কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
৪২. শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
হাদীস নং: ৪৩৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৫৭
শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
ফড়িং
৪৩৫৮. কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু ইয়া’ফুর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রাযিঃ)-কে ফড়িং হত্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর সাথে ছয়টি জিহাদে শরীক হয়ে ছিলাম। আর সে সময় আমরা ফড়িং খেতাম।
كتاب الصيد والذبائح
الْجَرَادُ
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ سُفْيَانَ وَهُوَ ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي يَعْفُورَ قَالَ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى، عَنْ قَتْلِ الْجَرَادِ، فَقَالَ: «غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سِتَّ غَزَوَاتٍ نَأْكُلُ الْجَرَادَ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আবু দাউদ শরীফে হযরত সালমান ফারসী রাযি. থেকে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে টিড্ডি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন: «أكثر جنود الله لا آكله ولا أحرمه» (অর্থাৎ, আল্লাহর অনেক মাখলুক তথা জীবজন্তু এমন রয়েছে যে, আমি নিজে তো এগুলো খাই না, কিন্তু হারামও বলি না।) উদ্দেশ্য এই যে, এটা হালাল এবং মানুষ এটা খেতে পারে।
এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, হুযুর (ﷺ) নিজে টিড্ডি খেতেন না। এর আলোকে হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর উপরের হাদীসের মর্ম এই বর্ণনা করেছেন যে, সাহাবায়ে কেরাম হুযুর (ﷺ)-এর সাথে যুদ্ধের সময় টিড্ডিও খেতেন এবং তিনি নিষেধ করতেন না। এ অর্থের একটি ইঙ্গিত এটাও যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর এ হাদীসেরই বিভিন্ন বর্ণনায় معه অর্থাৎ, তাঁর সাথে শব্দটি নেই; বরং সেখানে শেষ শব্দমালা এই: كنا نأكل الجراد অর্থাৎ, আমরা টিড্ডি খেতাম।
এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, হুযুর (ﷺ) নিজে টিড্ডি খেতেন না। এর আলোকে হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর উপরের হাদীসের মর্ম এই বর্ণনা করেছেন যে, সাহাবায়ে কেরাম হুযুর (ﷺ)-এর সাথে যুদ্ধের সময় টিড্ডিও খেতেন এবং তিনি নিষেধ করতেন না। এ অর্থের একটি ইঙ্গিত এটাও যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর এ হাদীসেরই বিভিন্ন বর্ণনায় معه অর্থাৎ, তাঁর সাথে শব্দটি নেই; বরং সেখানে শেষ শব্দমালা এই: كنا نأكل الجراد অর্থাৎ, আমরা টিড্ডি খেতাম।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)