মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়

হাদীস নং: ৩০৪
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : যাতুর রিকা যুদ্ধ-এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভয়কালীন নামায আদায় করেছেন
৩০৪. জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাখল অঞ্চলে খাসফা যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বের হলেন। হঠাৎ তারা মুসলমানদের অসতর্কতার একটা সময় দেখতে পেল। এ সুযোগে গাওরাছ ইবন্ হারিছ নামে ওদের এক লোক তরবারি হাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মাথার পাশে এসে দাঁড়িয়ে গেল এবং বলল, তোমাকে আমার হাত থেকে এখন রক্ষা করবে কে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন- আল্লাহ্ রক্ষা করবেন। এতে তার হাত থেকে তরবারিটি মাটিতে পড়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেটি হাতে তুলে নিলেন এবং বললেন তোমাকে আমার হাত থেকে রক্ষা করবে কে? সে বলল, আপনি উত্তম তরবারিবাহী হোন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন তুমি কি সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই? সে বলল, না, তা সাক্ষ্য দিব না তবে আমি আপনাকে এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আমি জীবনে কখনো আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না এবং যে সম্প্রদায় আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে তাদের দলে থাকব না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ছেড়ে দিলেন। সে তার নিজের সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছে গিয়ে বলল, আমি এখন সর্বোত্তম মানুষটির নিকট থেকে এসেছি। এ অভিযানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহর এবং আসরের সময় ভয়কালীন নামায আদায় করেছেন। মুসলিম সৈন্যগণ দুভাগে বিভক্ত হলেন। একদল শত্রুর মুখোমুখি দাঁড়ালেন অপর দল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে নামাযে দাঁড়ালেন। যাঁরা তাঁর সাথে ছিল তাদেরকে নিয়ে তিনি দু'রাকআত আদায় করলেন। এরপর তারা শত্রুর মুখোমুখি গিয়ে দাঁড়াল এবং অপর দল এসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে নামাযে শরীক হল। তিনি তাদেরকে নিয়ে দু' রাকআত আদায় করলেন। ফলে সৈন্যদের প্রত্যেক দলের হল দু'রাকআত করে আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হল চার রাকআত।

সালিহ ইবন্ খাওয়াত ইবন্ জুবায়র থেকে বর্ণিত। যাতুর রিকা অভিযানে যারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে ভয়কালীন নামায আদায় করেছেন তিনি তাঁদের একজন। তিনি বলেছেন যে, সৈনিকদের একদল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে নামাযে দাঁড়িয়েছিল আর অপর দল দাঁড়িয়েছিল শত্রুর মুখোমুখি। যাঁরা তাঁর সাথে ছিল তাদেরকে নিয়ে তিনি এক রাকআত আদায় করেছিলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়েছিলেন আর সৈনিকগণ নিজেরা নিজেদের নামায পূর্ণ করেছিলেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في غزوة ذات الرقاع وفيها صلي النبي صلى الله عليه وسلم - صلاة الخوف
وعنه أيضاً (1) قال قاتل رسول الله صلي الله عليه وآله وسلم محارب خصفة (2) بنخل فرأوا من المسلمين غرة فجاء رجل منهم يقال له غورث بن الحارث حتي قام علي رأس رسول الله - صلى الله عليه وسلم - بالسيف فقال من يمنعك مني؟ قال الله عز وجل، فسقط السيف من يده فأخذه رسول الله - صلى الله عليه وسلم - فقال من يمنعك مني؟ قال كن كخير آخذ قال أتشهد أن لا إله إلا الله؟ قال لا، ولكني أعاهدك أن لا أقاتلك ولا أكون مع قوم يقاتلونك فخلي سبيله، قال فذهب إلي أصحابه قال قد جئتكم من عند خير الناس، فلما كان الظهر أو العصر صلي بهم صلاة الخوف فكان الناس طائفتين طائفة بازاء عدوهم وطائفة صلوا مع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - فصلي بالطائفة الذين كانوا معه ركعتين ثم انصرفوا فكانوا مكان أولئك الذين كانوا بازاء عدوهم، وجاء أولئك فصلي بهم رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ركعتين، فكان للقوم ركعتان وركعتان ولرسول الله - صلى الله عليه وسلم - أربع ركعات
(عن صالح بن خو ات) (3) بن جبير عمن صلي مع رسول الله صلي الله عليه وآله وسلم يوم ذات الرقاع صلاة الخوف أن طائفة صفت معه وطائفة وجاء العدو فصلي بالتي معه ركعة ثم ثبت قائما وأتموا لأنفسهم الحديث:
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান