وَأَنْتَ بِهِ كاذبٌ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মিথ্যা কথা সর্বদা এবং সকল অবস্থায় গর্হিত ব্যাপার। পরিস্থিতি এবং পরিবেশের বিভিন্নতার কারণে মিথ্যার গুনাহের পরিমাণ বিভিন্ন হয়। এক ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে অপর ব্যক্তিকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে দিল এবং অপর ব্যক্তি নিজের বাহাদুরী জাহির করা বা অন্যের বাহবা কুড়ানোর জন্য মিথ্যা বলল। উভয় ব্যক্তি মিথ্যার অপরাধে অপরাধী। কিন্তু প্রথম ব্যক্তি মিথ্যার দ্বারা অন্যের উপর যুলম করার কারণে বেশি শাস্তি লাভের উপযুক্ত বিবেচিত হবে।
ভাইয়ের সাথে মিথ্যা বলা নিকৃষ্ট খিয়ানত এ জন্য বলা হয়েছে যে, মিথ্যাবাদী তার ভাইয়ের সরলতা ও তার সম্পর্কে সে যে ভাল ধারণ পোষণ করে, তার সুযোগ গ্রহণ করে এবং তার ক্ষতি সাধন করে। বস্তুত মিথ্যাবাদী ব্যক্তি তার ভাইয়ের আস্থা ও ভরসা থেকে নাজায়েয ফায়দা হাসিল করে তাকে বিপদে ফেলে।
ভাইয়ের সাথে মিথ্যা বলা নিকৃষ্ট খিয়ানত এ জন্য বলা হয়েছে যে, মিথ্যাবাদী তার ভাইয়ের সরলতা ও তার সম্পর্কে সে যে ভাল ধারণ পোষণ করে, তার সুযোগ গ্রহণ করে এবং তার ক্ষতি সাধন করে। বস্তুত মিথ্যাবাদী ব্যক্তি তার ভাইয়ের আস্থা ও ভরসা থেকে নাজায়েয ফায়দা হাসিল করে তাকে বিপদে ফেলে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)