মা'আরিফুল হাদীস

মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়

হাদীস নং: ২১৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পানীয় দ্রব্যাদির আহকাম ও বিধান
আগেই যেমন বলে আসা হয়েছে যে, পানাহারের বস্তুসমূহের হালাল ও হারাম হওয়ার ব্যাপারে, শরী‘আত মূলনীতি ওটাই, যা কুরআন পাকে এ শব্দমালায় বর্ণনা করা হয়েছে: لَہُمُ الطَّیِّبٰتِ وَیُحَرِّمُ عَلَیۡہِمُ الۡخَبٰٓئِث (অর্থাৎ, তিনি তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষণা করেন, আর হারাম বস্তুসমূহ নিষিদ্ধ করেন।) এ ভিত্তিতে পানীয় দ্রব্যসমূহের মধ্যেও যেগুলো পবিত্র উপাদেয়, সুস্বাদু ও উপকারী যেমন, হালাল চতুষ্পদ জন্তুর দুধ, ফলের রস, শরবত, উপাদেয় নির্যাস ইত্যাদি এসব কিছুকে হালাল সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর বিপরীত যেসব পানীয় দ্রব্য অপবিত্র ও মানুষের জন্য ক্ষতিকর, এগুলোকে হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছে। তারপর যেভাবে কোন কোন এমন খাদ্য সামগ্রীর হারাম হওয়ার ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব সহকারে কুরআন পাকেও করা হয়েছে- যেগুলো পূর্ববর্তী শরী‘আতসমূহেও হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছিল, কিন্তু এতদসত্ত্বেও কোন কোন শ্রেণী এগুলো খেত। যেমন, মৃত প্রাণী, শুকর ইত্যাদি। তেমনিভাবে পানীয় দ্রব্যসমূহের মধ্যে মদের হারাম হওয়ার ঘোষণাও বিশেষ গুরুত্ব সহকারে কুরআন পাকেও করা হয়েছে এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)ও এর ব্যাপারে অসাধারণ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং আল্লাহ্ তা'আলার নির্দেশে এ ব্যাপারে অত্যন্ত কঠিন ভূমিকা তিনি পালন করেছেন। যেমন, সামনে আলোচ্য হাদীসসমূহ থেকে জানা যাবে।

মদ হারাম হওয়ার নির্দেশ
মদকে হারাম সাব্যস্ত করার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, এর ব্যবহার দ্বারা মানুষ অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও ঐ জ্ঞান ও চিন্তা শক্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়, যা তার প্রতিপালকের বিশেষ দান ও আল্লাহর পরিচয় লাভের মাধ্যম। আর এভাবে সে ঐসব পশুর কাতারে এসে যায়, যাদেরকে তাদের প্রতিপালক জ্ঞান ও বিবেচনার নেয়ামত ও আপন মারেফাতের যোগ্যতা দান করেননি। আর এটা মানুষের জন্য নিজের উপর সবচেয়ে বড় যুলুম ও আল্লাহর প্রতি চরম অকৃতজ্ঞতা। তাছাড়া নেশার অবস্থায় মানুষের পক্ষ থেকে অনেক সময় চরম অবিবেচনা প্রসূত ও লজ্জাজনক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়ে যায় এবং সে শয়তানের খেলনায় পরিণত হয়ে যায়। এছাড়াও মদ্যপানের ফলে অনেক সময় খুবই সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসকর বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। এ জন্যই সকল আসমানী শরী‘আতে এটাকে হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং সর্বযুগের আল্লাহ্ ভীরু, সংস্কারক ও আধ্যাত্মিকতা প্রিয় মানুষ এটা বর্জন করে এসেছেন এবং এর বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

সামনে মদ সম্পর্কে যেসব হাদীস লিপিবদ্ধ করা হবে, পাঠকদের মস্তিষ্কে এগুলোর এ পটভূমি উপস্থিত থাকা চাই যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রেরণ কালে এবং সম্ভবত এর বহু পূর্ব থেকে আরবদের মধ্যে বিশেষ করে মদীনাবাসীর মধ্যে মদের খুবই প্রচলন ছিল। ঘরে ঘরে মদ তৈরী ও পান করা হত। এর দ্বারা ঐ ফুর্তি ও আনন্দও লাভ করা হত, যে উদ্দেশ্যে সাধারণত পান কারীরা এটা পান করে থাকে। এছাড়া ঐ পরিবেশে মদ্যপানকে একটি চারিত্রিক মহত্ত্ব ও মর্যাদার বিষয় মনে করা হত। সেখানের সাধারণ রীতি ছিল যে, বিত্তবান লোকেরা মদ পান করে নেশা অবস্থায় খুব দান-দক্ষিণা করত ও সম্পদ বিলাত- যার দ্বারা গরীবদের উপকার হত। এ জন্যই মদ পান না করা অথবা অল্প পান করাকে কৃপণতার লক্ষণ মনে করা হত।

ঠিক একই অবস্থা ছিল জুয়ারও। সেখানে জুয়ার কিছু বিশেষ নিয়ম-পদ্ধতি প্রচলিত ছিল এবং সাহসী ও বড় মনের লোকেরাই ঐ জুয়া খেলত, আর এতে তারা যা লাভ করত এটা দরিদ্র ও অভাবী মানুষকে বিলিয়ে দিত, এজন্য জুয়াও বড় লোকদের একটি সম্মানজনক খেলা ছিল-যার দ্বারা গরীবদের উপকার ও লাভ হত। জাহেলী যুগের গল্প ও কবিতায় এর পূর্ণ সন্ধান পাওয়া যায়।

মদ ও জুয়ার মধ্যে উপকারের সম্ভবত এটাই বিশেষ দিক ছিল- যার প্রতি সূরা বাকারার এ আয়াতে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা জুয়া ও মদ সম্পর্কে সর্বপ্রথম নাযিল হয়েছিল। যাহোক, মদের যেহেতু সেখানে ব্যাপক প্রচলন ছিল এবং এটা যেন তাদের মজ্জাগত বিষয়ে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। তারা জঘন্যভাবে এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল এবং তাদের দৃষ্টিতে এটা একটা মর্যাদার বিষয়ও ছিল। তাই এর নিষিদ্ধতার ব্যাপারে প্রথম প্রথম তো নম্র রীতি ও ক্রমধারার প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়েছে। কিন্তু জাতির মধ্যে যখন এ যোগ্যতা সৃষ্টি হয়ে গেল যে, চূড়ান্ত পর্যায়ে হারাম ঘোষণা করা হলে তারা সাথে সাথে ছেড়ে দিতে পারবে, তখন এমন কঠোর ভূমিকা অবলম্বন করা হল যে, যেসব পাত্রে মদ পান করার প্রচলন ছিল, এসব পাত্রগুলো ব্যবহার করতেও নিষেধ করে দেওয়া হল। এ ধরনের আরো কিছু চরম কঠোর বিধান জারী করা হল, যেগুলোর আসল উদ্দেশ্য কেবল এই ছিল যে, ঈমানদারদের অন্তরে এই চরিত্রবিনাশী জিনিসটির প্রতি চরম ঘৃণা সৃষ্টি হয়ে যাক। এ ভূমিকার পর এবার মদ হারাম হওয়া সংক্রান্ত সামনের হাদীসগুলো পাঠ করে নিন।
২১৫. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা (পর্যায়ক্রমে) তিনবারে করা হয়েছে, (যার বিস্তারিত বিবরণ এইঃ) নবী করীম (ﷺ) হিজরত করে মদীনায় আসলেন। ঐ সময় মদীনার লোকেরা মদ পান করত এবং জুয়ার দ্বারা অর্জিত অর্থ সম্পদ ভোগ করত। একবার তারা এ দু'টি জিনিসের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করল যে, এগুলো জায়েয না নাজায়েয। (জিজ্ঞাসা করার কারণ সম্ভবত এই ছিল যে, তাদের মধ্যে যারা সুস্থ স্বভাবের লোক ছিল তারা অনুভব করে থাকবে যে, ইসলামের সাধারণ শিক্ষা ও পবিত্র রুচির সাথে এ দু'টি জিনিসের কোন মিল নেই।) তাদের এই জিজ্ঞাসার জবাবে সূরা বাকারার এ আয়াতটি নাযিল হলঃ

یَسۡـَٔلُوۡنَکَ عَنِ الۡخَمۡرِ وَالۡمَیۡسِرِ ؕ قُلۡ فِیۡہِمَاۤ اِثۡمٌ کَبِیۡرٌ وَّمَنَافِعُ لِلنَّاسِ ۫ وَاِثۡمُہُمَاۤ اَکۡبَرُ مِنۡ نَّفۡعِہِمَا

হে নবী! লোকেরা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, এগুলোর মধ্যে বিরাট গুনাহ রয়েছে, আর মানুষের জন্য উপকারও রয়েছে। এ দু'টির গুনাহ এগুলোর উপকারের তুলনায় অনেক বেশী। তখন কিছু লোক বলল, (এ আয়াতে) মদ ও জুয়াকে অকাট্যভাবে হারাম সাব্যস্ত করা হয়নি। তাই তারা এরপরও (অবকাশ মনে করে) এটা পান করতে থাকল। শেষে একদিন এ ঘটনা ঘটল যে, একজন মুহাজির তার সাথীদেরকে নিয়ে নামায পড়ছিল। (আর সে ইমাম ছিল ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামায পড়াচ্ছিল) সে নামাযের কেরাআতে গোলমাল করে ফেলল (এবং এক শব্দের স্থলে আরেক শব্দ পড়ে ফেলল।) তখন মদের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আরেকটি আয়াত নাযিল হল- যা পূর্বের আয়াতের তুলনায় কঠোরতর ছিল। (আয়াতটি এইঃ)

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَقۡرَبُوا الصَّلٰوۃَ وَاَنۡتُمۡ سُکٰرٰی حَتّٰی تَعۡلَمُوۡا مَا تَقُوۡلُوۡن

হে মু'মিনগণ! তোমরা এমন অবস্থায় নামাযের কাছেও যেয়ো না, যখন তোমরা নেশাগ্রস্ত থাক এবং তোমরা যা বলছ তা বুঝতে পার না। কিন্তু কিছু লোক এরপরও (অবকাশ মনে করে) মদ পান করতে থাকে। (তবে তারা নামাযের নিকটবর্তী সময়ে এটা পান করত না। যেমন, কোন কোন রেওয়ায়ত দ্বারা জানা যায়।) তখন সূরা মায়েদার এ আয়াতগুলো নাযিল হল- যা পূর্ববর্তী আয়াতদ্বয়ের তুলনায় কঠোর ও স্পষ্ট ছিল। (আয়াতটি এইঃ)

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّمَا الۡخَمۡرُ وَالۡمَیۡسِرُ وَالۡاَنۡصَابُ وَالۡاَزۡلَامُ رِجۡسٌ مِّنۡ عَمَلِ الشَّیۡطٰنِ فَاجۡتَنِبُوۡہُ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ- اِنَّمَا یُرِیۡدُ الشَّیۡطٰنُ اَنۡ یُّوۡقِعَ بَیۡنَکُمُ الۡعَدَاوَۃَ وَالۡبَغۡضَآءَ فِی الۡخَمۡرِ وَالۡمَیۡسِرِ وَیَصُدَّکُمۡ عَنۡ ذِکۡرِ اللّٰہِ وَعَنِ الصَّلٰوۃِ ۚ فَہَلۡ اَنۡتُمۡ مُّنۡتَہُوۡنَ

হে মু'মিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ধারক তীর এগুলো ঘৃণ্যবস্তু ও শয়তানের কর্ম। সুতরাং তোমরা তা বর্জন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। শয়তান তো মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে বিরত রাখতে চায়। এরপর কি তোমরা নিবৃত্ত হবে। -সূরা মা-ইদাহ: আয়াত-৯০-৯১

যখন এ আয়াতগুলো নাযিল হল, তখন তারা বলল, انتهينا ربنا হে আল্লাহ্! আমরা নিবৃত হয়ে গেলাম এবং একেবারে ছেড়ে দিলাম। এরপর তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের ঐসব লোকদের কি হবে, যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়েছে অথবা বিছানায় পড়ে মারা গিয়েছে, অথচ তারা মদ পান করত এবং জুয়ার দ্বারা অর্জিত মাল খেত। আর এখন আল্লাহ্ তা'আলা এ দু'টিকে অপবিত্র ও শয়তানের কর্ম বলে আখ্যায়িত করেছেন। (তাই আমাদের যেসব ভাই এ দু'টিতে লিপ্ত ছিল এবং এ অবস্থাতেই মারা গিয়েছে অথবা আল্লাহর পথে শহীদ হয়েছে, আখেরাতে তাদের সাথে কি ব্যবহার করা হবে?) তখন এ প্রশ্নের উত্তরে এ আয়াতটি নাযিল হয়:

لَیۡسَ عَلَی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ جُنَاحٌ فِیۡمَا طَعِمُوۡۤا اِذَا مَا اتَّقَوۡا وَّاٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ

যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে তজ্জন্য তাদের কোন পাপ নেই; যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। -আহমাদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: حُرِّمَتِ الْخَمْرُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَهُمْ يَشْرَبُونَ الْخَمْرَ، وَيَأْكُلُونَ الْمَيْسِرَ، فَسَأَلُوهُ عَنْهُمَا، فَنَزَلَ يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ الْآيَةِ، فَقَالَ النَّاسُ: مَا حَرَّمَ عَلَيْنَا، وَكَانُوا يَشْرَبُونَ حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمٌ صَلَّى رَجُلٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ، بِأَصْحَابِهِ وَخَلَطَ فِي قِرَاءَتِهِ، فَنَزَلَتْ آيَةٌ أَغْلَظَ مِنْهَا: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى الاية، وَكَانَوْا يَشْرَبُونَ حَتَّى نَزَلَتْ أَغْلَظُ مِنْهَا: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ الاية، قَالُوا: انْتَهَيْنَا رَبَّنَا، فَقَالُوْا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، نَاسٌ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَمَاتُوا عَلَى فُرُشِهِمْ كَانُوا يَشْرَبُونَ الْخَمْرَ، وَيَأْكُلُونَ الْمَيْسِرَ، وَقَدْ جَعَلَهُ اللَّهُ رِجْسًا، مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ، فَنَزَلَ: {لَيْسَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُوا} الْآيَةِ. (رواه احمد)

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হাদীসের ব্যাখ্যা তরজমার ভিতরেই স্থানে স্থানে করে দেওয়া হয়েছে। হযরত আবূ হুরায়রা রাযি.-এর এ হাদীস থেকে জানা হয়ে গিয়েছে যে, মদের নিষিদ্ধতার ব্যাপারে প্রথমে পর্যায়ক্রমিক নীতি অবলম্বন করা হয়েছে এবং শেষে সূরা মায়েদার আয়াতে এ ব্যাপারে رِجۡسٌ مِّنۡ عَمَلِ الشَّیۡطٰن বলে এর অকাট্য ও চূড়ান্ত হারাম হওয়ার ঘোষণা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন কোন বর্ণনা দ্বারা জানা যায় যে, এ আয়াতটি অষ্টম হিজরীতে নাযিল হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান