কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

২৪. গোলাম আযাদ করা সম্পর্কিত

হাদীস নং: ৩৮৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৩১
গোলাম আযাদ করা সম্পর্কিত
২. মুকাতিব দাসের চুক্তিভঙ্গ হওয়ার পর তা বিক্রি সম্পর্কে।
৩৮৯০. আব্দুল আযীয ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জুয়ায়রিয়া বিনতে হারিছ ইবনে মুসতালিক, ছাবিত ইবনে কায়স ইবনে শামমাম (রাযিঃ), অথবা তাঁর চাচাতো ভাইয়ের অংশে (যুদ্ধ বন্দী হিসাবে) পড়েন। তিনি নিজেকে মুকাতিব দাসী হিসাবে সাব্যস্ত করেন তিনি একজন সুন্দরী, সুশ্রী রমণী ছিলেন, যা প্রত্যেকের জন্য আকর্ষণীয় ছিল। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট তার মুক্তিপণের টাকার জন্য আবেদন করার উদ্দেশ্যে আসেন। তিনি যখন দরজার কাছে এসে দাঁড়ান, তখন তাকে দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। কেননা আমার মনে হচ্ছিল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার সে সৌন্দর্য দেখবেন, যা আমি দেখেছি। তখন জুয়ায়রিয়া বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি জুয়ায়রিয়া বিনতে হারিছ। আর আমার ব্যাপারটি আপনার কাছে গোপন নয়।

আমি (যুদ্ধ বন্দী হিসাবে) ছাবিত ইবনে কায়স ইবনে শামমামের ভাগে পড়েছি, আর আমি তাঁকে মুক্তিপণ দিয়ে বন্ধনমুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এজন্য আমি আমার মুক্তিপণের টাকার প্রয়োজনে আপনার কাছে এসেছি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তুমি কি এর চাইতে উত্তম কোন ব্যাপারে সম্মত আছো? সে বলে তা কি ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বলেন, আমি তোমার পক্ষ হতে তোমার যাবতীয় মুক্তিপণ আদায় করে দেব এবং তোমাকে বিয়ে করবো।

তখন জুয়ায়রিয়া বলেন, আমি এতে রাযী আছি। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, লোকেরা যখন শুনলো যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুয়ায়রিয়াকে বিয়ে করেছেন, তখন তাদের হাতে বনু মুসতালিকের যত বন্দী ছিল, সকলকে মুক্ত করে দেয় এবং তারা বলেন এরা তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর শ্বশুর বংশের লোক। (আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ) আমি তাঁর চাইতে ভাগ্যবতী আর কাউকে দেখিনি, যার কারণে তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা এত উপকৃত হয়েছে! কেননা, তাঁর জন্যই বনু মুসতালিকের একশত বন্দী মুক্তি পায়।
أبواب العتق
باب فِي بَيْعِ الْمُكَاتَبِ إِذَا فُسِخَتِ الْكِتَابَةُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ يَحْيَى أَبُو الأَصْبَغِ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ - عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ وَقَعَتْ جُوَيْرِيَةُ بِنْتُ الْحَارِثِ بْنِ الْمُصْطَلِقِ فِي سَهْمِ ثَابِتِ بْنِ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ أَوِ ابْنِ عَمٍّ لَهُ فَكَاتَبَتْ عَلَى نَفْسِهَا وَكَانَتِ امْرَأَةً مَلاَّحَةً تَأْخُذُهَا الْعَيْنُ - قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها - فَجَاءَتْ تَسْأَلُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي كِتَابَتِهَا فَلَمَّا قَامَتْ عَلَى الْبَابِ فَرَأَيْتُهَا كَرِهْتُ مَكَانَهَا وَعَرَفْتُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَيَرَى مِنْهَا مِثْلَ الَّذِي رَأَيْتُ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَا جُوَيْرِيَةُ بِنْتُ الْحَارِثِ وَإِنَّمَا كَانَ مِنْ أَمْرِي مَا لاَ يَخْفَى عَلَيْكَ وَإِنِّي وَقَعْتُ فِي سَهْمِ ثَابِتِ بْنِ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ وَإِنِّي كَاتَبْتُ عَلَى نَفْسِي فَجِئْتُكَ أَسْأَلُكَ فِي كِتَابَتِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَهَلْ لَكِ إِلَى مَا هُوَ خَيْرٌ مِنْهُ " . قَالَتْ وَمَا هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " أُؤَدِّي عَنْكِ كِتَابَتَكِ وَأَتَزَوَّجُكِ " . قَالَتْ قَدْ فَعَلْتُ قَالَتْ فَتَسَامَعَ - تَعْنِي النَّاسَ - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ تَزَوَّجَ جُوَيْرِيَةَ فَأَرْسَلُوا مَا فِي أَيْدِيهِمْ مِنَ السَّبْىِ فَأَعْتَقُوهُمْ وَقَالُوا أَصْهَارُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَا رَأَيْنَا امْرَأَةً كَانَتْ أَعْظَمَ بَرَكَةً عَلَى قَوْمِهَا مِنْهَا أُعْتِقَ فِي سَبَبِهَا مِائَةُ أَهْلِ بَيْتٍ مِنْ بَنِي الْمُصْطَلِقِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا حُجَّةٌ فِي أَنَّ الْوَلِيَّ هُوَ يُزَوِّجُ نَفْسَهُ .