আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
১৯- ত্বালাক - বিবাহ বিচ্ছেদ অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৫৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৪
- ত্বালাক - বিবাহ বিচ্ছেদ অধ্যায়
৭. বিধবা ও অন্যান্য তালাকপ্রাপ্তা মহিলার সন্তান প্রসবের সাথে সাথে ইদ্দতপূর্ণ হওয়া
৩৫৮৮। আবু তাহির ও হারামালা ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ বর্ণনা করেন যে, তার পিতা উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আরকাম যুহরীকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন যে, তিনি যেন সুবায়’আ বিনতে হারিস আসলামীর কাছে চলে যান। এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে ফাতওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন। উমর ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ইবনে উতবাকে লিখে পাঠালেন যে, সুবায়’আ তাকে জানিয়েছেন- তিনি বনু আমির ইবনে লুআঈ গোত্রের সা’দ ইবনে খাওলার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বদরী সাহাবী এবং বিদায় হজ্জের সময় ওফাত পান।
সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামীর ইন্তিকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতাদের জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বনু আব্দুদ দার গোত্রের আবু সানাবিল ইবনে বা’কাক নামক জনৈক ব্যক্তি তাঁর কাছে এলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, মতলব কি? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি! সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম! চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না।
সুবায়’আ বললেন, যখন সে লোকটি আমাকে একথা বলল, তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে,চলে এলাম। এরপর আমি তাঁকে সে বিষয়ে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইদ্দত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হতে পারি।
ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রমূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হওয়াকে আমি দুষনীয় মনে করি না। যদিও সে তখন নিফাসের ইদ্দত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করবে না।
সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামীর ইন্তিকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতাদের জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বনু আব্দুদ দার গোত্রের আবু সানাবিল ইবনে বা’কাক নামক জনৈক ব্যক্তি তাঁর কাছে এলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, মতলব কি? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি! সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম! চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না।
সুবায়’আ বললেন, যখন সে লোকটি আমাকে একথা বলল, তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে,চলে এলাম। এরপর আমি তাঁকে সে বিষয়ে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইদ্দত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হতে পারি।
ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রমূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হওয়াকে আমি দুষনীয় মনে করি না। যদিও সে তখন নিফাসের ইদ্দত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করবে না।
كتاب الطلاق
باب انْقِضَاءِ عِدَّةِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَغَيْرِهَا بِوَضْعِ الْحَمْلِ
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - قَالَ حَرْمَلَةُ حَدَّثَنَا وَقَالَ أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، - حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ أَبَاهُ، كَتَبَ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْقَمِ الزُّهْرِيِّ يَأْمُرُهُ أَنْ يَدْخُلَ، عَلَى سُبَيْعَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ الأَسْلَمِيَّةِ فَيَسْأَلَهَا عَنْ حَدِيثِهَا وَعَمَّا قَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ اسْتَفْتَتْهُ فَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ يُخْبِرُهُ أَنَّ سُبَيْعَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ سَعْدِ ابْنِ خَوْلَةَ وَهُوَ فِي بَنِي عَامِرِ بْنِ لُؤَىٍّ وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا فَتُوُفِّيَ عَنْهَا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ وَهْىَ حَامِلٌ فَلَمْ تَنْشَبْ أَنْ وَضَعَتْ حَمْلَهَا بَعْدَ وَفَاتِهِ فَلَمَّا تَعَلَّتْ مِنْ نِفَاسِهَا تَجَمَّلَتْ لِلْخُطَّابِ فَدَخَلَ عَلَيْهَا أَبُو السَّنَابِلِ بْنُ بَعْكَكٍ - رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ - فَقَالَ لَهَا مَا لِي أَرَاكِ مُتَجَمِّلَةً لَعَلَّكِ تَرْجِينَ النِّكَاحَ إِنَّكِ وَاللَّهِ مَا أَنْتِ بِنَاكِحٍ حَتَّى تَمُرَّ عَلَيْكِ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرٌ . قَالَتْ سُبَيْعَةُ فَلَمَّا قَالَ لِي ذَلِكَ جَمَعْتُ عَلَىَّ ثِيَابِي حِينَ أَمْسَيْتُ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ فَأَفْتَانِي بِأَنِّي قَدْ حَلَلْتُ حِينَ وَضَعْتُ حَمْلِي وَأَمَرَنِي بِالتَّزَوُّجِ إِنْ بَدَا لِي . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَلاَ أَرَى بَأْسًا أَنْ تَتَزَوَّجَ حِينَ وَضَعَتْ وَإِنْ كَانَتْ فِي دَمِهَا غَيْرَ أَنْ لاَ يَقْرَبُهَا زَوْجُهَا حَتَّى تَطْهُرَ .