মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ২৩৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
খাওয়ার আগে আল্লাহকে স্মরণ করা ও তাঁর নাম নেওয়া চাই
২৩৯. হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: শয়তান নিজের জন্য খাবার বৈধ করে নেয় (অর্থাৎ, তার জন্য খাবারে অংশীদারিত্ব ও বৈধতা সৃষ্টি হয়ে যায়।) যখন এতে আল্লাহর নাম নেওয়া না হয়। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ الشَّيْطَانَ يَسْتَحِلُّ الطَّعَامَ أَنْ لَا يُذْكَرَ اسْمُ اللهِ عَلَيْهِ. (رواه مسلم)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসটির মর্ম এই যে, আল্লাহর নাম শয়তানের জন্য চাবুকের মত। যখন কোন খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া হবে এবং বিসমিল্লাহ বলে খানা শুরু করা হবে, তখন শয়তান এর মধ্যে শরীক হতে পারবে না। কিন্তু যখন কোন খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া না হয় এবং বিসমিল্লাহ ছাড়াই খানা শুরু করে দেওয়া হয়, তখন শয়তানের জন্য এতে অংশ গ্রহণে কোন বাধা থাকে না। যদিও খাদ্য গ্রহণকারীর চোখ দেখতে পায় না; কিন্তু শয়তান তার সাথে খাবারে শরীক হয়ে যাবে।
মুসলিম শরীফেরই অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে যে, যখন কোন মানুষ নিজের ঘরে যেখানে সে রাত্রিযাপন করে ও ঘুমায়- আল্লাহর নাম নিয়ে প্রবেশ করে, তখন শয়তান আপন সাথীদেরকে বলে যে, এখান থেকে চলে যাও। এখানে আমাদের ও তোমাদের জন্য না থাকার জায়গা আছে, না খাবার উপকরণ আছে। এর বিপরীত যখন কোন ব্যক্তি নিজের ঘরে এসে আল্লাহর নাম না নেয় এবং খাওয়ার সময়ও আল্লাহকে স্মরণ না করে, তখন শয়তান তার সহচরদেরকে বলে যে, এসে যাও, এখানে তোমাদের জন্য আরামে রাত্রিযাপনের জায়গাও আছে এবং নির্ধারিত খাবারও আছে। বস্তুত আল্লাহর পবিত্র নাম শয়তানের জন্য এমন আঘাত, যার সে মুকাবিলা করতে পারে না। যেভাবে অন্ধকার সূর্যের মুকাবিলা করতে পারে না।
এখানে এই ঈমানী বাস্তবতাকে মস্তিষ্কে চাঙ্গা করে নেওয়া চাই যে, ফিরিশতা ও শয়তানদের অস্তিত্ব এবং তাদের কর্মকাণ্ড ও গুণাবলী ঐসব অদৃশ্য বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত, যেগুলোর জ্ঞান আমরা নিজেরা আপন ইন্দ্রিয় তথা চোখ, কান ইত্যাদি দ্বারা অর্জন করতে পারি না। স্বয়ং আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলীর অবস্থাও তাই। মু'মিনের কাজ হচ্ছে, এসব অদৃশ্য বাস্তবতার ব্যাপারে আল্লাহর সত্য পয়গাম্বর (ﷺ) এর বর্ণনার উপর নির্ভর এবং বিশ্বাস স্থাপন করা।
মুসলিম শরীফেরই অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে যে, যখন কোন মানুষ নিজের ঘরে যেখানে সে রাত্রিযাপন করে ও ঘুমায়- আল্লাহর নাম নিয়ে প্রবেশ করে, তখন শয়তান আপন সাথীদেরকে বলে যে, এখান থেকে চলে যাও। এখানে আমাদের ও তোমাদের জন্য না থাকার জায়গা আছে, না খাবার উপকরণ আছে। এর বিপরীত যখন কোন ব্যক্তি নিজের ঘরে এসে আল্লাহর নাম না নেয় এবং খাওয়ার সময়ও আল্লাহকে স্মরণ না করে, তখন শয়তান তার সহচরদেরকে বলে যে, এসে যাও, এখানে তোমাদের জন্য আরামে রাত্রিযাপনের জায়গাও আছে এবং নির্ধারিত খাবারও আছে। বস্তুত আল্লাহর পবিত্র নাম শয়তানের জন্য এমন আঘাত, যার সে মুকাবিলা করতে পারে না। যেভাবে অন্ধকার সূর্যের মুকাবিলা করতে পারে না।
এখানে এই ঈমানী বাস্তবতাকে মস্তিষ্কে চাঙ্গা করে নেওয়া চাই যে, ফিরিশতা ও শয়তানদের অস্তিত্ব এবং তাদের কর্মকাণ্ড ও গুণাবলী ঐসব অদৃশ্য বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত, যেগুলোর জ্ঞান আমরা নিজেরা আপন ইন্দ্রিয় তথা চোখ, কান ইত্যাদি দ্বারা অর্জন করতে পারি না। স্বয়ং আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলীর অবস্থাও তাই। মু'মিনের কাজ হচ্ছে, এসব অদৃশ্য বাস্তবতার ব্যাপারে আল্লাহর সত্য পয়গাম্বর (ﷺ) এর বর্ণনার উপর নির্ভর এবং বিশ্বাস স্থাপন করা।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)