আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

৯. অধ্যায়ঃ রোযা

হাদীস নং: ১৫২০
অধ্যায়ঃ রোযা
শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযার প্রতি উৎসাহ দান প্রসঙ্গ
১৫২০. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী করীম ﷺ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রমযানে রোযা। রাখল, তারপর শাওয়ালে আরও ছয়টি রোযা পালন করল, সে যেন সারা বছরই সাওম পালন করল।
(হাদীসটি বাযযার বর্ণনা করেছেন। বর্ণনার একটি সূত্র বিশুদ্ধ। তাবারানী এটি তাঁর 'আওসাত' নামক কিতাবে সমালোচনাযোগ্য সনদে বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনাটি নিম্নরূপ:
যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতরের পর একাধারে ছয়টি রোযা পালন করল, সে যেন পূর্ণ বছর রোযা রাখল।)
كتاب الصَّوْم
التَّرْغِيب فِي صَوْم سِتّ من شَوَّال
1520- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من صَامَ رَمَضَان وَأتبعهُ بست من شَوَّال فَكَأَنَّمَا صَامَ الدَّهْر

رَوَاهُ الْبَزَّار وَأحد طرقه عِنْده صَحِيح وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط بِإِسْنَاد فِيهِ نظر قَالَ من صَامَ سِتَّة أَيَّام بعد الْفطر متتابعة فَكَأَنَّمَا صَامَ السّنة كلهَا

হাদীসের ব্যাখ্যা:

রমযান মাস যদি ২৯ দিনেরও হয়, তবুও আল্লাহ তা'আলা নিজ অনুগ্রহে ৩০ দিনেরই সওয়াব দিয়ে দেন। আর শাওয়ালের ছয়টি রোযা যোগ করলে রোযার সংখ্যা ৩৬ হয়ে যায়। এদিকে আল্লাহ্ তা'আলার অনুগ্রহমূলক বিধান (একে দশ) অনুযায়ী ৩৬ এর দশগুণ ৩৬০ হয়ে যায়, আর চাঁদের হিসাবে বছরের দিন সংখ্যা ৩৬০ থেকে কমই হয়ে থাকে।

অতএব, কোন ব্যক্তি যদি সারা রমযানে রোযা রাখার পর শাওয়ালে ৬টি নফল রোযা রাখে, তাহলে সে এ হিসাবে ৩৬০টি রোযার সওয়াবের অধিকারী হবে। তাই সওয়াব ও প্রতিদানের দিক দিয়ে এটা এমনই হল যে, যেমন কেউ সারা বছরই রোযা রাখল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান