মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ২৪৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
খানা বেশী গরম না খাওয়া চাই
২৪৪. হযরত আসমা বিনতে আবু বকর রাযি. থেকে বর্ণিত, তার কাছে যখন সারীদ পাক করে আনা হত, তখন তিনি এটা ঢেকে রাখতে বলতেন- যে পর্যন্ত না এর ধোঁয়ার তেজ শেষ হয়ে যায়। (এরপর এটা খাওয়া হত।) আসমা (তাঁর এই কার্যপদ্ধতির সনদ হিসাবে) বলতেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি যে, এভাবে (কিছুটা ঠাণ্ডা করে) খাওয়া খুবই বরকতের কারণ হয়। -মুসনাদে দারেমী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهَا كَانَتْ إِذَا أُتِيَتْ بِثَرِيدٍ، أَمَرَتْ بِهِ فَغُطِّيَ حَتَّى يَذْهَبَ فَوْرَةُ وَدُخَانُهُ، وَتَقُولُ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «هُوَ أَعْظَمُ لِلْبَرَكَةِ» (رواه الدارمى)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
'সারীদ' একটি সুপরিচিত ও লোভনীয় খাবার, নববী যুগে এর খুব প্রচলন ছিল। এক বিশেষ পদ্ধতিতে গোশতের সাথে রুটির টুকরা দিয়ে এটা তৈরী করা হত। এ বর্ণনায় যদিও বিশেষভাবে সারীদের উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু এ কথা স্পষ্ট যে, হাদীসে যে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, এটা প্রতিটি রান্না করা খাবারের বেলায় প্রযোজ্য যে, বেশী গরম খাওয়া উচিত নয়। এটাকে বরকতের কারণ বলা হয়েছে। পূর্বেও যেমন লিখে আসা হয়েছে যে, বরকতের অর্থে এটাও অন্তর্ভুক্ত যে, খাবারের যেটা উদ্দেশ্য সেটা এভাবে খাওয়াতে উত্তমরূপে অর্জিত হয়। চিকিৎসা নীতির দাবীও এটাই যে, খানা বেশী গরম না খাওয়া চাই।
'কানযুল উম্মালে' বিভিন্ন হাদীস গ্রন্থের বরাতে একাধিক সাহাবায়ে কেরাম থেকে বিভিন্ন শব্দ মালায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এই নির্দেশ বর্ণিত হয়েছে যে, খানা ঠাণ্ডা করে খাওয়া চাই, এতে বরকত নিহিত রয়েছে। (কানযুল উম্মাল, অষ্টম খণ্ড)
'কানযুল উম্মালে' বিভিন্ন হাদীস গ্রন্থের বরাতে একাধিক সাহাবায়ে কেরাম থেকে বিভিন্ন শব্দ মালায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এই নির্দেশ বর্ণিত হয়েছে যে, খানা ঠাণ্ডা করে খাওয়া চাই, এতে বরকত নিহিত রয়েছে। (কানযুল উম্মাল, অষ্টম খণ্ড)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)