মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৩০
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : খায়বার বিজয়ের পর হাজ্জাজ ইন ইলাতের মক্কা গমন তার মালামাল আনয়নের জন্যে এবং এক্ষেত্রে কাফিরদের বিরুদ্ধে তার কূটকৌশল
৩৩০. আবদুর রায্যাক-আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খায়বার বিজয়ের পর হাজ্জাজ ইবন্ ইলাত বলেছিল ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ), মক্কায় আমার পরিবার-পরিজন ও ধনসম্পদ রয়েছে। আমি সেগুলো মদীনাতে নিয়ে আসতে চাই। এই সূত্রে আমি যদি আপনার সম্পর্কে কোন অপ্রীতিকর মন্তব্য করে ফেলি তাতে আপনি আমাকে পাকড়াও করবেন না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে এ বিষয়ে অনুমতি দিলেন। সে মক্কায় তার স্ত্রীর নিকট এল এবং বলল তোমার নিকট অর্থকড়ি যা আছে তার সবটা আমাকে দিয়ে দাও। আমি মুহাম্মদ ও তার সাথীদের থেকে অর্জিত গনীমতের মালামাল ক্রয় করব। ওদেরকে তো হত্যার অবস্থা তৈরি হয়েছে। তার এ বক্তব্য মক্কায় প্রচারিত হয়ে গেল। তাতে মুসলমানগণ দিশেহারা-চিন্তিত হল। আর মুশরিকগণ আনন্দে মেতে উঠল। এ সংবাদ হযরত আব্বাস (রা) এর নিকট পৌছে। তিনি যেন হাত-পা কাটা ব্যক্তি হয়ে গেলেন। তিনি দাঁড়াতে পারছিলেন না। মা'মার বলেছেন যে, উছমান জাযারী মিকসাম সূত্রে আমাকে জানিয়েছেন যে, এক পর্যায়ে আব্বাস (রা) তাঁর কুসাম নামের পুত্রটিকে টেনে এনে নিজে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ে তাকে তাঁর বুকের উপর রাখলেন এবং বলতে লাগলেন, কুছাম এগিয়ে আস! তুমি তো নে'আমতপ্রাপ্ত নবীর সদৃশ, আল্লাহ্ যাকে লাঞ্ছিত করতে চান তাঁকে দ্বারা লাঞ্ছিত করেন। ছাবিত হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আনাস বলেন এরপর আব্বাস (রা) তাঁর এক ক্রীতদাসকে হাজ্জাজ ইবন ইলাতের নিকট প্রেরণ করে বললেন ওহে দুঃখ! তুমি কী সংবাদ নিয়ে এসেছ? আর তুমি কী বলছ? মহান আল্লাহ্ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা তো তোমার সংবাদের চেয়ে উত্তম। হাজ্জাজ ইবন ইলাত তাঁর ক্রীতদাসকে বললেন আবুল ফজলকে আমার সালাম জানাবে এবং বলবে তিনি যেন আমার জন্যে একটি নির্জন কক্ষ প্রস্তুত রাখেন। আমি সেখানে আসব এবং তাঁর সাথে কথা বলব। বস্তুত সংবাদ সুখকর। ভৃত্য ফিরে এসে দরজায় দাঁড়িয়ে বলল আবুল ফজল, সুসংবাদ গ্রহণ করুন। হযরত আব্বাস আনন্দে লাফিয়ে বের হলেন এবং ভৃত্যের কপালে চুমু খেলেন। হাজ্জাজের বার্তা সে তাঁকে পৌঁছাল। তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। সময়মত হাজ্জাজ এল এবং জানাল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বার জয় করে নিয়েছেন। ওদের ধনসম্পদ গনীমতের মাল রূপে দখলে নিয়েছেন। আল্লাহ্ বিধান অনুযায়ী ওই মালামাল বণ্টিন হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাফিয়্যাকে নিজের জন্যে মনোনীত করে তাকে মুক্তাবস্থায় তাঁর স্ত্রী হওয়া কিংবা স্বীয় গোত্রে ফিরে যাওয়ার ইখতিয়ার দিয়েছেন। সাফিয়্যা মুক্তাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর স্ত্রী হতে সম্মতি দেয়। কিন্তু আমি এখানে এসেছি এখানে আমার জমাকৃত মালামাল নিয়ে যেতে। আমি যা চাই তা বলার অনুমতি চেয়েছিলাম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট। তিনি আমাকে সে অনুমতি দিয়েছেন। আপনি তিনদিন আমার এই তথ্য গোপন রাখবেন এবং তারপর এ বিষয়ে আপনি যা ইচ্ছা প্রকাশ করবেন। ইতিমধ্যে তার স্ত্রী সোনাদানা-সহায় সম্পদ যা ছিল সবগুলো একত্রিত করে তার হাতে তুলে দেয়। হাজ্জাজ এগুলো নিয়ে দ্রুত চলে যায়।
তিনদিন পর হযরত আব্বাস (রা) হাজ্জাজের স্ত্রীর নিকট গমন করেন। তার স্বামীর অবস্থা জানতে চান। সে জানায় যে, সে তো ওই দিন চলে গিয়েছে। সে এও বলল, ওহে আবুল ফযল! আল্লাহ্ আপনাকে লাঞ্ছিত না করুন, আপনি যা শুনেছেন তা আমাদের নিকটও কষ্টকর মনে হয়েছে। তিনি বললেন হাঁ- তাই মহান আল্লাহ্ আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না। আল্লাহ্ শোকর যে, আমরা যা কামনা করেছি তা-ই হয়েছে। মহান আল্লাহ্ তাঁর রাসূলকে খায়বারের বিজয় দান করেছেন এবং সেখানকার ধনসম্পদে মহান আল্লাহর বণ্টন রীতি কার্যকর হয়েছে। সাফিয়্যা বিনত হুয়্যাইকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের জন্যে গ্রহণ করেছেন। এখন যদি তোমার স্বামীর সাথে মিলিত হওয়া প্রয়োজন মনে কর তবে তার সাথে গিয়ে মিলিত হও। সে বলল, আল্লাহর কসম আমি তো আপনাকে সত্যবাদী মনে করছি। তিনি বললেন আমি অবশ্যই সত্যবাদী। আমি তোমাকে যা বলেছি ঘটনা তা-ই।
এরপর হযরত আব্বাস (রা) কুরায়শদের অন্য কয়েকটি মজলিসে গেলেন। তাঁকে দেখে তারা বলেছিল আবুল ফযল! আপনার কল্যাণ হোক। উত্তরে তিনি বলেছিলেন আল্লাহর শোকর আমার কল্যাণই হয়েছে। হাজ্জাজ ইব্ন ইলাত আমাকে জানিয়েছে যে, মহান আল্লাহ্ তাঁর রাসূলকে খায়বারের জয় দিয়েছেন। ওদের ধন সম্পদে আল্লাহর বণ্টনরীতি কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধবন্দী সাফিয়্যাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের জন্যে গ্রহণ করেছেন। হাজ্জাজ আমাকে অনুরোধ করেছিল বিষয়টি তিনদিন গোপন রাখার জন্যে। সে এখানে এসেছিল তার মালামাল নিয়ে যাবার জন্যে। বস্তুত সে তা নিয়ে চলে গিয়েছে। এ সংবাদে মুসলমানদের মধ্যে যে দুঃখ ছিল তা কাফিরদের উপর গিয়ে পড়ল। আর মুসলমানগণ যারা স্বেচ্ছায় গৃহবন্দী হয়েছিল তারা আনন্দ উল্লাসে বেরিয়ে এসে হযরত আব্বাস (রা) এর নিকট উপস্থিত হল। তিনি তাদেরকে ঘটনা অবহিত করলেন। তারা পুলকিত ও আনন্দিত হল। কাফিরগণ চরম দুঃখ ও পেরেশানীতে পতিত হল।
তিনদিন পর হযরত আব্বাস (রা) হাজ্জাজের স্ত্রীর নিকট গমন করেন। তার স্বামীর অবস্থা জানতে চান। সে জানায় যে, সে তো ওই দিন চলে গিয়েছে। সে এও বলল, ওহে আবুল ফযল! আল্লাহ্ আপনাকে লাঞ্ছিত না করুন, আপনি যা শুনেছেন তা আমাদের নিকটও কষ্টকর মনে হয়েছে। তিনি বললেন হাঁ- তাই মহান আল্লাহ্ আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না। আল্লাহ্ শোকর যে, আমরা যা কামনা করেছি তা-ই হয়েছে। মহান আল্লাহ্ তাঁর রাসূলকে খায়বারের বিজয় দান করেছেন এবং সেখানকার ধনসম্পদে মহান আল্লাহর বণ্টন রীতি কার্যকর হয়েছে। সাফিয়্যা বিনত হুয়্যাইকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের জন্যে গ্রহণ করেছেন। এখন যদি তোমার স্বামীর সাথে মিলিত হওয়া প্রয়োজন মনে কর তবে তার সাথে গিয়ে মিলিত হও। সে বলল, আল্লাহর কসম আমি তো আপনাকে সত্যবাদী মনে করছি। তিনি বললেন আমি অবশ্যই সত্যবাদী। আমি তোমাকে যা বলেছি ঘটনা তা-ই।
এরপর হযরত আব্বাস (রা) কুরায়শদের অন্য কয়েকটি মজলিসে গেলেন। তাঁকে দেখে তারা বলেছিল আবুল ফযল! আপনার কল্যাণ হোক। উত্তরে তিনি বলেছিলেন আল্লাহর শোকর আমার কল্যাণই হয়েছে। হাজ্জাজ ইব্ন ইলাত আমাকে জানিয়েছে যে, মহান আল্লাহ্ তাঁর রাসূলকে খায়বারের জয় দিয়েছেন। ওদের ধন সম্পদে আল্লাহর বণ্টনরীতি কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধবন্দী সাফিয়্যাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের জন্যে গ্রহণ করেছেন। হাজ্জাজ আমাকে অনুরোধ করেছিল বিষয়টি তিনদিন গোপন রাখার জন্যে। সে এখানে এসেছিল তার মালামাল নিয়ে যাবার জন্যে। বস্তুত সে তা নিয়ে চলে গিয়েছে। এ সংবাদে মুসলমানদের মধ্যে যে দুঃখ ছিল তা কাফিরদের উপর গিয়ে পড়ল। আর মুসলমানগণ যারা স্বেচ্ছায় গৃহবন্দী হয়েছিল তারা আনন্দ উল্লাসে বেরিয়ে এসে হযরত আব্বাস (রা) এর নিকট উপস্থিত হল। তিনি তাদেরকে ঘটনা অবহিত করলেন। তারা পুলকিত ও আনন্দিত হল। কাফিরগণ চরম দুঃখ ও পেরেশানীতে পতিত হল।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى ذهاب الحجاج بن علاط رضى الله عنه إلى مكة ليأتى بماله بعد فتح خيبر واحتياله فى ذلك على كفار قريش
حدثنا عبد الرزاق (5) ثنا معمر قال سمعت ثابتاً يحدث عن أنس (6) قال لما افتتح رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر قال الحجاج بن علاط يا رسول الله إن لى بمكة مالاً وإن لى بها أهلاً وإنى أريد أن آتيهم فأنا فى حل إن أنا نلت منك أو قلت شيئأً؟ (1) فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقول ما شاء: فأتى امرأته حين قدم فقال أجمعى لى ما كان عندك فإنى أريد أن أشترى من غنائم محمد صلى الله عليه وسلم وأصحابه فإنهم قد استبيحوا أو أصيبت أموالهم، قال ففشا ذلك فى مكة وانقمع (2) المسلمون وأظهر المشركون فرحاً وسروراً قال وبلغ الخبر العباس (رضى الله عنه) فعُقِر (3) وجعل لا يستطيع أن يقوم، قال معمر فأخبرنى عثمان الجزرى عن مقسم قال فأخذ ابناً له يقال له فثم (4) فاستلقى فوضعه على صدره وهو يقول حيى فثم (5) حيى قثم، شبيه ذى الأنف الأشم، (6) نبنى ذى النعم، (7) يرغم من رغم (8) قال ثابت عن الحجاج عن أنس ثم أرسل غلاماً إلى الحجاج بن علاط ويلك ما جئت به وماذا تقول فما وعد الله خير مما جئت به (9) قال الحجاج بن علاط لغلامه اقرأ على أبى الفضل السلام وقل له فليخل لى فى بعض بيوته لآتيه فإن الخبر على ما يسره،
فجاء غلامه فلما بلغ باب الدار قال ابشر يا أبا الفضل قال قوثب العباس فرحاً حتى قبل بين عينيه فأخبره ما قال الحجاج فأعتقه، ثم جاء الحجاج فأخبره أن رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم قد افتتح خيبر وغنم أموالهم وجرت سهام الله عز وجل فى أموالهم واصطفى رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم صفية بنت حيي فأخذها لنفسه وخيرها أن يعتقها وتكون زوجته أوتلحق بأهلها فاختارت أن يعتقها وتكون زوجته، ولكنى جئت لمال كان لى ههنا أردت أن اجمعه فأذهب به فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذن لى أن أقول ما شئت فأخف عنى ثلاثاً ثم اذكر ما بدالك، قال فجمعت امرأته ما كان عندها من حلى ومتاع فجمعه فدفعته اليه ثم شمر به (10) فلما كان بعد ثلاث أتى العباس امرأ ة الحجاج فقال ما فعل زوجك؟ فأخبرته أنه ذهب يوم كذا وكذا وقالت لا يخزيك الله يا أبا الفضل لقد شق علينا الذى بلغك قال أجل لا يخزينى الله ولم يكن بحمد الله إلا ما أحببنا، فتح الله خيبر على رسوله صلى الله عليه وسلم وجرت فها سهام الله واصطفى رسول الله صلى الله عليه وسلم صفية بنت حيي لنفسه، فإن كانت لك حاجة فى زوجك فألحقى به، قالت أظنك والله صادقاً قال فإنى صادق: الأمر على ما أخبرتك، فذهب حتى أتى مجالس قريش وهم يقولون إذا مر بهم لا يصيبك إلا خير يا أبا الفضل، قال لهم لم يصبنى الأخير بحمد الله، قد أخبرنى الحجاج بن علاط أن خيبر قد فتحها الله على رسوله وجرت فيها سهام الله، واصطفى صفية لنفسه، وقد سألنى أن أخفى عليه ثلاثاً، وإنما جاء ليأخذ ماله وما كان له من شيء هاهنا ثم يذهب: قال فرد الله الكآبة التي كانت بالمسلمين على المشركين وخرج المسلمون ومن كان دخل بيته مكتئباً حتى أتوا العباس فأخبرهم الخبر فسر المسلمون ورد الله يعنى ما كان من كآبة أو غيظ أو حزن على المشركين
فجاء غلامه فلما بلغ باب الدار قال ابشر يا أبا الفضل قال قوثب العباس فرحاً حتى قبل بين عينيه فأخبره ما قال الحجاج فأعتقه، ثم جاء الحجاج فأخبره أن رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم قد افتتح خيبر وغنم أموالهم وجرت سهام الله عز وجل فى أموالهم واصطفى رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم صفية بنت حيي فأخذها لنفسه وخيرها أن يعتقها وتكون زوجته أوتلحق بأهلها فاختارت أن يعتقها وتكون زوجته، ولكنى جئت لمال كان لى ههنا أردت أن اجمعه فأذهب به فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذن لى أن أقول ما شئت فأخف عنى ثلاثاً ثم اذكر ما بدالك، قال فجمعت امرأته ما كان عندها من حلى ومتاع فجمعه فدفعته اليه ثم شمر به (10) فلما كان بعد ثلاث أتى العباس امرأ ة الحجاج فقال ما فعل زوجك؟ فأخبرته أنه ذهب يوم كذا وكذا وقالت لا يخزيك الله يا أبا الفضل لقد شق علينا الذى بلغك قال أجل لا يخزينى الله ولم يكن بحمد الله إلا ما أحببنا، فتح الله خيبر على رسوله صلى الله عليه وسلم وجرت فها سهام الله واصطفى رسول الله صلى الله عليه وسلم صفية بنت حيي لنفسه، فإن كانت لك حاجة فى زوجك فألحقى به، قالت أظنك والله صادقاً قال فإنى صادق: الأمر على ما أخبرتك، فذهب حتى أتى مجالس قريش وهم يقولون إذا مر بهم لا يصيبك إلا خير يا أبا الفضل، قال لهم لم يصبنى الأخير بحمد الله، قد أخبرنى الحجاج بن علاط أن خيبر قد فتحها الله على رسوله وجرت فيها سهام الله، واصطفى صفية لنفسه، وقد سألنى أن أخفى عليه ثلاثاً، وإنما جاء ليأخذ ماله وما كان له من شيء هاهنا ثم يذهب: قال فرد الله الكآبة التي كانت بالمسلمين على المشركين وخرج المسلمون ومن كان دخل بيته مكتئباً حتى أتوا العباس فأخبرهم الخبر فسر المسلمون ورد الله يعنى ما كان من كآبة أو غيظ أو حزن على المشركين