মা'আরিফুল হাদীস
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
হাদীস নং: ২০০
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
আশারা মুবাশশারার অবশিষ্ট সাহাবীদের ফযীলত ও মর্যাদা
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের এক বক্তব্যে (যা পাঠকগণ এ ভূমিকামূলক কয়েকটি ছত্রের পরেই তিরমিযী শরীফের বরাতে পাঠ করবেন।) আপন সাহাবীদের মধ্য থেকে বিশেষভাবে দশ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ঘোষণা করেছেন যে, এরা জান্নাতী। তাঁদেরকে আশারা মুবাশশারা বলা হয়।
এ দশজনের মধ্যে চার খলীফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক, হযরত উমর ফারুক, হযরত উসমান যিন্নুরাইন এবং হযরত আলী মুরতাযা রাযি.ও রয়েছেন। হুযুর (ﷺ) সর্বাগ্রে তাঁদেরই জান্নাতী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁদের ফযীলত ও মর্যাদা সম্পর্কিত হাদীসগুলো পাঠকদের চোখের সামনে এসে গিয়েছে। তাদের ছাড়া অবশিষ্টদের ফযীলত ও মর্যাদা সম্পর্কে কিছু হাদীস নিম্নে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের এক বক্তব্যে (যা পাঠকগণ এ ভূমিকামূলক কয়েকটি ছত্রের পরেই তিরমিযী শরীফের বরাতে পাঠ করবেন।) আপন সাহাবীদের মধ্য থেকে বিশেষভাবে দশ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ঘোষণা করেছেন যে, এরা জান্নাতী। তাঁদেরকে আশারা মুবাশশারা বলা হয়।
এ দশজনের মধ্যে চার খলীফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক, হযরত উমর ফারুক, হযরত উসমান যিন্নুরাইন এবং হযরত আলী মুরতাযা রাযি.ও রয়েছেন। হুযুর (ﷺ) সর্বাগ্রে তাঁদেরই জান্নাতী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁদের ফযীলত ও মর্যাদা সম্পর্কিত হাদীসগুলো পাঠকদের চোখের সামনে এসে গিয়েছে। তাদের ছাড়া অবশিষ্টদের ফযীলত ও মর্যাদা সম্পর্কে কিছু হাদীস নিম্নে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
২০০. হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযি. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (ﷺ) বলেছেন: আবু বকর জান্নাতী, উমর জান্নাতী, উসমান জান্নাতী, আলী জান্নাতী, তালহা জান্নাতী, যুবায়ের জান্নাতী, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ জান্নাতী, সা'দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস জান্নাতী, সাঈদ ইবনে যায়েদ জান্নাতী এবং আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রাযি. জান্নাতী। (তিরমিযী)
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَبُو بَكْرٍ فِي الْجَنَّةِ، وَعُمَرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَلِيٌّ فِي الْجَنَّةِ، وَعُثْمَانُ فِي الْجَنَّةِ، وَطَلْحَةُ فِي الْجَنَّةِ، وَالزُّبَيْرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فِي الْجَنَّةِ، وَسَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ فِي الْجَنَّةِ، وَسَعِيدُ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ فِي الْجَنَّةِ، وَأَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ فِي الْجَنَّةِ» (رواه الترمذى)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
একথা সুস্পষ্ট যে, হুযুর (ﷺ)-এর এ ঘোষণা ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে অবগতি ও তাঁর নির্দেশ ছিল। আহলে সুন্নতের জমহুর ওলামায়ে কেরাম হুযুর (ﷺ)-এর এ বক্তব্য থেকেই এটা বুঝে নিয়েছেন যে, এ দশজন মনীষী অবশিষ্ট সাহাবায়ে কেরাম ও সমস্ত উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম। যদিও তাঁদের ছাড়া আরো কিছু লোকের জান্নাতী হওয়ার অবগতি তিনি বিভিন্ন সময়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই দশজনের অন্য সবার তুলনায় অনন্য বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা রয়েছে।
হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীতে মহান খলীফা চতুষ্টয়ের পর যে ক্রমধারায় অবশিষ্ট সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ক্রমধারা অনুসারেই ঐসব সাহাবীদের মর্যাদা সম্পর্কিত হাদীসসমূহ নিম্নে লিখা হচ্ছে।
হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীতে মহান খলীফা চতুষ্টয়ের পর যে ক্রমধারায় অবশিষ্ট সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ক্রমধারা অনুসারেই ঐসব সাহাবীদের মর্যাদা সম্পর্কিত হাদীসসমূহ নিম্নে লিখা হচ্ছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)