মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
পানীয় অধ্যায়
হাদীস নং: ৬৬
পানীয় অধ্যায়
অনুচ্ছেদ: কাঁচা ও শুকনো খেজুর বা আঙ্গুর ও কিশমিশ একত্র করে নাবীয তৈরী করা।
৬৬। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি সবুজ মটকায় নাবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন, শুকনো খেজুর ও কিশমিশ একত্র করতে নিষেধ করেছেন, কাঁচা ও পাকা খেজুরও একত্র করতে নিষেধ করেছেন।
(মুসলিম, তিরমিযী)
(মুসলিম, তিরমিযী)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى الخليطين
عن أبى سعيد الخدرى (3) عن النبى صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن الجر (4) أن يبنذ فيه، وعن التمر والزبيب أن يخلط بينهما، وعن البسر والتمر أن يخلط بينهما
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ লিখেছেন যে, এ হাদীসে যেসব বিভিন্ন জিনিসকে একত্রে মিশিয়ে নবীয তৈরী করতে নিষেধ করা হয়েছে, এগুলো একত্র করে পানিতে ছাড়লে নেশার অবস্থা শীঘ্র পয়দা হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। এ জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাবধানতার জন্য এ নিষেধ করেছিলেন এবং নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এগুলোর নবীয পৃথক পৃথকভাবেই তৈরী করতে হবে। আর সম্ভবত এ নির্দেশটিও তিনি ঐ সময়েই দিয়েছিলেন, যখন চূড়ান্তভাবে মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযিল হয়েছিল এবং তিনি উম্মতের দীক্ষা ও অনুশীলনের জন্য এ ব্যাপারে এমন কঠিন বিধানও জারী করেছিলেন, যেগুলোর উদ্দেশ্য এই ছিল যে, মু'মিনগণ মদ ও নেশার সামান্য সন্দেহকেও যেন ঘৃণা করে। কিন্তু যখন এ উদ্দেশ্য হাছিল হয়ে গেল, তখন আবার ঐ কঠিন বিধানসমূহ প্রত্যাহার করে নেওয়া হল, যা এ উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে দেওয়া হয়েছিল। হযরত আয়েশা রাযি.-এর বর্ণিত এক হাদীস থেকে জানা যায় যে, স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য শুকনা আঙ্গুর ও খেজুর একত্রে পানিতে ছেড়ে দিয়ে নবীয তৈরী করা হত এবং তিনি এটা পান করতেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)