আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

১১. অধ্যায়ঃ হজ্জ

হাদীস নং: ১৮৭২
অধ্যায়ঃ হজ্জ
আমৃত্যু মদীনায় বসবাসের প্রতি উৎসাহ দান এবং মদীনা, উজ্বল ও আকীক উপত্যকার ফযীলত প্রসঙ্গ
১৮৭২. হযরত হাতিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ(ﷺ)বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার মৃত্যুর পর আমার যিয়ারত করল, সে যেন আমার জীবদ্দশাতেই আমাকে যিয়ারত করল। আর যে ব্যক্তি হারাম শরীফদ্বয়ের যে কোন একটিতে মারা গেল, কিয়ামতের দিন সে নিরাপত্তালাভকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে উঠবে।
(হাদীসটি বায়হাকী হাতিবের বংশের জনৈক ব্যক্তি সূত্রে হযরত হাতিব (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ঐ ব্যক্তিটির নাম উল্লেখ করেন নি।)
كتاب الْحَج
التَّرْغِيب فِي سُكْنى الْمَدِينَة إِلَى الْمَمَات وَمَا جَاءَ فِي فَضلهَا وَفضل أحد ووادي العقيق
1872 - وَعَن حَاطِب رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من زارني بعد موتِي فَكَأَنَّمَا زارني فِي حَياتِي وَمن مَاتَ بِأحد الْحَرَمَيْنِ بعث من الْآمنينَ يَوْم الْقِيَامَة

رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ عَن رجل من آل حَاطِب لم يسمه عَن حَاطِب

হাদীসের ব্যাখ্যা:

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে নিজ কবরে; বরং সমস্ত নবী-রাসূলই যে নিজ নিজ আলোকিত কবরে জীবিত রয়েছেন, এটা জমহুরে উম্মতের স্বীকৃত মত- যদিও এ জীবনের ধরন নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বিভিন্ন বর্ণনা ও উম্মতের বিশেষ মনীষীদের অভিজ্ঞতার দ্বারা এটাও প্রমাণিত যে, উম্মতের কোন ব্যক্তি যখন রওযা শরীফে হাজির হয়ে সালাম নিবেদন করে, তখন তিনি তার সালাম শুনেন এবং উত্তরও দিয়ে থাকেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর ওফাতের পর তাঁর রওযা শরীফে হাজির হওয়া ও সালাম নিবেদন করা যেন এক বিবেচনায় তাঁর দরবারে উপস্থিত হওয়া ও সামনাসামনি সালাম করারই একটি রূপ। নিঃসন্দেহে এটা এমন সৌভাগ্যের বিষয় যে, ঈমানদার বান্দারা যে কোন মূল্যে এটা অর্জন করার চেষ্টা করবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান