মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৮- রোযার অধ্যায়

হাদীস নং: ১৯৯৩
- রোযার অধ্যায়
২. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাস্আলাহ্
১৯৯৩। হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) যখন ইফতার করিতেন বলিতেনঃ তৃষ্ণা দূর হইল, শিরা উপশিরা সিক্ত হইল এবং আল্লাহ্ চাহেন তো সওয়াব নির্ধারিত হইল। – আবু দাউদ
كتاب الصوم
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَفْطَرَ قَالَ: «ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ الله» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

হাদীসের ব্যাখ্যা:

অর্থাৎ, পিপাসা ও শুষ্কতার যে কষ্ট আমরা কিছু সময় বরদাশত করলাম, ইফতার করা মাত্রই সেটা দূর হয়ে গেল। এখন না পিপাসা আছে, না শিরাগুলোতে শুষ্কতা আছে, আর আখেরাতের অনন্ত প্রতিদান ইনশাআল্লাহ্ নির্ধারিত হয়েই গিয়েছে। এটা আল্লাহর দরবারে হুযূর (ﷺ)-এর শুকরিয়াও, এবং অন্যদের জন্য শিক্ষাও যে, রোযাদারের বিশ্বাস ও অনুভূতি এমনই হওয়া চাই। উপরের দু'টি দু‘আর শব্দমালায় বুঝা যায় যে, হুযুর (ﷺ) ইফতারের পর এ বাক্যগুলো বলতেন।
কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইফতারের সময় এ দু‘আও করতেন:
يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَةِ اغْفِرْ لِي
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান