মা'আরিফুল হাদীস

মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়

হাদীস নং: ২৪৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
একত্রে খাওয়াতে বরকত হয়
২৪৫. হযরত ওয়াহশী ইবনে হারব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) এর কতিপয় সাহাবী আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের অবস্থা এই যে, আমরা খানা খাই, কিন্তু পরিতৃপ্ত হই না। তিনি বললেন, সম্ভবত তোমরা পৃথক পৃথক খানা খাও। তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা একত্রে খাবারে বস আর বিসমিল্লাহ বলে খানা খাও। এতে তোমরা বরকত লাভ করবে (এবং পরিতৃপ্ত হবে।) -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ وَحْشِيُّ بْنُ حَرْبٍ قَالَ: إِنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نَأْكُلُ وَلَا نَشْبَعُ، قَالَ: «لَعَلَّكُمْ تَفْتَرِقُونَ؟» قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: «فَاجْتَمِعُوا عَلَى طَعَامِكُمْ، وَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ يُبَارَكْ لَكُمْ فِيهِ» (رواه ابوداؤد)

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীসে একত্রে খানা খাওয়ার যে বরকতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেকেই এটা পরীক্ষা করতে পারে। তবে শর্ত এই যে, খাবারে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যকে প্রাধান্য দেওয়ার গুণ থাকতে হবে- যা সাহাবায়ে কেরামের মতই প্রতিটি মুসলমানের মধ্যে থাকা চাই। অর্থাৎ, প্রত্যেকেই এটা চাইবে যে, আমার অপর সাথী ভালোটা খেয়ে নিক এবং উত্তমরূপে খেয়ে নিক। যদি খাদ্য গ্রহণকারীদের এ মানসিকতা না থাকে, তাহলে তারা এ বরকত লাভে সক্ষম হবে না; বরং এর বিপরীত হওয়ারও আশংকা আছে। সামনের হাদীসটিও এ আলোকেই বুঝতে হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান