মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১২- ক্রয় - বিক্রয়ের অধ্যায়
হাদীস নং: ২৭৭২
- ক্রয় - বিক্রয়ের অধ্যায়
১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - উপার্জন করা এবং হালাল রুযী অবলম্বনের উপায় সন্ধান করা
২৭৭২। হযরত জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ যেই দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, উহা বেহেশতে প্রবেশ করিতে পারিবে না। হারাম মালে গঠিত দেহের জন্য দোযখই সমীচীন। —আহমদ, দারেমী ও বায়হাকী শোআবুল ঈমানে
كتاب البيوع
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ لَحْمٌ نبَتَ منَ السُّحْتِ وكلُّ لحمٍ نبَتَ منَ السُّحْتِ كَانَتِ النَّارُ أَوْلَى بِهِ» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالدَّارِمِيُّ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আল্লাহর আশ্রয় চাই। আলোচ্য হাদীসে খুবই কঠিন ধমক রয়েছে। হাদীসের শব্দাবলীর বাহ্যিক মর্মার্থ এটাই যে, দুনিয়াতে যে ব্যক্তি হারাম উপার্জনের খাদ্য দ্বারা দেহ বর্ধিত করেছে সে জান্নাতের প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবে। আর জাহান্নামই তার ঠিকানা। আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন। হাদীসের ব্যাখ্যাকারীগণ কুরআন ও হাদীসের অন্যান্য দলীলের আলোকে এর অর্থ এই বলেছেন যে, এ জাতীয় লোক হারাম ভক্ষণের শাস্তি না পেয়ে জান্নাতে যেতে পারবে না। হ্যাঁ, যদি সে মু'মিন হয়ে থাকে তবে হারামের শাস্তি ভোগের পর জান্নাতে যেতে পারবে। আর মৃত্যুর পূর্বে যদি তার সত্য তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার সৌভাগ্য হয়, অথবা কোন নেক বান্দা তার জন্য ক্ষমার দু'আ করে ও তা কবুল হয় কিংবা দয়ালু আল্লাহ স্বয়ং ক্ষমা ফায়সালা করেন তবে শাস্তি ছাড়াও পরিত্রাণ পেতে পারে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)