মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
হাদীস নং: ১৩৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
কাপড়ে সামান্য রেশম যেমন নকশা, তালি ইত্যাদি দেওয়া বৈধ।
১৩৮। আবু উসমান নাহদী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবা ইবন ফারকাদ-এর সঙ্গে আজারবাইজান অথবা সিরিয়ায় ছিলাম। সে সময় আমাদের কাছে উমর (রা)-এর পত্র আসে। (তাতে লেখা ছিল) হামদ ও সালাতের পর, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেশমী কাপড় ব্যবহার করা নিষেধ করেছেন। তবে এরূপ অর্থাৎ দু'আঙ্গুল পরিমাণ হলে সেটা ব্যতিক্রম। আবু উসমান (র) বলেন, আমাদের বুঝতে বিলম্ব হয় নি যে, এর অর্থ হল কারুকার্য করা।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবা ইবন ফারকাদ এর সঙ্গে (সফররত) ছিলাম। সে সময় তার নিকট উমর (রা) কিছু বিষয়ে নবী (ﷺ) -এর হাদীস লিখে পাঠালেন। তার লিখিত বিষয়ের মধ্যে এটি ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দুনিয়াতে কেবল এমন ব্যক্তিই রেশমের পোশাক পরে, যার পরকালে এর কোন অংশ নেই। তবে এ পরিমাণ পরা যাবে। (এই বলে) তিনি তার দু'আঙ্গুল শাহাদাত ও মধ্যমা দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। বর্ণনাকারী আবু উসমান (র) বলেন, এরপর যখন আমি তায়ালিসা (অনারবী এক জাতীয় কাপড়) দেখলাম, তখন লক্ষ্য করলাম যে, এটা তায়ালিসার বোতাম (যা রেশমের তৈরী ছিল।)
তৃতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমরা আজারবাইজানে ছিলাম, তখন আমাদের নিকট উমর (রা)-এর পত্র পৌছে। (তাতে তিনি লিখেছিলেন,) হে উতবা ইবন ফারকাদ। তোমরা বিলাসিতা, মুশরিকদের বেশ-ভূষা এবং রেশমের পোশাক পরা হতে বেঁচে থাক। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে রেশমের পোশাক পরতে নিষেধ করেছেন। তবে এরূপ হলে সেটা ব্যতিক্রম। (এই বলে,) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সামনে দু'টি আঙ্গুল উঠালেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবা ইবন ফারকাদ এর সঙ্গে (সফররত) ছিলাম। সে সময় তার নিকট উমর (রা) কিছু বিষয়ে নবী (ﷺ) -এর হাদীস লিখে পাঠালেন। তার লিখিত বিষয়ের মধ্যে এটি ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দুনিয়াতে কেবল এমন ব্যক্তিই রেশমের পোশাক পরে, যার পরকালে এর কোন অংশ নেই। তবে এ পরিমাণ পরা যাবে। (এই বলে) তিনি তার দু'আঙ্গুল শাহাদাত ও মধ্যমা দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। বর্ণনাকারী আবু উসমান (র) বলেন, এরপর যখন আমি তায়ালিসা (অনারবী এক জাতীয় কাপড়) দেখলাম, তখন লক্ষ্য করলাম যে, এটা তায়ালিসার বোতাম (যা রেশমের তৈরী ছিল।)
তৃতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমরা আজারবাইজানে ছিলাম, তখন আমাদের নিকট উমর (রা)-এর পত্র পৌছে। (তাতে তিনি লিখেছিলেন,) হে উতবা ইবন ফারকাদ। তোমরা বিলাসিতা, মুশরিকদের বেশ-ভূষা এবং রেশমের পোশাক পরা হতে বেঁচে থাক। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে রেশমের পোশাক পরতে নিষেধ করেছেন। তবে এরূপ হলে সেটা ব্যতিক্রম। (এই বলে,) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সামনে দু'টি আঙ্গুল উঠালেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب إباحة اليسير من الحرير كالعلم والرقعة ونحوها
138- عن أبي عثمان النهدي قال جاءنا كتاب عمر ونحن بأذربيجان مع عتبة بن فرقد أو بالشام (أما بعد) فان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الحرير إلا هكذا إصبعين قال أبو عثمان فما عتمنا إلا أنه الأعلام
وعنه من طريق ثان قال كنا مع عتبة بن فرقد فكتب إليه عمر رضي الله عنه بأشياء يحدثه عن النبي صلى الله عليه وسلم فكان فيما كتب إليه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يلبس الحرير في الدنيا إلا من ليس له في الآخرة منه شيء ألا هكذا وقال باصبعيه السبابة والوسطى، قال أبو عثمان فرأيت أنها أزرار الطيالسة حين رأينا الطيالسة
وعنه من طريق ثالث قال جاءنا كتاب عمر رضي الله عنه ونحن باذربيجان يا عتبة بن فرقد وإياكم والتنعيم وزىَّ أهل الشرك ولبوس الحرير فان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا عن لبوس الحرير وقال ألا هكذا، ورفع لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم إصبعيه
وعنه من طريق ثان قال كنا مع عتبة بن فرقد فكتب إليه عمر رضي الله عنه بأشياء يحدثه عن النبي صلى الله عليه وسلم فكان فيما كتب إليه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يلبس الحرير في الدنيا إلا من ليس له في الآخرة منه شيء ألا هكذا وقال باصبعيه السبابة والوسطى، قال أبو عثمان فرأيت أنها أزرار الطيالسة حين رأينا الطيالسة
وعنه من طريق ثالث قال جاءنا كتاب عمر رضي الله عنه ونحن باذربيجان يا عتبة بن فرقد وإياكم والتنعيم وزىَّ أهل الشرك ولبوس الحرير فان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا عن لبوس الحرير وقال ألا هكذا، ورفع لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم إصبعيه
বর্ণনাকারী: