মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়

হাদীস নং: ৭০
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: আল্লাহর নবীকে (ﷺ) কুরাইশ কর্তৃক গালি ও আঘাত প্রদান এবং দুর্বল মুসলিমদের প্রতি তাদের উৎপীড়ন
(৭০) মাসরূক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খাব্বাব ইবনল আরত্তি (রা) বলেন, আমি মক্কায় 'আস ইব্‌ন ওয়ায়িলের কাজ-কর্ম করতাম (শ্রমিক হিসেবে)। এইভাবে আমি তার কাছে বেশকিছু দিরহাম প্রাপ্য হয়ে গেলাম। সুতরাং আমি তার কাছে আমার প্রাপ্য দিরহাম তলব করলাম। সে বললো, আমি ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাকে তোমার প্রাপ্য পরিশোধ করবো না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি মুহাম্মদকে (ﷺ) অস্বীকার করবে (নবী হিসেবে)। আমি বললাম, আল্লাহর কসম, আমি মুহাম্মদের সাথে কুফরী করবো না এমনকি তুমি মরে পুনরায় জীবিত হয়ে আসলেও না। সে বলল, আমি জীবিত হয়ে আসলে, তখনও সম্পদ ও সন্তানের অধিকারী থাকব। (অন্য বর্ণনায় এসেছে- যখন আমি মরার পর আবার জীবিত হয়ে উঠব, তখন আমার সম্পদ ও সন্তান থাকবে। ঐ সময় আমি তোমাকে তোমার প্রাপ্য পরিশোধ করবো।) রাবী বলেন, অতঃপর এ বিষয়টি আমি রাসূলুল্লাহকে (ﷺ) অবহিত করলাম। ঐ সময় আল্লাহ্ তা'আলা এই আয়াতসমূহ নাযিল করেন।
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي كَفَرَ بِآيَاتِنَا وَقَالَ لَأُوتَيَنَ مَالًا وَوَلَدًا حَتَّى بَلَغَ فَرْدًا .
তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেওয়া হবেই.... (মারয়াম: ৭৭-৮০)।
(এই হাদীসের ব্যাখ্যা, সনদ ও তাখরীজ ১৮শ খণ্ডে 'ফাযাইলুল কুরআন' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى تعذيبهم المستضعفين وضربهم للنبى صلى الله عليه وسلم وسبه
عن مسروق قال قال خباب بن الأرت رضي الله عنه كنت قينًا بمكة فكنت أعمل للعاص بن واثل فاجتمت لى عليه دراهم فجئت اتقاضاه، فقال لا أقاضينك حتى تكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم قال قلت والله لا أكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم حتى تموت ثم تبعث، قال فاذا بعثت كان لي مال وولد (وفي رواية فاتى إذا مت ثم بعثت ولى ثمَّ مال وولد فأعطيك) قال فذكرت ذلك للنبى صلى الله عليه وسلم فأنزل الله تبارك وتعالى {أفرأيت الذى كفر بآياتنا وقال لأوتينّ مالا وولدا حتى بلغ فردا}
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান