আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৭. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
হাদীস নং: ৩৫৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৫৫
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ
৩৫৫৫. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ..... জুয়াইরিয়্যা বিনতে হারিছ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি একবার তাঁর ইবাদতখানায় ছিলেন, এমতাবস্থায় নবী (ﷺ) তাঁর পাশ দিয়ে গেলেন। পরে আবার প্রায় দুপুরের সময়ও তাঁর পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি কি এতক্ষণ তোমার আগের অবস্থায়ই ছিলে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। নবী (ﷺ) বললেনঃ আমি কি তোমাকে এমন কতগুলো কালিমা শিখিয়ে দিব না তুমি পাঠ করবে? সেগুলো হলঃ
سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ
সৃষ্টির পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, সৃষ্টির পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, সৃষ্টির পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ; আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর কালিমার পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর কালিমার পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর কালিমার পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ। ইবনে মাজাহ
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান হলেন তাহালা পরিবারের আযাদকৃত দাস। তিনি একজন মাদীনী শায়খ এবং নির্ভরযোগ্য। মাসউদী এবং ছাওরী (রাহঃ) ও তাঁর বরাতে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ
সৃষ্টির পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, সৃষ্টির পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, সৃষ্টির পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ; আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আরশের ওজন পরিমাণ সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর কালিমার পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর কালিমার পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ, আল্লাহর কালিমার পরিমাণ সংখ্যক সুবহানাল্লাহ। ইবনে মাজাহ
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান হলেন তাহালা পরিবারের আযাদকৃত দাস। তিনি একজন মাদীনী শায়খ এবং নির্ভরযোগ্য। মাসউদী এবং ছাওরী (রাহঃ) ও তাঁর বরাতে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
أبواب الدعوات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ سَمِعْتُ كُرَيْبًا، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَيْهَا وَهِيَ فِي مَسْجِدٍ ثُمَّ مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِهَا قَرِيبًا مِنْ نِصْفِ النَّهَارِ فَقَالَ لَهَا " مَا زِلْتِ عَلَى حَالِكِ " . فَقَالَتْ نَعَمْ . قَالَ " أَلاَ أُعَلِّمُكِ كَلِمَاتٍ تَقُولِينَهَا سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ هُوَ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ وَهُوَ شَيْخٌ مَدَنِيٌّ ثِقَةٌ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ الْمَسْعُودِيُّ وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ هَذَا الْحَدِيثَ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীসের দ্বারা জানা গেল যে, অধিক যিকির এর দ্বারা যেমন অধিক ছওয়াব হাসিল করা যায়, তেমনি তার একটি সহজ তরীকা বা পন্থা হলো তার সাথে এমন শব্দসমূহ জুড়ে দেয়া, যার দ্বারা সংখ্যার আধিক্য বুঝায়। যেমনটা উপরোক্ত হাদীসে রাসূল ﷺ শিক্ষা দিয়েছেন।
এখানে একথা লক্ষ্যণীয় যে, কোন কোন হাদীসে স্বয়ং নবী করীম ﷺ বহুলভাবে যিকির করার প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। এজন্যে হযরত জুয়ায়রিয়া (রা)-এর বর্ণিত এ হাদীস দ্বারা যিকিরের আধিক্যের ব্যাপারে তা নিষিদ্ধ হওয়া বা অপসন্দনীয় হওয়া বুঝে নেওয়া মোটেই ঠিক হবে না। উক্ত হাদীসের মর্ম হচ্ছে, যিকিরের দ্বারা অধিক ছওয়াব লাভের একটি সহজতর তরীকা হচ্ছে এটাও, বিশেষত যারা অধিক ব্যস্ততার কারণে আল্লাহর যিকিরের জন্যে বেশি সময় ব্যয় করতে পারেন না, তারা এ পদ্ধতিতেও অনেক ছওয়াব হাসিল করে নিতে পারেন।
হযরত শাহ্ ওলী উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (র) এ ব্যাপারে বলেন, যে ব্যক্তি তাঁর বাতিনকে এবং তার জীবনকে যিকিরের রঙে অনুরঞ্জিত করতে আগ্রহী, বহুল পরিমাণে যিকির করা তার জন্যে অপরিহার্য। আর যিকির এর দ্বারা কেবল পারলৌকিক ছওয়াব হাসিল করাই যার উদ্দিষ্ট, তার উচিত এমন সব কালিমা যিকিরের জন্যে বেছে নেয়া, যা অর্থগত দিক থেকে উন্নততর ও প্রশস্ততর যেমনটি উপরোক্ত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
এখানে একথা লক্ষ্যণীয় যে, কোন কোন হাদীসে স্বয়ং নবী করীম ﷺ বহুলভাবে যিকির করার প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। এজন্যে হযরত জুয়ায়রিয়া (রা)-এর বর্ণিত এ হাদীস দ্বারা যিকিরের আধিক্যের ব্যাপারে তা নিষিদ্ধ হওয়া বা অপসন্দনীয় হওয়া বুঝে নেওয়া মোটেই ঠিক হবে না। উক্ত হাদীসের মর্ম হচ্ছে, যিকিরের দ্বারা অধিক ছওয়াব লাভের একটি সহজতর তরীকা হচ্ছে এটাও, বিশেষত যারা অধিক ব্যস্ততার কারণে আল্লাহর যিকিরের জন্যে বেশি সময় ব্যয় করতে পারেন না, তারা এ পদ্ধতিতেও অনেক ছওয়াব হাসিল করে নিতে পারেন।
হযরত শাহ্ ওলী উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (র) এ ব্যাপারে বলেন, যে ব্যক্তি তাঁর বাতিনকে এবং তার জীবনকে যিকিরের রঙে অনুরঞ্জিত করতে আগ্রহী, বহুল পরিমাণে যিকির করা তার জন্যে অপরিহার্য। আর যিকির এর দ্বারা কেবল পারলৌকিক ছওয়াব হাসিল করাই যার উদ্দিষ্ট, তার উচিত এমন সব কালিমা যিকিরের জন্যে বেছে নেয়া, যা অর্থগত দিক থেকে উন্নততর ও প্রশস্ততর যেমনটি উপরোক্ত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)