মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

বিশ্ব-সৃষ্টি প্রসংগ অধ্যায়

হাদীস নং: ১৭
বিশ্ব-সৃষ্টি প্রসংগ অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : সপ্ত আকাশ ও সপ্ত যমীন এবং এসবের মধ্যস্থিত যা কিছু রয়েছে সেসবের সৃষ্টি প্রসংগ
(১৭) আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ্ আমাকে বলে দিয়েছেন যে, তোমার উম্মত পরস্পর প্রশ্ন উত্থাপন করতে থাকবে এবং (একপর্যায়ে) তারা বলবে, আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু আল্লাহকে সৃষ্টি করেছে কে?
(মুসলিম)
كتاب خلق العالم
باب ما ورد في خلق السماوات السبع والأرضين السبع وما بينهن
عن أنس (1) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله تعالى قال لى أن أمتك لا يزالون يتساءلون فيما بينهم حتى يقولوا هذا الله خلق الناس فمن خلق الله؟

হাদীসের ব্যাখ্যা:

শয়তান মানুষের মনে ওয়াসওয়াসার সৃষ্টি করে। কুরআন শরীফে সূরা নাস-এ বলা হয়েছে, জীন শয়তান এবং মানুষ শয়তান মানুষের মনে ওয়াসওয়াসার সৃষ্টি করে। আল্লাহ্ তামাম দুনিয়া, জাহান এবং তার যাবতীয় জিনিসের স্রষ্টা।

ইমাম নাসাঈ, ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রখ্যাত সাহাবী আবু যর গিফারী (রা)-এর হাওয়ালা দিয়ে বর্ণনা করেন। আমি (আবু যর) নবী করীম (ﷺ)-এর দরবারে হাযির হলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। তিনি বললেনঃ আবু যর। তুমি কি, নামায পড়েছ? আমি বললাম না। তিনি বললেন: উঠ এবং নামায পড়। তাঁর নির্দেশ মত আমি নামায পড়লাম এবং পরে এসে বসলাম। নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ

یا أبا ذر تعوذ بالله من شر شياطين الانس والجن -

-হে আবু যর। মানুষ শয়তান ও জীন শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। আমি জানতে চাইলাম, হে আল্লাহর রাসূল। মানুষের মধ্যে কি শয়তান হয়? তিনি বললেনঃ হাঁ।

[বিঃদ্রঃ হাদীসে যে ধরনের পরিস্থিতি উল্লেখ করা হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে এবং নিজের মন থেকে ওয়াসওয়াসা দূর করার চেষ্টা করতে হবে।]
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান