আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
২৮. রোগ-ব্যধি ও চিকিৎসা সম্পর্কিত শরয়ী বিধান
হাদীস নং: ২০৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ২০৫৩
রোগ-ব্যধি ও চিকিৎসা সম্পর্কিত শরয়ী বিধান
রক্ত মোক্ষণ।
২০৫৯. আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ..... ইকরিমা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-এর তিন জন রক্ত মোক্ষমকারী গোলাম ছিল। দুই জন তো তাঁর ও তাঁর পরিবারের আয়ের জন্য মজুরীর বিনিময়ে কাজ করত আর একজন তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের পরিজনের রক্ত মোক্ষম করত।
ইকরিমা বলেন, ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেছেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ রক্ত মোক্ষম অভিজ্ঞ গোলাম কতইনা ভাল। সে (দূষিত) রক্ত বিদূরিত করে, (উপার্জন করে) পিঠের বোঝা লাঘব করে এবং চোখের ময়লা দূর করে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আরো বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মি‘রাজ গমন করেন তখন ফিরিশতাগণের যে দলের পাশ দিয়েই তিনি গিয়েছেন সে দলই তাঁকে বলেছেনঃ আপনি অবশ্যই রক্ত মোক্ষম পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। তিনি বলেনঃ সতের, উনিশ এবং একুশ তারিখ রক্ত মোক্ষম উত্তম। তোমাদের চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে উত্তম হল নাক দিয়ে ঔসধ দেওয়া, মুখ দিয়ে ঔষধ দেওয়া, রক্ত মোক্ষম ও জুলাপ ব্যবহার করা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আব্বাস ও তাঁর সঙ্গীগণ (রাযিঃ) মুখ দিয়ে ঔষধ প্রদান করে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ কে আমার মুখ দিয়ে ঔষধ দিয়েছে? সকলেই চুপ করে রইলেন। তিনি বললেন যে, তাঁর চাচা আব্বাস ব্যতীত এই ঘরে যারা আছে সবাইকেই মুখ দিয়ে ঔষধ প্রদান করা হবে।
ইকরিমা বলেন, ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেছেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ রক্ত মোক্ষম অভিজ্ঞ গোলাম কতইনা ভাল। সে (দূষিত) রক্ত বিদূরিত করে, (উপার্জন করে) পিঠের বোঝা লাঘব করে এবং চোখের ময়লা দূর করে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আরো বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মি‘রাজ গমন করেন তখন ফিরিশতাগণের যে দলের পাশ দিয়েই তিনি গিয়েছেন সে দলই তাঁকে বলেছেনঃ আপনি অবশ্যই রক্ত মোক্ষম পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। তিনি বলেনঃ সতের, উনিশ এবং একুশ তারিখ রক্ত মোক্ষম উত্তম। তোমাদের চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে উত্তম হল নাক দিয়ে ঔসধ দেওয়া, মুখ দিয়ে ঔষধ দেওয়া, রক্ত মোক্ষম ও জুলাপ ব্যবহার করা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আব্বাস ও তাঁর সঙ্গীগণ (রাযিঃ) মুখ দিয়ে ঔষধ প্রদান করে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ কে আমার মুখ দিয়ে ঔষধ দিয়েছে? সকলেই চুপ করে রইলেন। তিনি বললেন যে, তাঁর চাচা আব্বাস ব্যতীত এই ঘরে যারা আছে সবাইকেই মুখ দিয়ে ঔষধ প্রদান করা হবে।
أبواب الطب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في الحجامة
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ، يَقُولُ كَانَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ غِلْمَةٌ ثَلاَثَةٌ حَجَّامُونَ فَكَانَ اثْنَانِ مِنْهُمْ يُغِلاَّنِ عَلَيْهِ وَعَلَى أَهْلِهِ وَوَاحِدٌ يَحْجُمُهُ وَيَحْجُمُ أَهْلَهُ . قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نِعْمَ الْعَبْدُ الْحَجَّامُ يُذْهِبُ الدَّمَ وَيُخِفُّ الصُّلْبَ وَيَجْلُو عَنِ الْبَصَرِ " . وَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ عُرِجَ بِهِ مَا مَرَّ عَلَى مَلإٍ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ إِلاَّ قَالُوا عَلَيْكَ بِالْحِجَامَةِ . وَقَالَ " إِنَّ خَيْرَ مَا تَحْتَجِمُونَ فِيهِ يَوْمَ سَبْعَ عَشَرَةَ وَيَوْمَ تِسْعَ عَشَرَةَ وَيَوْمَ إِحْدَى وَعِشْرِينَ " . وَقَالَ " إِنَّ خَيْرَ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ السَّعُوطُ وَاللَّدُودُ وَالْحِجَامَةُ وَالْمَشِيُّ " . وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَدَّهُ الْعَبَّاسُ وَأَصْحَابُهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ لَدَّنِي فَكُلُّهُمْ أَمْسَكُوا فَقَالَ " لاَ يَبْقَى أَحَدٌ مِمَّنْ فِي الْبَيْتِ إِلاَّ لُدَّ " . غَيْرَ عَمِّهِ الْعَبَّاسِ قَالَ عَبْدٌ قَالَ النَّضْرُ اللَّدُودُ الْوَجُورُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ .
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
এই বিষয়ে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উক্ত হাদীসটি গারীব। আব্বাদ ইবনে মানসুর (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।