মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৪০৯
নামাযের অধ্যায়
(৯) অধ্যায়: একাকী বাক্তি সালাত আদায় করার পর ইমামতি জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে
(১৪০৫) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রমযান মাসে সালাত আদায় করছিলেন, আমি এলাম অতঃপর তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম, রাবী বলেন, অতঃপর একব্যক্তি এল এবং আমার পাশে দাঁড়াল এরপর আরেকজন। এভাবে আমরা কয়েকজন (ছোট একটা দল) হয়ে গেলাম। অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরাও তাঁর পিছনে (সালাতে যোগ দিয়েছি) তখন তিনি সালাতকে সংক্ষিপ্ত করলেন, এখন সালাত শেষে বাড়ি গিয়ে এমনভাবে সালাত শুরু করলেন যেমনটি আমাদের সামনে করেন নাই। রাবী বলেন, অতঃপর যখন আমরা সকাল করলাম অর্থাৎ পরদিন সকালে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আপনি কি গতরাতে আমাদের জন্য বিরক্তবোধ করেছেন। রাসূল (ﷺ) জবাব দিলেন, হ্যাঁ। তোমাদের কারণে বিরক্তবোধ করার কারণেই আমি অনুরূপ (সংক্ষিপ্ত সালাত আদায়) করেছি।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(9) باب جواز انتقال المنفرد إماماً
(1409) عن أنس (بن مالكٍ) رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلَّى فى رمضان فجئت فقمت خلفه، قال وجاء فقام إلى جنبى، ثمَّ جاء آخر حتَّى كنَّا رهطًا، فلمَّا أحسَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم أنَّا خلفه تجوَّز فى الصَّلاة، ثمَّ فدخل منزله فصلَّى صلاةً لم يصلِّها عندنا، قال فلمَّا أصبحنا قال قلنا يا رسول الله أفطنت بنا اللَّيلة؟ قال نعم، فذاك الَّذى حملنى على الَّذي صنعت "الحديث"
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান