কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
২৩. হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ৩০৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৫৯
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
বায়তুল্লাহ যিয়ারতের বর্ণনা
৩০৫৯। আবু বাকর ইব্ন খালাফ, আবু বিশর (রাহঃ)...... আয়েশা ও ইবন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) রাত পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারতে বিলম্ব করেছেন।[১]
[১] হাজ্জীগণকে তিনবার বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে হয়। প্রথমে মক্কায় পৌঁছেই- এটা তাওয়াফে কুদূম (আগমনি তাওয়াফ), তা সুন্নত । দ্বিতীয়বার মিনা থেকে ফিরে এসে- এটা তাওয়াফে যিয়ারত বা তাওয়াফে ইফাদা, এটা ফরয। তৃতীয় বার হজ্জ শেষে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে এটা তাওয়াফে বিদা (বিদায়ী তাওয়াফ)। মক্কার বাইরের লোকদের জন্য তা ওয়াজিব। মক্কা ও আশেপাশের লোকদের জন্য তা অপরিহার্য নয়।
[১] হাজ্জীগণকে তিনবার বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে হয়। প্রথমে মক্কায় পৌঁছেই- এটা তাওয়াফে কুদূম (আগমনি তাওয়াফ), তা সুন্নত । দ্বিতীয়বার মিনা থেকে ফিরে এসে- এটা তাওয়াফে যিয়ারত বা তাওয়াফে ইফাদা, এটা ফরয। তৃতীয় বার হজ্জ শেষে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে এটা তাওয়াফে বিদা (বিদায়ী তাওয়াফ)। মক্কার বাইরের লোকদের জন্য তা ওয়াজিব। মক্কা ও আশেপাশের লোকদের জন্য তা অপরিহার্য নয়।
كتاب المناسك
بَاب زِيَارَةِ الْبَيْتِ
حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ طَارِقٍ، عَنْ طَاوُسٍ، وَأَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، وَابْنِ، عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَخَّرَ طَوَافَ الزِّيَارَةِ إِلَى اللَّيْلِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসটির মর্ম এই যে, তওয়াফে যিয়ারতের জন্য উত্তম দিন হচ্ছে কুরবানীর দিন, অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবকাশ দিয়েছেন যে, এ দিনটি শেষ হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায়ও এটা করা যায়। আর এ রাতের তাওয়াফও ফযীলত হিসাবে ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবে গণ্য হবে।
সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)