আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
৪৮- নবীগণের আঃ আলোচনা
হাদীস নং: ৩২৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৪৮৩
- নবীগণের আঃ আলোচনা
২০৫০. শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ
৩২৩৭। আহমাদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) .... আবু মাসউদ উকবা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, আম্বিয়া-এ-কিরামের সর্বসম্মত উক্তি সমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তন্মধ্যে একটি হল, “যখন তোমার লজ্জা-শরম না থাকে, তখন তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পার।”
كتاب الأنبياء
باب
3483 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ زُهَيْرٍ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ عُقْبَةُ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلاَمِ النُّبُوَّةِ، إِذَا لَمْ تَسْتَحْيِ فَافْعَلْ مَا شِئْتَ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কিরামের কালাম সঠিকভাবে সংরক্ষিত না থাকার কারণে আমরা তাঁদের ওয়ায নসীহত ও শিক্ষামূলক কথা জানতে পারিনি। তাঁরাও মানুষের আখলাক ও আমল সুন্দর ও সংশোধন করার জন্য বহু অমূল্য উপদেশ দান করেছেন। আলোচ্য হাদীসে নবী করীম ﷺ তাঁদের একটি উপদেশ সত্যায়িত করেছেন। এ হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, পূর্ববর্তী নবীগণও তাঁদের উম্মতকে হায়া অবলম্বন করার উপদেশ দিয়েছেন। কিন্তু আফসোস, তাঁদের দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পর তাঁদের অনুসারিগণ ঈমানের নূর হারানোর সাথে সাথে হায়ার দৌলতও হারিয়ে ফেলেছে।
'যদি তোমার হায়া না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তা কর' কথার অর্থ হল, যে ব্যক্তির অন্তরে হায়ার আলো নেই সে যে কোন মন্দ আমল করতে পারে। বস্তুত হায়াশূন্য ব্যক্তি যে কোন গর্হিত কাজ করলেও আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কোন কারণ নেই। যার হায়া নেই তার ঈমান নেই এবং যার ঈমান নেই তার উপর আল্লাহ তা'আলা শয়তানকে লেলিয়ে দেন এবং শয়তান যার দোস্ত সে দুনিয়ার এমন কোন অকর্ম ও কুকর্ম নেই, যা করতে পারে না।
'যদি তোমার হায়া না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তা কর' কথার অর্থ হল, যে ব্যক্তির অন্তরে হায়ার আলো নেই সে যে কোন মন্দ আমল করতে পারে। বস্তুত হায়াশূন্য ব্যক্তি যে কোন গর্হিত কাজ করলেও আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কোন কারণ নেই। যার হায়া নেই তার ঈমান নেই এবং যার ঈমান নেই তার উপর আল্লাহ তা'আলা শয়তানকে লেলিয়ে দেন এবং শয়তান যার দোস্ত সে দুনিয়ার এমন কোন অকর্ম ও কুকর্ম নেই, যা করতে পারে না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: