কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ

৩৪. ফিতনাসমূহ ও কিয়ামতপূর্ব আলামতের বর্ণনা

হাদীস নং: ৪০৮০
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৮০
ফিতনাসমূহ ও কিয়ামতপূর্ব আলামতের বর্ণনা
দাজ্জালের ফিতনা, ঈসা ইবন মারইয়ামের অবতরণ ও ইয়াজুজ-মাজুজের বের হওয়া
৪০৮০। আযহার ইব্‌ন মারওয়ান (রাহঃ)...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয় ইয়াজুজ মাজুজ প্রত্যহ গর্ত খুঁড়তে থাকে, এমনকি যখন তারা সূর্যের আলোক রশ্মি দেখার মত অবস্থায় পৌঁছে (অর্থাৎ গর্ত এতটা পাতলা হয় যেন সূর্য রশ্মি দেখা যায়) এরপর তাদের নেতা বলেঃ তোমরা ফিরে চলো, আগামীকাল এসে আমরা খুঁড়ার কাজ শেষ করবো। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা (রাতের মধ্যে) সেই প্রাচীরকে আগের চাইতে মযবুত করে দেন। যখন তাদের আবির্ভাবের সময় পৌঁছে যাবে এবং আল্লাহ তা'আলা তাদের মানুষের নিকট পাঠাতে চাইবেন, তখন তারা (অভ্যাস অনুযায়ী) প্রাচীর খুঁড়তে থাকবে, এমন কি যখন তারা সূর্যের আলোক রশ্মি দেখার মত অবস্থায় পৌঁছবে, তখন তাদের নেতা বলবেঃ এবার ফিরে চলো, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল বাকী খুঁড়ার কাজ শেষ করবে। তারা 'ইনশাআল্লাহ' শব্দ ব্যবহার করবে। সেদিন তারা ফিরে যাবে এবং প্রাচীর ঐ অবস্থায় থাকবে, যে অবস্থায় তারা রেখে যাবে। অবশেষে তারা খুঁড়ার কাজ শেষ করবে এবং লোকের নিকট বেরিয়ে আসবে এবং সমুদয় পানি পান করে নিঃশেষ করে ফেলবে। মানুষ তাদের ভয়ে পালিয়ে দুর্গের মধ্যে আশ্রয় নিবে। তারা আকাশের পানে তাদের বর্শা নিক্ষেপ করবে। রক্তে রঞ্জিত হয়ে তাঁর তাদের দিকে ফিরে আসবে। তখন তারা বলবেঃ আমরা যমীন বাসীদের উপর বিজয়ী হয়েছি এবং আসমান বাসীদের উপরও বিজয়ী হয়েছি। এরপর আল্লাহ তাদের গর্দানে এক ধরনের কীট পয়দা করবেন। কীটগুলো ওদের কতল করে ফেলবে।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ। যাঁর হাতে আমার প্রাণ। ভূ-পৃষ্টের চতুস্পদ গৃহপালিত জন্তুগুলো মোটাতাজা হয়ে যাবে এবং থলথলে মাংসল হয়ে যাবে ওদের গোশত ভক্ষণ করে।
كتاب الفتن
بَاب فِتْنَةِ الدَّجَالِ وَخُرُوجِ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ وَخُرُوجِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ
حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ مَرْوَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ يَحْفِرُونَ كُلَّ يَوْمٍ حَتَّى إِذَا كَادُوا يَرَوْنَ شُعَاعَ الشَّمْسِ قَالَ الَّذِي عَلَيْهِمُ ارْجِعُوا فَسَنَحْفِرُهُ غَدًا ‏.‏ فَيُعِيدُهُ اللَّهُ أَشَدَّ مَا كَانَ حَتَّى إِذَا بَلَغَتْ مُدَّتُهُمْ وَأَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَبْعَثَهُمْ عَلَى النَّاسِ حَفَرُوا حَتَّى إِذَا كَادُوا يَرَوْنَ شُعَاعَ الشَّمْسِ قَالَ الَّذِي عَلَيْهِمُ ارْجِعُوا فَسَتَحْفِرُونَهُ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى وَاسْتَثْنَوْا فَيَعُودُونَ إِلَيْهِ وَهُوَ كَهَيْئَتِهِ حِينَ تَرَكُوهُ فَيَحْفِرُونَهُ وَيَخْرُجُونَ عَلَى النَّاسِ فَيَنْشِفُونَ الْمَاءَ وَيَتَحَصَّنُ النَّاسُ مِنْهُمْ فِي حُصُونِهِمْ فَيَرْمُونَ بِسِهَامِهِمْ إِلَى السَّمَاءِ فَتَرْجِعُ عَلَيْهَا الدَّمُ الَّذِي اجْفَظَّ فَيَقُولُونَ قَهَرْنَا أَهْلَ الأَرْضِ وَعَلَوْنَا أَهْلَ السَّمَاءِ فَيَبْعَثُ اللَّهُ نَغَفًا فِي أَقْفَائِهِمْ فَيَقْتُلُهُمْ بِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّ دَوَابَّ الأَرْضِ لَتَسْمَنُ وَتَشْكَرُ شَكَرًا مِنْ لُحُومِهِمْ ‏"‏ ‏.‏

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীছে ইয়াজূজ মাজূজের আবির্ভাব ও তাদের প্রাচীরের ক্রমক্ষয় জানানো হয়েছে যে, এক সময় তারা প্রাচীর ভেঙে বের হয়ে পড়বে এবং সভ্য এলাকাসমূহে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। এটি একটি ভবিষ্যদ্বাণী । ইতোমধ্যে এটি ঘটে গেছে না ভবিষ্যতে ঘটবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।

ইয়াজূজ-মাজূজ ও যুলকারনায়নের প্রাচীর

ইয়াজূজ ও মা'জূজ বলতে তাতার, মঙ্গল, হুন ও শেথীন নামে পরিচিত উপজাতিসমূহকে বোঝায়। তারা হযরত নূহ আলাইহিস সালামের পুত্র ইয়াফিসের বংশধর। তারা রাশিয়া, উত্তর চীন ও এর মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকাসমূহে বাস করত। ইউরোপে তারা গগ ও মেগগ নামে পরিচিত। তারা একটি লড়াকু ও দুর্ধর্ষ জাতি ছিল। পার্বত্য অঞ্চল থেকে বের হয়ে তারা সভ্য দেশসমূহে দস্যুবৃত্তি ও লুটতরাজ করে বেড়াত। তাদের হামলা থেকে তিব্বত ও চীনের অধিবাসীরাও রেহাই পেত না। তাদের সে জুলুম-অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি প্রাচীর নির্মিত হয়। একটি প্রাচীর নির্মাণ করেন বাদশা যুলকারনায়ন। অনেক ঐতিহাসিকের মতে যুলকারনায়ন হচ্ছেন পারস্য সম্রাট খুরস (সাইরাস), যিনি খৃষ্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দির এক দিগ্বিজয়ী বীর।
কুরআন মাজীদে যুলকারনায়নের বিভিন্ন সফরের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে সর্বশেষ সফর সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছেঃ- حَتَّى إِذَا بَلَغَ بَيْنَ السَّدَّيْنِ وَجَدَ مِنْ دُونِهِمَا قَوْمًا لَا يَكَادُونَ يَفْقَهُونَ قَوْلًا قَالُوا يَاذَا الْقَرْنَيْنِ إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ فَهَلْ نَجْعَلُ لَكَ خَرْجًا عَلَى أَنْ تَجْعَلَ بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ سَدًّا “চলতে চলতে যখন দু'টি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছল, তখন সে পাহাড়ের কাছে এমন এক জাতির সাক্ষাৎ পেল, যারা তার কোনও কথা যেন বুঝতে পারছিল না। তারা বলল, হে যুলকারনাইন! ইয়াজুজ ও মা'জূজ এ দেশে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়। আমরা কি আপনাকে কিছু কর দেব, যার বিনিময়ে আপনি আমাদের ও তাদের মাঝখানে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন?
তিনি তাদের সে অনুরোধ রক্ষা করেন এবং লোহা ও গলিত তামা দ্বারা একটি মজবুত প্রাচীর তৈরি করে দেন। সে সম্পর্কে কুরআন মাজীদে ইরশাদঃ- قَالَ مَا مَكَّنِّي فِيهِ رَبِّي خَيْرٌ فَأَعِينُونِي بِقُوَّةٍ أَجْعَلْ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُمْ رَدْمًا آتُونِي زُبَرَ الْحَدِيدِ حَتَّى إِذَا سَاوَى بَيْنَ الصَّدَفَيْنِ قَالَ انْفُخُوا حَتَّى إِذَا جَعَلَهُ نَارًا قَالَ آتُونِي أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا 'যুলকারনাইন বলল, আল্লাহ আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছেন সেটাই (আমার জন্য) শ্রেয়। সুতরাং তোমরা (তোমাদের হাত-পায়ের) শক্তি দ্বারা আমাকে সহযোগিতা কর। আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি মজবুত প্রাচীর গড়ে দেব। তোমরা আমাকে লোহার পিণ্ড এনে দাও। অবশেষে সে যখন (মাঝখানের ফাকা পূর্ণ করে) উভয় পাহাড়ের চূড়া পরস্পর বরাবর করে মিলিয়ে দিল তখন বলল, এবার আগুনে হাওয়া দাও। যখন সেটিকে (প্রাচীর) জ্বলন্ত কয়লায় পরিণত করল তখন বলল, তোমরা গলিত তামা নিয়ে এসো। আমি তা এর ওপর ঢেলে দেব।
হযরত যুলকারনায়ন রহ. যে প্রাচীরটি নির্মাণ করেন, সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন সেটি আসলে কোন্‌টি। মধ্য এশিয়ায় প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ গবেষণা করে ঐতিহাসিকগণ বিভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তবে প্রাচীর যেটিই হোক না কেন, তার নির্মিত প্রাচীর দ্বারা তখন সভ্য এলাকার মানুষ ইয়াজূজ-মাজূজের লুটতরাজ থেকে নিস্তার পেয়েছিল। পরবর্তীকালে সেটি ধ্বংস হয়ে গেছে নাকি এখনও লোকচক্ষুর অন্তরালে কোথাও বিদ্যমান আছে, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। আল্লাহ তা'আলার কুদরতের পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়।

যুলকারনায়নের প্রাচীর ছিদ্র হওয়ার অর্থ

আলোচ্য হাদীছে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে ইয়াজুজ মা'জুজের প্রাচীর ছিদ্র হয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তা আক্ষরিক অর্থেও হতে পারে এবং রূপকার্থেও হতে পারে। আক্ষরিক অর্থে হলে তা দ্বারা ইয়াজূজ-মাজূজের কিয়ামতপূর্ববর্তী আবির্ভাবের কথাও বোঝানো হতে পারে অথবা তার আরও আগের কোনও বিপর্যয়ের দিকেও ইঙ্গিত করা হতে পারে। চেঙ্গিসখান, হালাকুখান, তৈমুরলঙ্গ প্রভৃতি মোঙ্গল নরপতিগণ বিভিন্ন সময় মুসলিম এলাকায় দুর্ধর্ষ হামলা চালিয়েছে। এ হাদীছে তাদের সে হামলাগুলোর কথা বোঝানো অসম্ভব নয়। আবার এমনও হতে পারে, কিয়ামতের আগে তারা যে বিভীষিকা চালাবে এবং যা কিয়ামতপূর্ববর্তী একটি বড় আলামত, সেদিকে ইশারা হয়েছে । কুরআন মাজীদে সে সম্পর্কে ইরশাদঃ- حَتَّى إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُمْ مِنْ كُلِّ حَدَبٍ يَنْسِلُونَ ‘পরিশেষে যখন ইয়াজুজ ও মা'জুজকে খুলে দেওয়া হবে এবং তাদেরকে প্রতিটি উঁচু ভূমি থেকে পিছলে নামতে দেখা যাবে।
এ আয়াতে সরাসরি কোনও প্রাচীরের কথা উল্লেখ নেই। যদি তখন বাস্তবিক কোনও প্রাচীর থাকেও, তবে তা তাদের সে আবির্ভাব প্রতিহত করতে পারবে না। তাদের অসংখ্য লোক সব বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে ঢলের বেগে নেমে আসতে থাকবে। সে হিসেবে প্রাচীর ছিদ্র হওয়া দ্বারা রূপক অর্থে তাদের সৃষ্ট ফিতনা বোঝানো হতে পারে। অর্থাৎ তারা একের পর এক ফিতনা বিস্তার করতে থাকবে, যার প্রথম শিকার হবে আরবগণ। তারপর তাদের সাথে অন্যান্য মুসলিম এলাকাও আক্রান্ত হবে। পরিশেষে কিয়ামতের আগে হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের আবির্ভাবের পর তা এমনই ভয়াবহ আকার ধারণ করবে যে, কোনও শক্তি তা প্রতিহত করতে পারবে না। ফলে তাদের থেকে খাঁটি ঈমানদারদেরকে হেফাজত করার জন্য হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে তূর পাহাড়ে আশ্রয় নিতে হবে। যেমন এক হাদীছে আছেঃ-
“এ অবস্থায় আল্লাহ তা'আলা হযরত ঈসা ইব্ন মারয়ামকে প্রেরণ করবেন। তিনি দামেশকের পূর্বদিকের সাদা মিনারের নিকটে অবতরণ করবেন, জাফরানী রঙের দু'টি চাদর পরিহিত অবস্থায়, ফিরিশতাদের বাহুর ওপর দুই হাতে ভর করে। তিনি যখন মাথা নোয়াবেন, তখন পানি টপকাতে শুরু করবে। আবার যখন মাথা সোজা করবেন, তখন তা থেকে মুক্তার দানার মত পানি গড়িয়ে পড়বে। তার নিঃশ্বাস যে পর্যন্ত পৌছাবে সে পর্যন্ত সকল কাফের মারা যাবে। আর তার নিঃশ্বাস পৌছাবে তার দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত। তিনি দাজ্জালকে সন্ধান করবেন। তাকে পেয়ে যাবেন বায়তুল মুকাদ্দাসের নিকটবর্তী 'লূদ্দ' নামক জনপদের দরজায়। তিনি সেখানেই তাকে হত্যা করে ফেলবেন। তারপর ঈসা আলাইহিস সালাম ওই সকল লোকের কাছে আসবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা'আলা দাজ্জাল থেকে রক্ষা করবেন। তিনি তাদের চেহারাসমূহ মুছে দেবেন এবং জান্নাতে তাদের জন্য যে মর্যাদা স্থির করা আছে সে সম্পর্কে তাদের অবহিত করবেন। ঠিক এ সময়ই আল্লাহ তা'আলা হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের ওপর ওহী নাযিল করবেন যে, এখন আমি আমার এমন একদল বান্দার আবির্ভাব ঘটাচ্ছি, যাদের সাথে যুদ্ধ করার ক্ষমতা কারও নেই। সুতরাং তুমি আমার বান্দাদেরকে নিয়ে তূর পাহাড়ের দিকে যাও। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা ইয়াজুজ ও মা'জূজের আবির্ভাব ঘটাবেন। তারা প্রত্যেক উঁচু স্থান থেকে দ্রুতবেগে নেমে আসবে -মুসলিম। "

হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ

ক. কোনও এক কালে ইয়াজূজ-মাজূজ জাতিকে ঠেকানোর জন্য যে প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল তা সত্য। তাতে বিশ্বাস রাখা জরুরি।

খ. কিয়ামতের আগে ইয়াজূজ-মাজূজের পক্ষ থেকে এ জাতির ওপর এক মহাবিপর্যয় নেমে আসবে। এটা কিয়ামতের বড় আলামতসমূহের একটি।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান
সুনানে ইবনে মাজা - হাদীস নং ৪০৮০ | মুসলিম বাংলা