আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

২০. অধ্যায়ঃ হদ্দ

হাদীস নং: ৩৬৬১
অধ্যায়ঃ হদ্দ
পরিচ্ছেদ
৩৬৬১. হযরত সাহল ইবনে সা'দ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দুই চোয়ালের মধ্যখানের এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী স্থানের ব্যাপারে আমার জন্য যিম্মাদার হবে, আমি তার জান্নাতের যিম্মাদার।
(বুখারী, নিজ শব্দে ও তিরমিযী এবং অন্যান্যগণ বর্ণনা করেন।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন। দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থান হল জিহ্বা। আর দুই পায়ের মধ্যবর্তী স্থান হল লজ্জাস্থান।
اللحيان দুই চোয়ালের দুই পার্শ্ব।)
كتاب الحدود
فصل
3661- وَعَن سهل بن سعد رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من يضمن لي مَا بَين لحييْهِ وَمَا بَين رجلَيْهِ تَضَمَّنت لَهُ بِالْجنَّةِ

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَالتِّرْمِذِيّ وَغَيرهمَا
قَ
الَ الْحَافِظ المُرَاد بِمَا بَين لحييْهِ اللِّسَان وَبِمَا بَين رجلَيْهِ الْفرج
واللحيان هما عظما الحنك

হাদীসের ব্যাখ্যা:

জিহবা এবং লজ্জাস্থানের অপপ্রয়োগ এবং অবৈধ প্রয়োগ মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বান্দা তার জিহবা এবং লজ্জাস্থানের দ্বারা অপরাধ করে এবং সমাজ-জীবনে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। তাই নবী করীম ﷺ এ দুটো জিনিস সম্পর্কে খুব সতর্ক থাকতে উপদেশ দিয়েছেন। যদি কোন ব্যক্তি তার জিহ্বা এবং লজ্জাস্থানের সঠিক হিফাযত করতে সক্ষম হয়, তাহলে আশা করা যায়, সে জান্নাতে স্থান লাভ করতে পারবে।

এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান