কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ

৩১. আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৭২৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭২৮
আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পছন্দনীয় নাম
৩৭২৮। আবু বাকর (রাযিঃ) ...... ইব্‌ন উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন; মহান আল্লাহর কাছে সব চাইতে পছন্দনীয় নাম হলো আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান ।
كتاب الأدب
بَاب مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ الْأَسْمَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ أَحَبُّ الأَسْمَاءِ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ عَبْدُ اللَّهِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ ‏"‏ ‏.‏

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান এ দু'টি নাম অধিক প্রিয় ও পছন্দনীয় হওয়া স্পষ্ট। কেননা, এতে বান্দার দাসত্বের ঘোষণা রয়েছে, আর এ জিনিসটি আল্লাহ্ তা'আলা পছন্দ করেন। অনুরূপভাবে নবী-রাসূলদের নামও পছন্দনীয় নামগুলোর অন্তর্ভুক্ত। কেননা, এগুলো নবী-রাসূলদের সাথে সম্বন্ধ প্রকাশ করে। এজন্যই স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের এক পুত্রের নাম ইবরাহীম রেখেছিলেন। আবু দাউদ শরীফে হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীও বর্ণিত রয়েছে : سموا بأسماء الأنبياء অর্থাৎ, পয়গাম্বরদের নামে নাম রাখ। এছাড়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন কোন শিশুর এমন নাম রেখেছেন, যেগুলো অর্থগত দিক দিয়ে খুবই সুন্দর, যদিও এগুলো পয়গাম্বরদের প্রসিদ্ধ নামগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। যেমন, তিনি আপন নাতিদ্বয়ের নাম হাসান ও হুসাইন রেখেছেন। আরেকজন আনসারী সাহাবীর পুত্রের নাম মুনযির রেখেছেন। সারকথা, এই ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কর্মধারা ও তাঁর বাণী দ্বারা এ পথনির্দেশ পাওয়া যায় যে, পিতার দায়িত্ব হল, নিজ সন্তানের ভালো নাম রাখবে অথবা নিজের কোন শ্রদ্ধেয় নেক মানুষ দিয়ে ভালো নাম রাখাবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান