আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার

হাদীস নং: ৪৩৩৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩৩৪. হযরত আবু দারদা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: কেউ যদি কারো বিরুদ্ধে এমন দোষ বর্ণনা করে, যা প্রকৃতপক্ষে তার মধ্যে নেই, তবে আল্লাহ্ তাকে ঐ অপরাধের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত জাহান্নামের বন্দী করে রাখবেন।
(তাবারানী উত্তম সনদে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4334- وَعَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من ذكر امْرأ بِشَيْء لَيْسَ فِيهِ ليعيبه بِهِ حَبسه الله فِي نَار جَهَنَّم حَتَّى يَأْتِي بنفاد مَا قَالَ فِيهِ

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد جيد

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হাদীসটির মর্ম এই যে, কোন মুসলমানকে দূষী ও অপমান করার জন্য তার প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা এমন জঘন্য ও কঠিন গুনাহ যে, এ কাজে লিপ্ত ব্যক্তি যদি মুসলমানদের মধ্য থেকেও হয়, তবুও তাকে জাহান্নামের একাংশে (যাকে হাদীসে জাহান্নামের সেতু বলা হয়েছে)। ঐ সময় পর্যন্ত বন্দী করে রাখা হবে, যে পর্যন্ত আগুনে জ্বলে পুড়ে নিজের এ গুনাহর অপবত্রিতা থেকে পাক-পবিত্র না হয়ে যাবে।

হাদীসের বাহ্যিক শব্দমালা দ্বারা বুঝা যায় যে, এ গুনাহ ক্ষমার অযোগ্য। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সাধারণ মুসলমানদের- এমনকি বিশেষ শ্রেণীর কাছেও এটা একটা মজার কাজ বলে বিবেচিত হয়।
اللهم احفظنا ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান