মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১৪- বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩১৩৮
২. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - বিয়ের ওয়ালী (অভিভাবক) এবং নারীর অনুমতি গ্রহণ প্রসঙ্গে
৩১৩৮। হযরত আবু সায়ীদ খুদরী ও ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেন যাহার কোন সন্তান জন্মগ্রহণ করিয়াছে, সে যেন তাহার উত্তম নাম রাখে এবং তাহাকে উত্তম আদব-কায়েদা শিক্ষা দেয়। আর যখন সে বালেগা হইবে তাহার বিবাহ দেয়। যদি সে বালেগা হয় আর তাহার বিবাহ না দেয় এবং সে কোন গোনাহর কাজ করিয়া বসে, তখন গোনাহ্ হইবে বাপের।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «من وُلِدَ لَهُ وَلَدٌ فَلْيُحْسِنِ اسْمَهُ وَأَدَبَهُ فَإِذَا بَلَغَ فَلْيُزَوِّجْهُ فَإِنْ بَلَغَ وَلَمْ يُزَوِّجْهُ فَأَصَابَ إِثْمًا فَإِنَّمَا إثمه على أَبِيه»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উত্তম নাম রাখে যেসকল নামের অর্থ ভাল নহে সেসকল নাম রাখা মকরূহ। যেমন—পচা, আইডা, শঠি মাহমুদ, শিয়াল মাহমুদ ইত্যাদি। আর যে নাম শেরক ও কুফরীর অর্থবোধক, জানিয়া-শুনিয়া সে নাম রাখাও হারাম। যেমন—আবদুন্নবী, আবদুর রাসূল, বন্দে আলী ও বকশ আলী প্রভৃতি। আহ্ছানুল্লাহ্, আকরামুল্লাহ্, আফজালুর রহমান, গোলামুর রহমান নাম রাখাও জায়েয নহে। মোটকথা, নিজে অর্থ না বুঝিলে কোন ভাল আলেমের নিকট জিজ্ঞাসা করিয়া সন্তানের ভাল নাম রাখিবে। নবী-রাসূলদের নামে নাম রাখা মোস্তাহাব। আল্লাহর নামসমূহের সহিত ‘আবদ' শব্দ যোগ করিয়া নাম রাখা সর্বাপেক্ষা উত্তম। যেমন—আবদুল্লাহ্ ও আবদুর রহমান।
