মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

১১- হজ্জ্বের অধ্যায়

হাদীস নং: ২৬৪৫
- হজ্জ্বের অধ্যায়
৭. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - কুরবানীর পশুর বর্ণনা
২৬৪৫। হযরত নুবাইশা হুয়ালী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ আমি গত বৎসর তোমাদিগকে তিন দিনের অধিক কোরবানীর গোশত খাইতে নিষেধ করিয়াছিলাম, যাহাতে উহা যথেষ্ট হয় তোমাদের জন্য (ও গরীবদের জন্য)। এ বৎসর আল্লাহ্ সচ্ছলতা দান করিয়াছেন, সুতরাং এ বৎসর তোমরা খাও, জমা রাখ এবং দান করিয়া সওয়াব হাসিল কর। জানিয়া রাখ, এই কয়দিন হইল খাওয়াপিয়া ও আল্লাহর যিকিরের দিন। –আবু দাউদ
كتاب المناسك
وَعَنْ نُبَيْشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عَلَيْهِ وَسلم: «إِن كُنَّا نهينَا عَنْ لُحُومِهَا أَنْ تَأْكُلُوهَا فَوْقَ ثَلَاثٍ لِكَيْ تسَعْكم. جاءَ اللَّهُ بالسَّعَةِ فكُلوا وادَّخِرُوا وأْتَجِروا. أَلَا وَإِنَّ هَذِهِ الْأَيَّامَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ وذِكْرِ اللَّهِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

হাদীসের ব্যাখ্যা:

উপরের হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, কুরবানীর গোশতের বেলায় অনুমতি রয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত ইচ্ছা খাওয়া যায় এবং রাখা যায়। আর হাদীসটির শেষ বাক্য দ্বারা জানা গেল যে, আইয়ামে তাশরীকে আল্লাহর বান্দাদের খাওয়া ও পান করাও আল্লাহ্ তা'আলার কাছে প্রিয় ও পছন্দনীয় কাজ। এ দিনগুলো যেন আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে মেহমানদারী ও আপ্যায়নের দিন। তবে এই খাওয়া দাওয়ার সাথে আল্লাহর স্মরণ, তাঁর মাহাত্ম্য ঘোষণা, তাঁর পবিত্রতা ও তাওহীদের বাণী উচ্চারণ দ্বারা রসনাকে সিক্ত রাখা চাই। এর সংমিশ্রণ ছাড়া আল্লাহর প্রকৃত বান্দাদের জন্য জীবনের প্রতিটি বিষয়ই তো বিস্বাদ।
« اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ »
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান