মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
হাদীস নং: ১৪১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: ছয় বাক্য বিশিষ্ট বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১৪১. আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নারীদের বায়'য়াত গ্রহণ করার সময় এ ওয়াদা নিয়েছিলেন যে, তারা যেন মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করে কান্নাকাটি না করে। তখন তারা বলে, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) জাহেলী যুগে নারীরা আমাদের মৃত ব্যক্তির শোক পালনে সহযোগিতা করতো (অর্থাৎ জাহেলী যুগে কোন নারী মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করে কাঁদতে থাকলে তার প্রতিবেশী নারীরা তাকে খুশি করার জন্য তার পাশে বিলাপ করে কান্নাকাটি করতো।) ইসলামের যুগে আমরা কি তাদের সহযোগিতা করব? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ইসলামে এ ধরনের কান্নাকাটির সুযোগ নেই এবং 'শিগার' বিবাহ বৈধ নেই। (অর্থাৎ কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে অন্য এক ব্যক্তির পুত্রের কাছে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা নিজের পুত্রের জন্য আনবে এবং এ ক্ষেত্রে কোন কনেই মোহর পাবে না। আর ইসলামে 'আকর' নেই; (জাহিলীয়াতের যুগে লোকেরা (মৃত ব্যক্তির) কবরের পাশে গিয়ে গরু বা ছাগল যবেহ করতো এ ধরনের কাজকে আকর বলা হয়। নবী (ﷺ) এরূপ করতে নিষেধ করেছেন।); এবং 'জালব'* নেই এবং 'জানব' নেই।
*যাকাত যোগ্য উট বকরী ইত্যাদি একত্রিত করার জন্য মালিককে বাধ্য করাকে ‘জালাব’ এবং যাকাত আদায়কারী থেকে এগুলিকে দূরে সরিয়ে নেয়াকে 'জানাব’ বলা হয় ।
*যাকাত যোগ্য উট বকরী ইত্যাদি একত্রিত করার জন্য মালিককে বাধ্য করাকে ‘জালাব’ এবং যাকাত আদায়কারী থেকে এগুলিকে দূরে সরিয়ে নেয়াকে 'জানাব’ বলা হয় ।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في السداسيات
عن أنس (6) قال أخذ النبي صلى الله عليه وسلم على النساء حين بايعهن أن لا ينحن فقلن يا رسول الله ان نساآ اسعدننا في الجاهلية أفنسعدهن في الاسلام؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا إسعاد (7) في الاسلام ولا شغار ولا عقر في الاسلام (8) ولا جلب في الإسلام ولا جنب ومن انتهب فليس منا