কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ

৪২. শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান

হাদীস নং: ৪৩৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৪৮
শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
মোরগের গোশত খাওয়ার বৈধতা
৪৩৪৯. ইসমাঈল ইবনে মাসউদ (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) খায়বরের দিন প্রত্যেক থাবাবিশিষ্ট পাখি এবং দাঁতাল হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেন।
كتاب الصيد والذبائح
بَاب إِبَاحَةِ أَكْلِ لُحُومِ الدَّجَاجِ
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ عَنْ بِشْرٍ هُوَ ابْنُ الْمُفَضَّلِ قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحَكَمِ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى يَوْمَ خَيْبَرَ عَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ وَعَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

ঐসকল পশু যেগুলো মুখ ও দাঁত দিয়ে শিকার করে- যেমন সিংহ, চিতা, বাঘ এবং অনুরূপভাবে কুকুর ও বিড়াল, এগুলোর এমন ধারালো দাঁত থাকে যাকে আরবীতে ناب বলা হয়। এগুলোই এসব পশুর আঘাত ও আক্রমণের বিশেষ অস্ত্র। অনুরূপভাবে যেসব পাখী শিকার ধরে, যেমন- বাজ, চিল ইত্যাদি তাদের আক্রমণের হাতিয়ার হচ্ছে- ঐ পাঞ্জা, যা দিয়ে ঝাপটা মেরে শিকারকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসে।

হাদীসটির মর্ম ও সারবস্তু এই যে, চতুষ্পদ হিংস্রপ্রাণী, যেগুলোর মুখে ধারালো দাঁত থাকে এবং শিকার করে, অনুরূপভাবে শিকারী পাখী, যেগুলো পাঞ্জা দ্বারা ঝাপটা মেরে শিকার করে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ, এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, এগুলো খাওয়া যাবে না। বস্তুত এগুলোও হারাম ও অপবিত্র জিনিসের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)