মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
মু'আনাকা, (কোলাকোলি) চুম্বন ও কারো সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া
ভালোবাসা ও সম্পর্ক প্রকাশের সর্বশেষ ও চূড়ান্ত মাধ্যম মু'আনাকা ও চুম্বন। কিন্তু এর অনুমতি কেবল ঐ অবস্থায়ই রয়েছে, যখন পরিবেশ ও ক্ষেত্রের দৃষ্টিতে এটা কোন শরী‘আগত কল্যাণের পরিপন্থী না হয় এবং এর দ্বারা কোন অনিষ্ট অথবা এর সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হওয়ার আশংকা না থাকে। তিরমিযী শরীফে হযরত আনাস রাযি. থেকে এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করল যে, যখন আমার ভাই অথবা কোন প্রিয়জনের সাথে আমার সাক্ষাত হয়, তখন কি এর অনুমতি আছে যে, আমি তাকে জড়িয়ে ধরব, তার সাথে গলাগলি করব অথবা তাকে চুমু খাব? তিনি উত্তরে বললেন, না, এর অনুমতি নেই। ঐ ব্যক্তি আরয করল, তাহলে এর অনুমতি আছে কি যে, আমি তার হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে মুসাফাহা করব? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, এর অনুমতি আছে। এ হাদীস থেকে মু'আনাকা ও চুমু খাওয়ার যে নিষেধাজ্ঞা বুঝা যায়, এ ব্যাপারে হাদীস ব্যাখ্যাতাদের মতামত অন্য অনেক হাদীসের আলোকে এটাই যে, এর সম্পর্ক ঐ অবস্থার সাথে যখন বুক মিলানো ও চুমু খাওয়ার মধ্যে কোন অনিষ্ট অথবা অনিষ্টের সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থাকে। অন্যথায় স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে মু'আনাকা ও চুমু খাওয়ার অনেক ঘটনা বর্ণিত ও প্রমাণিত রয়েছে। এগুলোর মধ্য থেকে কয়েকটি ঘটনা নিম্নের হাদীসসমূহ থেকে জানা যাবে।
ভালোবাসা ও সম্পর্ক প্রকাশের সর্বশেষ ও চূড়ান্ত মাধ্যম মু'আনাকা ও চুম্বন। কিন্তু এর অনুমতি কেবল ঐ অবস্থায়ই রয়েছে, যখন পরিবেশ ও ক্ষেত্রের দৃষ্টিতে এটা কোন শরী‘আগত কল্যাণের পরিপন্থী না হয় এবং এর দ্বারা কোন অনিষ্ট অথবা এর সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হওয়ার আশংকা না থাকে। তিরমিযী শরীফে হযরত আনাস রাযি. থেকে এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করল যে, যখন আমার ভাই অথবা কোন প্রিয়জনের সাথে আমার সাক্ষাত হয়, তখন কি এর অনুমতি আছে যে, আমি তাকে জড়িয়ে ধরব, তার সাথে গলাগলি করব অথবা তাকে চুমু খাব? তিনি উত্তরে বললেন, না, এর অনুমতি নেই। ঐ ব্যক্তি আরয করল, তাহলে এর অনুমতি আছে কি যে, আমি তার হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে মুসাফাহা করব? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, এর অনুমতি আছে। এ হাদীস থেকে মু'আনাকা ও চুমু খাওয়ার যে নিষেধাজ্ঞা বুঝা যায়, এ ব্যাপারে হাদীস ব্যাখ্যাতাদের মতামত অন্য অনেক হাদীসের আলোকে এটাই যে, এর সম্পর্ক ঐ অবস্থার সাথে যখন বুক মিলানো ও চুমু খাওয়ার মধ্যে কোন অনিষ্ট অথবা অনিষ্টের সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থাকে। অন্যথায় স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে মু'আনাকা ও চুমু খাওয়ার অনেক ঘটনা বর্ণিত ও প্রমাণিত রয়েছে। এগুলোর মধ্য থেকে কয়েকটি ঘটনা নিম্নের হাদীসসমূহ থেকে জানা যাবে।
১৩৯. হযরত আইয়ূব ইবনে বশীর সূত্রে আনাযা গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু যর গিফারী রাযি.-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি আপনাদের সাথে মুসাফাহা করতেন- যখন আপনারা তাঁর সাথে সাক্ষাত করতেন? তিনি উত্তর দিলেন, আমি যখনই তাঁর সাথে সাক্ষাত করেছি, তখনই তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন। একবার তিনি আমার কাছে লোক পাঠালেন, কিন্তু তখন আমি বাড়ীতে ছিলাম না। যখন বাড়ীতে আসলাম এবং আমাকে বলা হল (যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তলব করেছেন।) তখন আমি তাঁর খেদমতে হাজির হলাম। সে সময় তিনি একটি খাটের উপর ছিলেন। তিনি সেখান থেকে উঠে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং মু'আনাকা করলেন। তাঁর এই মু'আনাকা খুবই আনন্দদায়ক ও বরকতময় ছিল। আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَيُّوبَ بْنِ بُشَيْرِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ عَنَزَةَ، أَنَّهُ قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي ذَرٍّ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَافِحُكُمْ إِذَا لَقِيتُمُوهُ؟ قَالَ: «مَا لَقِيتُهُ قَطُّ إِلَّا صَافَحَنِي، وَبَعَثَ إِلَيَّ ذَاتَ يَوْمٍ وَلَمْ أَكُنْ فِي أَهْلِي فَلَمَّا جِئْتُ أُخْبِرْتُ أَنَّهُ أَرْسَلَ لِي، فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ عَلَى سَرِيرِهِ فَالْتَزَمَنِي، فَكَانَتْ تِلْكَ أَجْوَدَ وَأَجْوَدَ» (رواه ابوداؤد)