কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
৪২. শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
হাদীস নং: ৪৩৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৫৬
শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
ফড়িং
৪৩৫৭. হুমায়দ ইবনে মাস’আদা (রাহঃ)... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রাযিঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নেতৃত্বে সাতটি জিহাদে শরীক ছিলাম। তখন আমরা ফড়িং খেতাম।
كتاب الصيد والذبائح
الْجَرَادُ
أَخْبَرَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ عَنْ سُفْيَانَ وَهُوَ ابْنُ حَبِيبٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَبِي يَعْفُورَ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى قَالَ غَزَوْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبْعَ غَزَوَاتٍ فَكُنَّا نَأْكُلُ الْجَرَادَ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আবু দাউদ শরীফে হযরত সালমান ফারসী রাযি. থেকে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে টিড্ডি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন: «أكثر جنود الله لا آكله ولا أحرمه» (অর্থাৎ, আল্লাহর অনেক মাখলুক তথা জীবজন্তু এমন রয়েছে যে, আমি নিজে তো এগুলো খাই না, কিন্তু হারামও বলি না।) উদ্দেশ্য এই যে, এটা হালাল এবং মানুষ এটা খেতে পারে।
এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, হুযুর (ﷺ) নিজে টিড্ডি খেতেন না। এর আলোকে হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর উপরের হাদীসের মর্ম এই বর্ণনা করেছেন যে, সাহাবায়ে কেরাম হুযুর (ﷺ)-এর সাথে যুদ্ধের সময় টিড্ডিও খেতেন এবং তিনি নিষেধ করতেন না। এ অর্থের একটি ইঙ্গিত এটাও যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর এ হাদীসেরই বিভিন্ন বর্ণনায় معه অর্থাৎ, তাঁর সাথে শব্দটি নেই; বরং সেখানে শেষ শব্দমালা এই: كنا نأكل الجراد অর্থাৎ, আমরা টিড্ডি খেতাম।
এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, হুযুর (ﷺ) নিজে টিড্ডি খেতেন না। এর আলোকে হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর উপরের হাদীসের মর্ম এই বর্ণনা করেছেন যে, সাহাবায়ে কেরাম হুযুর (ﷺ)-এর সাথে যুদ্ধের সময় টিড্ডিও খেতেন এবং তিনি নিষেধ করতেন না। এ অর্থের একটি ইঙ্গিত এটাও যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর এ হাদীসেরই বিভিন্ন বর্ণনায় معه অর্থাৎ, তাঁর সাথে শব্দটি নেই; বরং সেখানে শেষ শব্দমালা এই: كنا نأكل الجراد অর্থাৎ, আমরা টিড্ডি খেতাম।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)