মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়

হাদীস নং: ২০
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : দশ বছর কয়েকমাস বয়সে দ্বিতীয়বার রাসূলের (ﷺ) বক্ষ বিদারণ
(২০) উবাই ইব্‌ন কা'ব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ হুরাইরা (রা) এমন সব বিষয়ে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কাছে জিজ্ঞেস করার ব্যাপারে অধিক উৎসাহী ছিলেন, যা (তিনি ভিন্ন) অন্য কেউ জিজ্ঞেস করত না। (একদা) তিনি জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্, নবুয়ত (প্রাপ্তি) বিষয়ে সর্বপ্রথম আপনি কী দেখতে পান? রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) সোঁজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, আবূ হুরাইরা তুমি (এ বিষযে) প্রশ্ন করছ! (শোন তবে) আমার বয়স তখন দশ বছর কয়েক মাস। (একদা একসময়) আমি উন্মুক্ত মাঠে ছিলাম। হঠাৎ আমার মাথার উপর কথাবার্তার আওয়াজ শুনতে পেলাম। জনৈক ব্যক্তি অপর একজনকে বলেছেন- ইনিই কি তিনি? প্রথম জন বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর তাঁরা দুজন আমার কাছে এগিয়ে আসলেন; তাঁদের চেহারা এমন, যা আমি অন্যকোন সৃষ্টিতে কখনও দেখিনি এবং তাঁদের আত্মার প্রকৃতি এরূপ, যা আমি অন্য কোন সৃষ্টিতে কখনও পাইনি। তাঁদের পরিধেয় বস্ত্র এইরূপ, যা আমি অন্য কাউকে কখনও পরতে দেখিনি। তাঁরা দুজন পায়ে হেঁটে আমার কাছে এলেন এবং আমার বাহু ধরলেন, কিন্তু আমি তাদের এই পাকড়াও অনুভব করতে পারিনি। তখন একজন অপরজনকে বললেন, শুইয়ে দাও। অতঃপর তারা দুজন মিলে আমাকে শুইয়ে দিলেন কোনরূপ জোর-জবরদস্তি ও কষ্ট প্রদান ব্যতিরেকে। এবার একজন অপরজনকে বললেন, এঁর বক্ষ বিদারণ কর। সেমতে (তাঁদের দু'জনের মধ্যে একজন) আমার বক্ষে মনোযোগী হল এবং রক্তপাত বা ব্যথা দেওয়া ব্যতিরেকেই তা চিরে ফেলল। প্রথমজন বললেন হিংসা-দ্বেষ বা পরশ্রীকাতরতা বের করে ফেল। তখন তিনি (দ্বিতীয় জন) রক্তপিণ্ডের ন্যায় একটি বস্তু (আমার বক্ষ থেকে) বের করে দূরে নিক্ষেপ করলেন। প্রথমজন বললেন, বিনয় ও দয়া-মায়া প্রবেশ করাও। অতঃপর তিনি রৌপ্যপিণ্ডের ন্যায় একটি বস্তু সেখানে (আমার বক্ষে) ঢুকালেন। এরপর আমার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি ধরে টান দিয়ে বলেন, প্রস্থান কর এবং নিরাপদে থাক। আমি (অতঃপর) তাই নিয়ে প্রত্যাবর্তন করি এবং তখন থেকেই ছোটদের স্নেহ এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি দয়া অনুভব করতে থাকি।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب شق صدره الشريف للمرة الثانية وهو ابن عشر سنين واشهر
عن أبى بن كعب (1) أن أبا هريرة رضي الله عنه كان جريئًا على أن يسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أشياء لا يسأله عنهما غيره، فقال يارسول الله ما أول ما رأيت في أمر النبوة؟ فاستوى رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسًا وقال لقد سألت أبا هريرة (2)، أنى لفي صحراء ابن عشر سنين وأشهر (3) وإذا بكلام فوق برأسي وإذا رجل يقول لرجل أهو هو؟ قال نعم، فاستقبلاني بوجوه لم أراها لخلق قط وأرواح لم أجدها من خلق قط، وثياب لم أراها على أحد قط، فأقبلا الى يمشيان حتى أخذ كل واحد منهما بعضدى لا أجد لأحدهما مسًا، فقال أحدهما لصاحبه أضجمه فأضجماني بلا قصر (1) ولا هصر وقال أحدهما لصاحبه افلق صدره، فهوى أحدهما إلى صدري ففلقها فيما أرى بلا دم ولا وجع، فقال له أخرج الغل والحسد فأخرج شيئًا كهيئة العلقة ثم نبذها فطرحها، فقال له أدخل الرأفة والرحمة: فإذا مثل الذي أخرج يشبه الفضة، ثم هز ابهام الرجل اليمنى فقال اغد واسلم، فرجعت بها أغدو رقة على الصغير ورحمة للكبير
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান