মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ২৮০
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : খন্দক বা আহযাবের যুদ্ধ এবং বনু কুরায়যার যুদ্ধ
২৮০. আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন এক শীতের সকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হুজরা শরীফ থেকে বের হয়ে দেখলেন মুহাজির ও আনসার সাহাবিগণ পরিখা খনন করছে। তখন তিনি আবৃত্তি শুরু করলেন-
اللَّهُمَّ إِنَّ الْخَيْرَ خَيْرُ الْآخِرَهُ فَاغْفِرْ لِلْأَنْصَارِ وَالْمُهَاجِرَهُ.
হে আল্লাহ্ প্রকৃত ও যথার্থ কল্যাণ হল আখিরাতের কল্যাণ-আপনি আনসার ও মুহাজিরগণকে ক্ষমা করুন।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আবৃত্তি শুনে সাহাবিগণ আবৃত্তি করলেন-
نَحْنُ الَّذِينَ بَايَعُوْا مُحَمَّدًا عَلَى الْجِهَادِ مَا بَقِيْنَا أَبَدًا
আমরা সে সব লোক যারা মুহাম্মদ (ﷺ) এর হাতে বায়আত করেছি-অঙ্গীকার করেছি জিহাদে অবিচল থাকার যতদিন জীবিত থাকি।
আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে অপর বর্ণনায় এসেছে। তিনি বলেছেন যে, এক শীতের সকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাহিরে বের হলেন এবং দেখতে পেলেন যে, মুহাজিরগণ পরিখা খনন করছেন। আনাস (রা) বলেন, এসময়ে তাদের কোন খাদেম ও সেবাকর্মী ছিল না। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, "হে আল্লাহ্ বস্তুত প্রকৃত কল্যাণ হল আখিরাতের কল্যাণ-আপনি আনসার ও মুজাহিরগণকে ক্ষমা করে দিন। পূর্বোক্ত ভাষায় তাঁরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আবৃত্তির জবাব দিলেন। তবে সেখানে এটুকু অতিরিক্ত আছে যে, পলায়ন নয়, পলায়ন নয়, পলায়ন নয়।
اللَّهُمَّ إِنَّ الْخَيْرَ خَيْرُ الْآخِرَهُ فَاغْفِرْ لِلْأَنْصَارِ وَالْمُهَاجِرَهُ.
হে আল্লাহ্ প্রকৃত ও যথার্থ কল্যাণ হল আখিরাতের কল্যাণ-আপনি আনসার ও মুহাজিরগণকে ক্ষমা করুন।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আবৃত্তি শুনে সাহাবিগণ আবৃত্তি করলেন-
نَحْنُ الَّذِينَ بَايَعُوْا مُحَمَّدًا عَلَى الْجِهَادِ مَا بَقِيْنَا أَبَدًا
আমরা সে সব লোক যারা মুহাম্মদ (ﷺ) এর হাতে বায়আত করেছি-অঙ্গীকার করেছি জিহাদে অবিচল থাকার যতদিন জীবিত থাকি।
আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে অপর বর্ণনায় এসেছে। তিনি বলেছেন যে, এক শীতের সকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাহিরে বের হলেন এবং দেখতে পেলেন যে, মুহাজিরগণ পরিখা খনন করছেন। আনাস (রা) বলেন, এসময়ে তাদের কোন খাদেম ও সেবাকর্মী ছিল না। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, "হে আল্লাহ্ বস্তুত প্রকৃত কল্যাণ হল আখিরাতের কল্যাণ-আপনি আনসার ও মুজাহিরগণকে ক্ষমা করে দিন। পূর্বোক্ত ভাষায় তাঁরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আবৃত্তির জবাব দিলেন। তবে সেখানে এটুকু অতিরিক্ত আছে যে, পলায়ন নয়, পলায়ন নয়, পলায়ন নয়।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في غزوة الخندق أو الاحزاب وغزوة بني قريظة
عن انس بن مالك (5) قال خرج النبى - صلى الله عليه وسلم - فى غداة قرة أو باردة (6) فاذا المهاجرون والانصار يحفرون الخندق فقال
اللهم أن الخير خير الآخرة ... فاغفر للأنصار والمهاجرة
فاجابوه ... نحن الذين بايعوا محمدا ... على الجهاد ما بقينا أبدا
(وعنه من طريق ثان) (7) قال خرج رسول الله - صلى الله عليه وسلم - والمهاجرين يحفرون الخندق فى غداة باردة قال أنس ولم يكن لهم خدم (8) فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - اللهم إنما الخير الخ (9) فأجابوه بنحو ما تقدم وزاد فيه ولا نفر ولا نفر ولا نفر
اللهم أن الخير خير الآخرة ... فاغفر للأنصار والمهاجرة
فاجابوه ... نحن الذين بايعوا محمدا ... على الجهاد ما بقينا أبدا
(وعنه من طريق ثان) (7) قال خرج رسول الله - صلى الله عليه وسلم - والمهاجرين يحفرون الخندق فى غداة باردة قال أنس ولم يكن لهم خدم (8) فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - اللهم إنما الخير الخ (9) فأجابوه بنحو ما تقدم وزاد فيه ولا نفر ولا نفر ولا نفر
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ কথাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধিকবার বলেছেন। এর দ্বারা তিনি সাহাবীদের বুঝাচ্ছিলেন যে, দেখ দুনিয়ার কষ্ট স্থায়ী কিছু নয়। দুনিয়া যেমন ক্ষণস্থায়ী, তেমনি এর কষ্ট-ক্লেশও ক্ষণস্থায়ী। তোমরা কষ্ট করছ আল্লাহর জন্য। একদিন কষ্ট থাকবে না। কিন্তু এর পুরস্কারস্বরূপ অনন্ত অসীম আখিরাতে তোমরা অফুরন্ত সুখ-শান্তি ভোগ করতে পারবে।
আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বাক্যটির মাধ্যমে যেন উম্মতকে সতর্ক করছেন, দুনিয়ার কোনও সফলতা, সমৃদ্ধি কিংবা অন্য কোনও আনন্দদায়ক বস্তু অর্জিত হয়ে যাওয়ায় তোমরা খুশিতে মেতে যেয়ো না। কারণ ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার সবই ক্ষণস্থায়ী। স্থায়ী সুখ ও আনন্দ কেবল আখিরাতেই আছে। তাই আসল লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত আখিরাতের সফলতা। সর্বাবস্থায় সে চিন্তা-চেতনা অন্তরে জাগ্রত রেখো।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
দুনিয়ার সুখ-দুঃখ, আরাম-কষ্ট কোনও অবস্থায়ই আখিরাতের কথা ভুলে যেতে নেই। সর্বাবস্থায় মন-মস্তিষ্কে এ চেতনা জাগ্রত রাখা চাই যে, আখিরাতের জীবনই প্রকৃত জীবন। তাই সে জীবনে মুক্তিলাভ করাই হবে জীবনের আসল লক্ষ্যবস্তু।
আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বাক্যটির মাধ্যমে যেন উম্মতকে সতর্ক করছেন, দুনিয়ার কোনও সফলতা, সমৃদ্ধি কিংবা অন্য কোনও আনন্দদায়ক বস্তু অর্জিত হয়ে যাওয়ায় তোমরা খুশিতে মেতে যেয়ো না। কারণ ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার সবই ক্ষণস্থায়ী। স্থায়ী সুখ ও আনন্দ কেবল আখিরাতেই আছে। তাই আসল লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত আখিরাতের সফলতা। সর্বাবস্থায় সে চিন্তা-চেতনা অন্তরে জাগ্রত রেখো।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
দুনিয়ার সুখ-দুঃখ, আরাম-কষ্ট কোনও অবস্থায়ই আখিরাতের কথা ভুলে যেতে নেই। সর্বাবস্থায় মন-মস্তিষ্কে এ চেতনা জাগ্রত রাখা চাই যে, আখিরাতের জীবনই প্রকৃত জীবন। তাই সে জীবনে মুক্তিলাভ করাই হবে জীবনের আসল লক্ষ্যবস্তু।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)