হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮১
আন্তর্জাতিক নং: ৮১
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৩. ইলমের বিলুপ্তি ও মূর্খতার প্রসার
৮১। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তোমাদের এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব, যা আমার পর তোমাদের কাছে আর কেউ বর্ণনা করবেন না। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের কিছু নিদর্শন হলঃ ইলম কমে যাবে, অজ্ঞতার প্রসার ঘটবে, ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে, স্ত্রীলোকের সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে, এমনকি প্রতি পঞ্চাশজন স্ত্রীলোকের জন্য মাত্র একজন পুরুষ হবে তত্ত্বাবধায়ক।
كتاب العلم
باب رَفْعِ الْعِلْمِ وَظُهُورِ الْجَهْلِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لأُحَدِّثَنَّكُمْ حَدِيثًا لاَ يُحَدِّثُكُمْ أَحَدٌ بَعْدِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَقِلَّ الْعِلْمُ، وَيَظْهَرَ الْجَهْلُ، وَيَظْهَرَ الزِّنَا، وَتَكْثُرَ النِّسَاءُ وَيَقِلَّ الرِّجَالُ، حَتَّى يَكُونَ لِخَمْسِينَ امْرَأَةً الْقَيِّمُ الْوَاحِدُ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮২
আন্তর্জাতিক নং: ৮২
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৪. ইলমের ফযীলত
৮২। সাঈদ ইবনে উফায়র (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। তখন (স্বপ্নে) আমার কাছে এক পেয়ালা দুধ আনা হল। আমি তা পান করলাম (তার পরিতৃপ্তি আমার সর্বাঙ্গে ছড়িয়ে পড়ল।) এমনকি আমার মনে হতে লাগল যে, সে তৃপ্তি আমার নখ দিয়ে বের হচ্ছে। এরপর যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তা আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে দিলাম। সাহাবায়ে কিরাম জানতে চাইলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি এ স্বপ্নের কী তা’বীর করেন? তিনি জওয়াবে বললেনঃ তা হল ইলম।
كتاب العلم
باب فَضْلِ الْعِلْمِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، قَالَ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِقَدَحِ لَبَنٍ، فَشَرِبْتُ حَتَّى إِنِّي لأَرَى الرِّيَّ يَخْرُجُ فِي أَظْفَارِي، ثُمَّ أَعْطَيْتُ فَضْلِي عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ". قَالُوا فَمَا أَوَّلْتَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " الْعِلْمَ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ৮৩
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৫. প্রাণী বা অন্য বাহনে আসীন অবস্থায় ফতোয়া দেওয়া।
৮৩। ইসমাঈল (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (ﷺ) বিদায় হজ্জের দিনে মিনায় মানুষের (প্রশ্নের উত্তর দানের) জন্য (বাহনের উপর) বসা ছিলেন। লোকেরা তাঁর কাছে বিভিন্ন মাসআলা জিজ্ঞাসা করছিল। এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, আমি ভুলবশত কুরবানী করার আগেই মাথা মুণ্ডিয়ে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ যবেহ কর, কোন ক্ষতি নেই। আর এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি ভুলবশত কংকর নিক্ষেপের আগেই কুরবানী করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ কংকর ছুঁড়ো, কোন অসুবিধা নেই। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাহঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-কে সে দিন আগে বা পরে করা যে কাজ সম্পর্কেই জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল, তিনি একথাই বলছিলেনঃ কর, কোন ক্ষতি নেই।
كتاب العلم
باب الْفُتْيَا وَهُوَ وَاقِفٌ عَلَى الدَّابَّةِ وَغَيْرِهَا
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَفَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ بِمِنًى لِلنَّاسِ يَسْأَلُونَهُ، فَجَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ لَمْ أَشْعُرْ فَحَلَقْتُ قَبْلَ أَنْ أَذْبَحَ. فَقَالَ " اذْبَحْ وَلاَ حَرَجَ ". فَجَاءَ آخَرُ فَقَالَ لَمْ أَشْعُرْ، فَنَحَرْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ. قَالَ " ارْمِ وَلاَ حَرَجَ ". فَمَا سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَىْءٍ قُدِّمَ وَلاَ أُخِّرَ إِلاَّ قَالَ افْعَلْ وَلاَ حَرَجَ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ৮৪
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৬. হাত ও মাথার ইশারায় মাসআলার জবাব দান
৮৪। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, হজ্জের সময় নবী (ﷺ)-কে (নানা বিষয়ে) জিজ্ঞাসা করা হল। কোন একজন বললঃ আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বেই যবেহ করে ফেলেছি। ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাত দিয়ে ইশারা করে বললেনঃ কোন অসুবিধা নেই। আর এক ব্যক্তি বললঃ আমি যবেহ করার পূর্বে মাথা মুড়িয়ে ফেলেছি। তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলেনঃ কোন অসুবিধা নেই (যেহেতু ভুলবশতঃ করা হয়েছে)।
كتاب العلم
باب مَنْ أَجَابَ الْفُتْيَا بِإِشَارَةِ الْيَدِ وَالرَّأْسِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ فِي حَجَّتِهِ فَقَالَ ذَبَحْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ، فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ قَالَ وَلاَ حَرَجَ. قَالَ حَلَقْتُ قَبْلَ أَنْ أَذْبَحَ. فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ وَلاَ حَرَجَ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৬. হাত ও মাথার ইশারায় মাসআলার জবাব দান
৮৫। মাক্বী ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেনঃ (শেষ যামানায়) ইলম তুলে নেয়া হবে, অজ্ঞতা ও ফিতনার প্রসার ঘটবে এবং 'হারজ' বেড়ে যাবে। জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! হারজ কি? তিনি হাত দিয়ে ইশারা করে বললেনঃ এ রকম। যেন তিনি এর দ্বারা 'হত্যাযজ্ঞ' বুঝিয়েছিলেন।
كتاب العلم
باب مَنْ أَجَابَ الْفُتْيَا بِإِشَارَةِ الْيَدِ وَالرَّأْسِ
حَدَّثَنَا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَخْبَرَنَا حَنْظَلَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ سَالِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ " يُقْبَضُ الْعِلْمُ، وَيَظْهَرُ الْجَهْلُ وَالْفِتَنُ، وَيَكْثُرُ الْهَرْجُ ". قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْهَرْجُ فَقَالَ هَكَذَا بِيَدِهِ، فَحَرَّفَهَا، كَأَنَّهُ يُرِيدُ الْقَتْلَ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৬. হাত ও মাথার ইশারায় মাসআলার জবাব দান
৮৬। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... আসমা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাযিঃ) এর কাছে এলাম, তিনি তখন নামায আদায় করছিলেন। আমি বললাম, মানুষের কি হয়েছে? তিনি আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন (দেখ, সূর্যগ্রহণ লেগেছে)। তখন সকল লোক (সালাতুল কুসূফ আদায়ের জন্য) দাঁড়িয়ে রয়েছে। আয়িশা (রাযিঃ) বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তিনি মাথা দিয়ে ইশারা করলেন, হ্যাঁ। এরপর আমি (নামাযে) দাঁড়িয়ে গেলাম। এমনকি (নামায এত দীর্ঘ ছিল যে,) আমার বেহুঁশ হয়ে পড়ার উপক্রম হল। তাই আমি মাথায় পানি ঢালতে লাগলাম। পরে (নামায শেষে) নবী (ﷺ) আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করলেন। এরপর বললেনঃ যা কিছু আমাকে ইতিপূর্বে দেখানো হয়নি, তা আমি আমার এ স্থানেই দেখতে পেয়েছি। এমনকি জান্নাত এবং জাহান্নামও দেখেছি। এরপর আল্লাহ্ তাআলা আমার কাছে ওহী প্রেরণ করলেন, তোমাদেরকে কবরের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে দাজ্জালের ন্যায় (কঠিন) পরীক্ষা অথবা তার কাছাকাছি।
ফাতিমা (রাহঃ) বলেন, আসমা (রাযিঃ) مثل (অনুরূপ) শব্দ বলেছিলেন, না قريب (কাছাকাছি) শব্দ, তা ঠিক আমার মনে নেই। (কবরের মধ্যে) বলা হবে, এ ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কি জানো? তখন মুমিন ব্যক্তি বা মুকিন (বিশ্বাসী) ব্যক্তি [ফাতিমা (রাযিঃ) বলেন] আসমা (রাযিঃ) এর কোন্ শব্দটি বলেছিলেন ঠিক আমার মনে নেই, বলবে তিনি মুহাম্মাদ (ﷺ), তিনি আল্লাহর রাসূল। আমাদের কাছে মুজিযা ও হিদায়াত নিয়ে এসেছিলেন। আমরা তা গ্রহণ করেছিলাম এবং তাঁর অনুসরণ করেছিলাম। তিনি মুহাম্মাদ (ﷺ)। তিনবার এরূপ বলবে। তখন তাকে বলা হবে, আরামে ঘুমাও, আমরা জানতে পারলাম যে, তুমি (দুনিয়ায়) তাঁর ওপর বিশ্বাসী ছিলে। আর মুনাফিক অথবা মুরতাব (সন্দেহ পোষণকারী) ফাতিমা (রাযিঃ) বলেন, আসমা (রাযিঃ) কোনটি বলেছিলেন, আমি ঠিক মনে করতে পারছি না- বলবে, আমি কিছুই জানিনা। মানুষকে (তাঁর সম্পর্কে) যেসব বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলেছি।
ফাতিমা (রাহঃ) বলেন, আসমা (রাযিঃ) مثل (অনুরূপ) শব্দ বলেছিলেন, না قريب (কাছাকাছি) শব্দ, তা ঠিক আমার মনে নেই। (কবরের মধ্যে) বলা হবে, এ ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কি জানো? তখন মুমিন ব্যক্তি বা মুকিন (বিশ্বাসী) ব্যক্তি [ফাতিমা (রাযিঃ) বলেন] আসমা (রাযিঃ) এর কোন্ শব্দটি বলেছিলেন ঠিক আমার মনে নেই, বলবে তিনি মুহাম্মাদ (ﷺ), তিনি আল্লাহর রাসূল। আমাদের কাছে মুজিযা ও হিদায়াত নিয়ে এসেছিলেন। আমরা তা গ্রহণ করেছিলাম এবং তাঁর অনুসরণ করেছিলাম। তিনি মুহাম্মাদ (ﷺ)। তিনবার এরূপ বলবে। তখন তাকে বলা হবে, আরামে ঘুমাও, আমরা জানতে পারলাম যে, তুমি (দুনিয়ায়) তাঁর ওপর বিশ্বাসী ছিলে। আর মুনাফিক অথবা মুরতাব (সন্দেহ পোষণকারী) ফাতিমা (রাযিঃ) বলেন, আসমা (রাযিঃ) কোনটি বলেছিলেন, আমি ঠিক মনে করতে পারছি না- বলবে, আমি কিছুই জানিনা। মানুষকে (তাঁর সম্পর্কে) যেসব বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলেছি।
كتاب العلم
باب مَنْ أَجَابَ الْفُتْيَا بِإِشَارَةِ الْيَدِ وَالرَّأْسِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ فَاطِمَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ أَتَيْتُ عَائِشَةَ وَهِيَ تُصَلِّي فَقُلْتُ مَا شَأْنُ النَّاسِ فَأَشَارَتْ إِلَى السَّمَاءِ، فَإِذَا النَّاسُ قِيَامٌ، فَقَالَتْ سُبْحَانَ اللَّهِ. قُلْتُ آيَةٌ فَأَشَارَتْ بِرَأْسِهَا، أَىْ نَعَمْ، فَقُمْتُ حَتَّى تَجَلاَّنِي الْغَشْىُ، فَجَعَلْتُ أَصُبُّ عَلَى رَأْسِي الْمَاءَ، فَحَمِدَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ " مَا مِنْ شَىْءٍ لَمْ أَكُنْ أُرِيتُهُ إِلاَّ رَأَيْتُهُ فِي مَقَامِي حَتَّى الْجَنَّةَ وَالنَّارَ، فَأُوحِيَ إِلَىَّ أَنَّكُمْ تُفْتَنُونَ فِي قُبُورِكُمْ، مِثْلَ ـ أَوْ قَرِيبًا لاَ أَدْرِي أَىَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ ـ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، يُقَالُ مَا عِلْمُكَ بِهَذَا الرَّجُلِ فَأَمَّا الْمُؤْمِنُ ـ أَوِ الْمُوقِنُ لاَ أَدْرِي بِأَيِّهِمَا قَالَتْ أَسْمَاءُ ـ فَيَقُولُ هُوَ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ جَاءَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى، فَأَجَبْنَا وَاتَّبَعْنَا، هُوَ مُحَمَّدٌ. ثَلاَثًا، فَيُقَالُ نَمْ صَالِحًا، قَدْ عَلِمْنَا إِنْ كُنْتَ لَمُوقِنًا بِهِ، وَأَمَّا الْمُنَافِقُ ـ أَوِ الْمُرْتَابُ لاَ أَدْرِي أَىَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ ـ فَيَقُولُ لاَ أَدْرِي، سَمِعْتُ النَّاسَ يَقُولُونَ شَيْئًا فَقُلْتُهُ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ৮৭
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৭. আবুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধিদলকে ঈমান এবং ইলমের হিফাজত করা এবং পরবর্তীদেরকে তা অবহিত করার বাপারে নবী (ﷺ) এর উৎসাহ দান।
মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমাদের বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের কওমের (গোত্র) নিকট ফিরে যাও এবং তাদেরকে শিক্ষা দাও।
মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমাদের বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের কওমের (গোত্র) নিকট ফিরে যাও এবং তাদেরকে শিক্ষা দাও।
৮৭। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... আবু জামরা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) ও লোকদের মধ্যে দোভাষীর কাজ করতাম। একদিন ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, আব্দুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী (ﷺ) এর কাছে এলে, তিনি বললেনঃ তোমরা কোন্ প্রতিনিধিদল? অথবা বললেনঃ তোমরা কোন্ গোত্রের? তারা বলল, রবীআ গোত্রের। তিনি বললেনঃ মারহাবা। এ গোত্রের প্রতি অথবা এ প্রতিনিধি দলের প্রতি, এরা কোনরূপ অপদস্থ না হয়েই এসেছে। তারা বলল, আমরা বহুদূর থেকে আপনার কাছে এসেছি। আর আমাদের ও আপনার মাঝে রয়েছে কাফিরদের এই মুযার গোত্রের বাস। আমরা শাহর-ই হারাম- ছাড়া আপনার কাছে আসতে সক্ষম নই। সুতরাং আমাদের এমন কিছু নির্দেশ দিন, যা আমাদের পশ্চাতে যারা রয়েছে তাদের কাছে পৌঁছাতে এবং তার ওসীলায় আমরা জান্নাতে দাখিল হতে পারি।
তখন তিনি তাদের চারটি কাজের নির্দেশ দিলেন এবং চারটি কাজ থেকে নিষেধ করলেন। তাদের এক আল্লাহর উপর ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেনঃ এক আল্লাহর উপর ঈমান আনা কিরূপে হয় জান? তারা বললঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ তা হল এ সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল, নামায কায়েম করা, যাকাত দেওয়া এবং রমযান এর রোযা পালন করা আর তোমাদের গনিমতের মাল থেকে এক-পঞ্চমাংশ দান করবে। আর তাদের নিষেধ করলেন শুকনো লাউয়ের খোল, সবুজ কলস এবং আলকাতরার পালিশকৃত পাত্র ব্যবহার করতে।
শুবা বলেন, কখনও (আবু জামরা) খেজুর গাছ থেকে তৈরী পাত্রের কথাও বলেছেন আবার তিনি কখনও (النقير) এর স্থলে (المقير) বলেছেন। রাসূল (ﷺ) বললেনঃ তোমরা এগুলো মনোযোগ সহকারে স্মরণ রাখ এবং তোমাদের পশ্চাতে যারা রয়েছে তাদের কাছে পৌঁছে দাও।
তখন তিনি তাদের চারটি কাজের নির্দেশ দিলেন এবং চারটি কাজ থেকে নিষেধ করলেন। তাদের এক আল্লাহর উপর ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেনঃ এক আল্লাহর উপর ঈমান আনা কিরূপে হয় জান? তারা বললঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ তা হল এ সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল, নামায কায়েম করা, যাকাত দেওয়া এবং রমযান এর রোযা পালন করা আর তোমাদের গনিমতের মাল থেকে এক-পঞ্চমাংশ দান করবে। আর তাদের নিষেধ করলেন শুকনো লাউয়ের খোল, সবুজ কলস এবং আলকাতরার পালিশকৃত পাত্র ব্যবহার করতে।
শুবা বলেন, কখনও (আবু জামরা) খেজুর গাছ থেকে তৈরী পাত্রের কথাও বলেছেন আবার তিনি কখনও (النقير) এর স্থলে (المقير) বলেছেন। রাসূল (ﷺ) বললেনঃ তোমরা এগুলো মনোযোগ সহকারে স্মরণ রাখ এবং তোমাদের পশ্চাতে যারা রয়েছে তাদের কাছে পৌঁছে দাও।
كتاب العلم
بَابُ تَحْرِيضِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ عَلَى أَنْ يَحْفَظُوا الإِيمَانَ وَالْعِلْمَ وَيُخْبِرُوا مَنْ وَرَاءَهُمْ
وَقَالَ مَالِكُ بْنُ الْحُوَيْرِثِ قَالَ لَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ارْجِعُوا إِلَى أَهْلِيكُمْ، فَعَلِّمُوهُمْ
وَقَالَ مَالِكُ بْنُ الْحُوَيْرِثِ قَالَ لَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ارْجِعُوا إِلَى أَهْلِيكُمْ، فَعَلِّمُوهُمْ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، قَالَ كُنْتُ أُتَرْجِمُ بَيْنَ ابْنِ عَبَّاسٍ وَبَيْنَ النَّاسِ فَقَالَ إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ أَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " مَنِ الْوَفْدُ ـ أَوْ مَنِ الْقَوْمُ ". قَالُوا رَبِيعَةُ. فَقَالَ " مَرْحَبًا بِالْقَوْمِ ـ أَوْ بِالْوَفْدِ ـ غَيْرَ خَزَايَا وَلاَ نَدَامَى ". قَالُوا إِنَّا نَأْتِيكَ مِنْ شُقَّةٍ بَعِيدَةٍ، وَبَيْنَنَا وَبَيْنَكَ هَذَا الْحَىُّ مِنْ كُفَّارِ مُضَرَ، وَلاَ نَسْتَطِيعُ أَنْ نَأْتِيَكَ إِلاَّ فِي شَهْرٍ حَرَامٍ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ نُخْبِرْ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا، نَدْخُلُ بِهِ الْجَنَّةَ. فَأَمَرَهُمْ بِأَرْبَعٍ، وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعٍ أَمَرَهُمْ بِالإِيمَانِ بِاللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَحْدَهُ. قَالَ " هَلْ تَدْرُونَ مَا الإِيمَانُ بِاللَّهِ وَحْدَهُ ". قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ " شَهَادَةُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامُ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَصَوْمُ رَمَضَانَ، وَتُعْطُوا الْخُمُسَ مِنَ الْمَغْنَمِ ". وَنَهَاهُمْ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ. قَالَ شُعْبَةُ رُبَّمَا قَالَ النَّقِيرِ، وَرُبَّمَا قَالَ الْمُقَيَّرِ. قَالَ " احْفَظُوهُ وَأَخْبِرُوهُ مَنْ وَرَاءَكُمْ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ৮৮
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৮. উদ্ভূত মাসআলার জন্য সফর করা এবং নিজের পরিজনদের শিক্ষা দেওয়া ।
৮৮। মুহাম্মাদ ইবনে মুকাতিল আবুল হাসান (রাহঃ) ......... উকবা ইবনে হারিস (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, তিনি আবু ইহাব ইবনে আযীয (রাহঃ)-এর কন্যাকে বিবাহ করলে তাঁর কাছে একজন স্ত্রীলোক এসে বলল, আমি উকবা (রাযিঃ)-কে এবং সে যাকে বিয়ে করেছে তাকে (আবু ইহাবের কন্যাকে) দুধ পান করিয়েছি। উকবা (রাযিঃ) তাকে বললেনঃ আমি জানিনা যে, তুমি আমাকে দুধ পান করিয়েছ। আর (ইতিপূর্বে) তুমি আমাকে একথা জানাওনি। এরপর তিনি মদীনায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে গেলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ কথার পর তুমি কিভাবে তার সঙ্গে সংসার করবে? এরপর উকবা তাঁর স্ত্রীকে আলাদা করে দিলেন এবং সে মহিলা অন্য স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হল।
كتاب العلم
باب الرِّحْلَةِ فِي الْمَسْأَلَةِ النَّازِلَةِ وَتَعْلِيمِ أَهْلِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ أَبُو الْحَسَنِ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّهُ تَزَوَّجَ ابْنَةً لأَبِي إِهَابِ بْنِ عَزِيزٍ، فَأَتَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ أَرْضَعْتُ عُقْبَةَ وَالَّتِي تَزَوَّجَ بِهَا. فَقَالَ لَهَا عُقْبَةُ مَا أَعْلَمُ أَنَّكِ أَرْضَعْتِنِي وَلاَ أَخْبَرْتِنِي. فَرَكِبَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْمَدِينَةِ فَسَأَلَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " كَيْفَ وَقَدْ قِيلَ ". فَفَارَقَهَا عُقْبَةُ، وَنَكَحَتْ زَوْجًا غَيْرَهُ.
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৮৯
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯. পালাক্রমে ইলম শিক্ষা করা ।
৮৯। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ও ইবনে ওয়াহব (রাহঃ) ......... উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও আমার এক আনসারী প্রতিবেশী বনু উমাইয়া ইবনে যায়দের মহল্লায় বাস করতাম। এ মহল্লাটি ছিল মদীনার উঁচু এলাকায় অবস্থিত। আমরা দুজনে পালাক্রমে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে হাযির হতাম। তিনি একদিন আসতেন আর আমি একদিন আসতাম। আমি যেদিন আসতাম, সেদিনের ওহী প্রভৃতির খবর নিয়ে তাঁকে পৌঁছে দিতাম। আর তিনি যেদিন আসতেন সেদিন তিনি অনুরূপ করতেন।
এরপর একদিন আমার আনসারী সঙ্গী তাঁর পালার দিন এলেন এবং (সেখান থেকে ফিরে) আমার দরজায় খুব জোরে করাঘাত করতে লাগলেন। (আমার নাম নিয়ে) বলতে লাগলেন, তিনি কি এখানে আছেন? আমি ঘাবড়ে গিয়ে তাঁর দিকে গেলাম। তিনি বললেন, এক বিরাট ঘটনা ঘটে গেছে [রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন]। আমি তখনি (আমার কন্যা) হাফসা (রাযিঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি তখন কাঁদছিলেন। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তোমাদের তালাক দিয়ে দিয়েছেন? তিনি বললেন, আমি জানিনা। এরপর আমি নবী (ﷺ) এর কাছে গেলাম এবং দাঁড়িয়ে থেকেই বললামঃ আপনি কি আপনার স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন? জবাবে তিনি বললেনঃ না। আমি তখন 'আল্লাহু আকবার' বলে উঠলাম।
এরপর একদিন আমার আনসারী সঙ্গী তাঁর পালার দিন এলেন এবং (সেখান থেকে ফিরে) আমার দরজায় খুব জোরে করাঘাত করতে লাগলেন। (আমার নাম নিয়ে) বলতে লাগলেন, তিনি কি এখানে আছেন? আমি ঘাবড়ে গিয়ে তাঁর দিকে গেলাম। তিনি বললেন, এক বিরাট ঘটনা ঘটে গেছে [রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন]। আমি তখনি (আমার কন্যা) হাফসা (রাযিঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি তখন কাঁদছিলেন। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তোমাদের তালাক দিয়ে দিয়েছেন? তিনি বললেন, আমি জানিনা। এরপর আমি নবী (ﷺ) এর কাছে গেলাম এবং দাঁড়িয়ে থেকেই বললামঃ আপনি কি আপনার স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন? জবাবে তিনি বললেনঃ না। আমি তখন 'আল্লাহু আকবার' বলে উঠলাম।
كتاب العلم
باب التَّنَاوُبِ فِي الْعِلْمِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، ح قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَقَالَ ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ كُنْتُ أَنَا وَجَارٌ، لِي مِنَ الأَنْصَارِ فِي بَنِي أُمَيَّةَ بْنِ زَيْدٍ، وَهْىَ مِنْ عَوَالِي الْمَدِينَةِ، وَكُنَّا نَتَنَاوَبُ النُّزُولَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْزِلُ يَوْمًا وَأَنْزِلُ يَوْمًا، فَإِذَا نَزَلْتُ جِئْتُهُ بِخَبَرِ ذَلِكَ الْيَوْمِ مِنَ الْوَحْىِ وَغَيْرِهِ، وَإِذَا نَزَلَ فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ، فَنَزَلَ صَاحِبِي الأَنْصَارِيُّ يَوْمَ نَوْبَتِهِ، فَضَرَبَ بَابِي ضَرْبًا شَدِيدًا. فَقَالَ أَثَمَّ هُوَ فَفَزِعْتُ فَخَرَجْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ قَدْ حَدَثَ أَمْرٌ عَظِيمٌ. قَالَ فَدَخَلْتُ عَلَى حَفْصَةَ فَإِذَا هِيَ تَبْكِي فَقُلْتُ طَلَّقَكُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ لاَ أَدْرِي. ثُمَّ دَخَلْتُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ وَأَنَا قَائِمٌ أَطَلَّقْتَ نِسَاءَكَ قَالَ " لاَ ". فَقُلْتُ اللَّهُ أَكْبَرُ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৯০
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০. ওয়ায-নাসীহত বা শিক্ষাদানের সময় অপছন্দনীয় কিছু দেখলে রাগ করা
৯০। মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর (রাহঃ) ......... আবু মাসউদ আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি নামাযে (জামাতে) শামিল হতে পারি না। কারণ, অমুক ব্যক্তি আমাদের নিয়ে খুব লম্বা করে নামায আদায় করেন। [আবু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন,] আমি নবী (ﷺ)-কে কোন ওয়াযের মজলিসে সেদিনের তুলনায় বেশী রাগান্বিত হতে দেখিনি। (রাগত স্বরে) তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! তোমরা মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি কর। অতএব যে লোকদের নিয়ে নামায আদায় করবে সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ, তাদের মধ্যে রোগী, দুর্বল ও কর্মব্যস্ত লোকও থাকে।
كتاب العلم
باب الْغَضَبِ فِي الْمَوْعِظَةِ وَالتَّعْلِيمِ إِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ، لاَ أَكَادُ أُدْرِكُ الصَّلاَةَ مِمَّا يُطَوِّلُ بِنَا فُلاَنٌ، فَمَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي مَوْعِظَةٍ أَشَدَّ غَضَبًا مِنْ يَوْمِئِذٍ فَقَالَ " أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّكُمْ مُنَفِّرُونَ، فَمَنْ صَلَّى بِالنَّاسِ فَلْيُخَفِّفْ، فَإِنَّ فِيهِمُ الْمَرِيضَ وَالضَّعِيفَ وَذَا الْحَاجَةِ ".
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯১
আন্তর্জাতিক নং: ৯১
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০. অপছন্দনীয় কিছু দেখলে ওয়ায-নাসীহত বা শিক্ষাদানের সময় রাগ করা
৯১। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... যায়দ ইবনে খালিদ জুহানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-কে হারানো বস্তু প্রাপ্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেনঃ তার বাঁধনের রশি অথবা বললেন, থলে-ঝুলি ভাল করে চিনে রাখ। এরপর এক বছর পর্যন্ত তার ঘোষণা দিতে থাক। তারপর (মালিক পাওয়া না গেলে) তুমি তা ব্যবহার কর। এরপর যদি এর মালিক আসে তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। সে বলল, হারানো উট পাওয়া গেলে? এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন রেগে গেলেন যে, তাঁর চেহারা মুবারক লাল হয়ে গেল। অথবা বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর মুখমণ্ডল লাল হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ উট নিয়ে তোমার কি হয়েছে? তার তো আছে পানির মশক ও শক্ত পা। পানির কাছে যেতে পারে এবং গাছের লতা-পাতা খেতে পারে। তাই তাকে ছেড়ে দাও, যাতে মালিক তাকে পেয়ে যায়। সে বলল, হারানো বকরী পাওয়া গেলে? তিনি বললেন, সেটি তোমার, নয়ত তোমার ভাইয়ের, নয়ত বাঘের।
كتاب العلم
باب الْغَضَبِ فِي الْمَوْعِظَةِ وَالتَّعْلِيمِ إِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ الْمَدِينِيُّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَأَلَهُ رَجُلٌ عَنِ اللُّقَطَةِ فَقَالَ " اعْرِفْ وِكَاءَهَا ـ أَوْ قَالَ وِعَاءَهَا ـ وَعِفَاصَهَا، ثُمَّ عَرِّفْهَا سَنَةً، ثُمَّ اسْتَمْتِعْ بِهَا، فَإِنْ جَاءَ رَبُّهَا فَأَدِّهَا إِلَيْهِ ". قَالَ فَضَالَّةُ الإِبِلِ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ ـ أَوْ قَالَ احْمَرَّ وَجْهُهُ ـ فَقَالَ " وَمَا لَكَ وَلَهَا مَعَهَا سِقَاؤُهَا وَحِذَاؤُهَا، تَرِدُ الْمَاءَ، وَتَرْعَى الشَّجَرَ، فَذَرْهَا حَتَّى يَلْقَاهَا رَبُّهَا ". قَالَ فَضَالَّةُ الْغَنَمِ قَالَ " لَكَ أَوْ لأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯২
আন্তর্জাতিক নং: ৯২
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০. অপছন্দনীয় কিছু দেখলে ওয়ায-নাসীহত বা শিক্ষাদানের সময় রাগ করা
৯২। মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রাহঃ) ......... আবু মুসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার নবী করীম (ﷺ)-কে কয়েকটি অপছন্দনীয় বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। প্রশ্নের সংখ্যা যখন বেশী হয়ে গেল, তখন তিনি রেগে গিয়ে লোকদের বললেনঃ তোমরা আমার কাছে যা ইচ্ছা প্রশ্ন কর। এক ব্যক্তি বলল, আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হুযাফা। আর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হল শায়বার মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) সালিম। তখন উমর (রাযিঃ) রাসূলূল্লাহ (ﷺ) এর চেহারার অবস্থা দেখে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা মহান আল্লাহ্ তা'আলার কাছে তওবা করছি।
كتاب العلم
باب الْغَضَبِ فِي الْمَوْعِظَةِ وَالتَّعْلِيمِ إِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَشْيَاءَ كَرِهَهَا، فَلَمَّا أُكْثِرَ عَلَيْهِ غَضِبَ، ثُمَّ قَالَ لِلنَّاسِ " سَلُونِي عَمَّا شِئْتُمْ ". قَالَ رَجُلٌ مَنْ أَبِي قَالَ " أَبُوكَ حُذَافَةُ ". فَقَامَ آخَرُ فَقَالَ مَنْ أَبِي يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ " أَبُوكَ سَالِمٌ مَوْلَى شَيْبَةَ ". فَلَمَّا رَأَى عُمَرُ مَا فِي وَجْهِهِ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا نَتُوبُ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ.
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ৯৩
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭১। ইমাম বা মুহাদ্দিসের সামনে হাঁটু গেড়ে বসা
৯৩। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একবার রাসূলূল্লাহ (ﷺ) বের হলেন। তখন আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাফা দাঁড়িয়ে বললেন, আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হুযাফা। এরপর তিনি বারবার বলতে লাগলেন, তোমরা আমার কাছে প্রশ্ন কর। উমর (রাযিঃ) তখন হাঁটু গেড়ে বসে বললেনঃ আমরা আল্লাহকে রব হিসাবে, ইসলামকে দ্বীন হিসাবে এবং মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে নবী হিসেবে সন্তুষ্ট চিত্তে গ্রহণ করে নিয়েছি। তিনি এ কথা তিনবার বললেন। তখন রাসূলূল্লাহ (ﷺ) নীরব হলেন।
كتاب العلم
باب مَنْ بَرَكَ عَلَى رُكْبَتَيْهِ عِنْدَ الإِمَامِ أَوِ الْمُحَدِّثِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ، فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُذَافَةَ فَقَالَ مَنْ أَبِي فَقَالَ " أَبُوكَ حُذَافَةُ ". ثُمَّ أَكْثَرَ أَنْ يَقُولَ " سَلُونِي ". فَبَرَكَ عُمَرُ عَلَى رُكْبَتَيْهِ فَقَالَ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم نَبِيًّا، فَسَكَتَ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ৯৪
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭২। ভালবাবে বুঝবার জন্য কোন কথা তিনবার বলা।
নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ ‘মিথ্যা কথা থেকে সাবধান!’ এ কথাটি তিনি বারবার বলতে লাগলেন। ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) (বিদায় হজ্জে) বলেছেনঃ আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার বলেছেন।
নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ ‘মিথ্যা কথা থেকে সাবধান!’ এ কথাটি তিনি বারবার বলতে লাগলেন। ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) (বিদায় হজ্জে) বলেছেনঃ আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার বলেছেন।
৯৪। আব্দা (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন সালাম করতেন, তিনবার সালাম করতেন। আর যখন কোন কথা বলতেন তখন তা তিনবার বলতেন।
كتاب العلم
باب مَنْ أَعَادَ الْحَدِيثَ ثَلاَثًا لِيُفْهَمَ عَنْهُ فَقَالَ أَلاَ وَقَوْلُ الزُّورِ فَمَا زَالَ يُكَرِّرُهَا وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم هَلْ بَلَّغْتُ ثَلاَثًا.
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا سَلَّمَ سَلَّمَ ثَلاَثًا، وَإِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ أَعَادَهَا ثَلاَثًا.
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৯৫
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭২। ভালবাবে বুঝবার জন্য কোন কথা তিনবার বলা
৯৫। আব্দা ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) যখন কোন কথা বলতেন তখন তা তিনবার বলতেন যাতে তা বুঝে নেয়া যায়। আর যখন কোন কওমের নিকট এসে সালাম করতেন, তাদের প্রতি তিনবার সালাম করতেন।
كتاب العلم
باب مَنْ أَعَادَ الْحَدِيثَ ثَلاَثًا لِيُفْهَمَ عَنْهُ
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ أَعَادَهَا ثَلاَثًا حَتَّى تُفْهَمَ عَنْهُ، وَإِذَا أَتَى عَلَى قَوْمٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثَلاَثًا.
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৯৬
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭২। ভালবাবে বুঝবার জন্য কোন কথা তিনবার বলা
৯৬। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের এক সফরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পেছনে রয়ে গেলেন। এরপর তিনি আমাদের নিকট এমন সময় পৌঁছলেন যখন আমাদের আসরের নামাযের প্রস্তুতিতে দেরী হয়ে গিয়েছিল। আমরা উযু করতে গিয়ে আমাদের পা মোটামুটিভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উচ্চস্বরে ঘোষণা দিলেনঃ পায়ের গোড়ালী শুকনো থাকার জন্য জাহান্নামের শাস্তি রয়েছে। তিনি একথা দুবার কিংবা তিনবার বললেন।
كتاب العلم
باب مَنْ أَعَادَ الْحَدِيثَ ثَلاَثًا لِيُفْهَمَ عَنْهُ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ أَرْهَقْنَا الصَّلاَةَ صَلاَةَ الْعَصْرِ وَنَحْنُ نَتَوَضَّأُ، فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا، فَنَادَى بِأَعْلَى صَوْتِهِ " وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ". مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৯৭
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৩। আপন দাসী ও পরিবারবর্গকে দ্বীন শিক্ষা দান
৯৭। মুহাম্মাদ ইবনে সালাম (রাহঃ) ......... আবু বুরদা (রাহঃ), তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তিন ধরনের লোকের জন্য দুটি সাওয়াব রয়েছেঃ (১) আহলে কিতাব—যে ব্যক্তি তার নবীর ওপর ঈমান এনেছে এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উপরও ঈমান এনেছে। (২) যে ক্রীতদাস আল্লাহর হক আদায় করে এবং তার মালিকের হকও (আদায় করে)। (৩) যার একটি বাঁদী ছিল, যার সাথে সে মিলিত হত। তারপর তাকে সে সুন্দরভাবে আদব-কায়দা শিক্ষা দিয়েছে এবং ভালভাবে দ্বীনী ইলম শিক্ষা দিয়েছে, এরপর তাকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; তার জন্য দুটি সাওয়াব রয়েছে। এরপর বর্ণনাকারী আমের শা'বী (রাহঃ) (তাঁর ছাত্রকে) বলেন, তোমাকে কোন কিছুর বিনিময় ছাড়াই হাদীসটি শিক্ষা দিলাম, অথচ এর চাইতে ছোট হাদীসের জন্যও লোক (দূর-দূরান্ত থেকে) সওয়ার হয়ে মদীনায় আসত।
كتاب العلم
باب تَعْلِيمِ الرَّجُلِ أَمَتَهُ وَأَهْلَهُ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ـ هُوَ ابْنُ سَلاَمٍ ـ حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ حَيَّانَ، قَالَ قَالَ عَامِرٌ الشَّعْبِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ثَلاَثَةٌ لَهُمْ أَجْرَانِ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ آمَنَ بِنَبِيِّهِ، وَآمَنَ بِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم وَالْعَبْدُ الْمَمْلُوكُ إِذَا أَدَّى حَقَّ اللَّهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ، وَرَجُلٌ كَانَتْ عِنْدَهُ أَمَةٌ (يَطَؤُهَا) فَأَدَّبَهَا، فَأَحْسَنَ تَأْدِيبَهَا، وَعَلَّمَهَا فَأَحْسَنَ تَعْلِيمَهَا، ثُمَّ أَعْتَقَهَا فَتَزَوَّجَهَا، فَلَهُ أَجْرَانِ ".
ثُمَّ قَالَ عَامِرٌ أَعْطَيْنَاكَهَا بِغَيْرِ شَىْءٍ، قَدْ كَانَ يُرْكَبُ فِيمَا دُونَهَا إِلَى الْمَدِينَةِ.
ثُمَّ قَالَ عَامِرٌ أَعْطَيْنَاكَهَا بِغَيْرِ شَىْءٍ، قَدْ كَانَ يُرْكَبُ فِيمَا دُونَهَا إِلَى الْمَدِينَةِ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৯৮
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪। আলিম কর্তৃক মহিলাদের নসীহত করা ও দ্বীনি ইলম শিক্ষা দেওয়া
৯৮। সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে সাক্ষ্য রেখে বলছি যে, অথবা পরবর্তী বর্ণনাকারী আতা (রাহঃ) বলেন, আমি ইবনে আব্বাসকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, নবী করীম (ﷺ) (ঈদের দিন পুরুষের কাতার থেকে) বের হলেন আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল (রাযিঃ)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মনে করলেন যে, দূরে থাকার কারণে তাঁর ওয়ায মহিলাদের কাছে পৌঁছেনি। তাই তিনি (পুনরায়) তাঁদের নসীহত করলেন এবং দান-খয়রাত করার উপদেশ দিলেন। তখন মহিলারা কানের দুল ও হাতের আংটি দিয়ে দিতে লাগলেন। আর বিলাল (রাযিঃ) সেগুলি তাঁর কাপড়ের আচঁলে নিতে লাগলেন।
ইসমাঈল (রাহঃ) ......... আতা (রাহঃ) সূত্রে বলেন যে, ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) -কে সাক্ষী রেখে বলছি।
ইসমাঈল (রাহঃ) ......... আতা (রাহঃ) সূত্রে বলেন যে, ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) -কে সাক্ষী রেখে বলছি।
كتاب العلم
باب عِظَةِ الإِمَامِ النِّسَاءَ وَتَعْلِيمِهِنَّ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ سَمِعْتُ عَطَاءً، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ أَشْهَدُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ـ أَوْ قَالَ عَطَاءٌ أَشْهَدُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ وَمَعَهُ بِلاَلٌ، فَظَنَّ أَنَّهُ لَمْ يُسْمِعِ النِّسَاءَ فَوَعَظَهُنَّ، وَأَمَرَهُنَّ بِالصَّدَقَةِ، فَجَعَلَتِ الْمَرْأَةُ تُلْقِي الْقُرْطَ وَالْخَاتَمَ، وَبِلاَلٌ يَأْخُذُ فِي طَرَفِ ثَوْبِهِ.
وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عَطَاءٍ وَقَالَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَشْهَدُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عَطَاءٍ وَقَالَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَشْهَدُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৯৯
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৫। হাদীসের প্রতি আগ্রহ
৯৯। আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হলঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কিয়ামতের দিন আপনার শাফআত লাভে কে সবচাইতে বেশী ভাগ্যবান হবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আবু হুরায়রা! আমি ধারণা করেছিলাম, এ বিষয়ে তোমার আগে আমাকে আর কেউ প্রশ্ন করবে না। কারণ আমি দেখেছি হাদীসের প্রতি তোমার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত লাভে সবচাইতে ভাগ্যবান হবে সেই ব্যক্তি যে খালিস দিলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ (পূর্ণ কালেমা তাইয়েবা) বলে।
كتاب العلم
باب الْحِرْصِ عَلَى الْحَدِيثِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَقَدْ ظَنَنْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ أَنْ لاَ يَسْأَلَنِي عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ أَحَدٌ أَوَّلُ مِنْكَ، لِمَا رَأَيْتُ مِنْ حِرْصِكَ عَلَى الْحَدِيثِ، أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، خَالِصًا مِنْ قَلْبِهِ أَوْ نَفْسِهِ ".
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ১০০
আন্তর্জাতিক নং: ১০০
- ইলমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৬। কিভাবে ইলম তুলে নেয়া হবে।
উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রাহঃ) মদীনায় আবু বকর ইবনে হাযম (রাহঃ)-এর কাছে এক পত্রে লিখেনঃ খোঁজ কর, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর যে হাদীস পাও তা লিখে নাও। আমি ইলম লোপ পাওয়ার এবং আলিমদের বিদায় নেয়ার আশঙ্কা করছি এবং জেনে রাখ, নবী করীম (ﷺ)-এর হাদীস ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করা হবে না এবং প্রত্যেকের উচিৎ ইলমের প্রচার-প্রসার করা, আর তারা যেন একত্রে বসে (ইলমের চর্চা করে,) যাতে যে জানে না সে শিক্ষা লাভ করতে পারে। কারণ ইলম গোপনীয় বিষয় না হওয়া পর্যন্ত বিলুপ্ত হবে না।
আলা ইবনে আব্দুল জব্বার (রাহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার (রাহঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রাহঃ) এর উপরোক্ত হাদীসে আলিমগণের বিদায় নেয়া’ পর্যন্ত বর্ণিত আছে।
উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রাহঃ) মদীনায় আবু বকর ইবনে হাযম (রাহঃ)-এর কাছে এক পত্রে লিখেনঃ খোঁজ কর, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর যে হাদীস পাও তা লিখে নাও। আমি ইলম লোপ পাওয়ার এবং আলিমদের বিদায় নেয়ার আশঙ্কা করছি এবং জেনে রাখ, নবী করীম (ﷺ)-এর হাদীস ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করা হবে না এবং প্রত্যেকের উচিৎ ইলমের প্রচার-প্রসার করা, আর তারা যেন একত্রে বসে (ইলমের চর্চা করে,) যাতে যে জানে না সে শিক্ষা লাভ করতে পারে। কারণ ইলম গোপনীয় বিষয় না হওয়া পর্যন্ত বিলুপ্ত হবে না।
আলা ইবনে আব্দুল জব্বার (রাহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার (রাহঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রাহঃ) এর উপরোক্ত হাদীসে আলিমগণের বিদায় নেয়া’ পর্যন্ত বর্ণিত আছে।
১০০। ইসমাঈল ইবনে আবু উওয়ায়স (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ্ তাআলা বান্দার অন্তর থেকে ইলম বের করে উঠিয়ে নেবেন না; বরং আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার মাধ্যমেই ইলম উঠিয়ে নেবেন। যখন কোন আলিম বাকী থাকবে না তখন লোকেরা জাহিলদেরই নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। তাদের মাসআলা জিজ্ঞাসা করা হবে, তারা না জেনেই ফতোয়া দিবে। ফলে তারা নিজেরাও গোমরাহ হবে, আর অপরকেও গোমরাহ করবে।
ফিরাবরী (রাহঃ) বলেন, আব্বাস (রাহঃ) ......... হিশাম সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত আছে।
ফিরাবরী (রাহঃ) বলেন, আব্বাস (রাহঃ) ......... হিশাম সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত আছে।
كتاب العلم
باب كَيْفَ يُقْبَضُ الْعِلْمُ وَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ انْظُرْ مَا كَانَ مِنْ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاكْتُبْهُ، فَإِنِّي خِفْتُ دُرُوسَ الْعِلْمِ وَذَهَابَ الْعُلَمَاءِ، وَلاَ تَقْبَلْ إِلاَّ حَدِيثَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلْتُفْشُوا الْعِلْمَ، وَلْتَجْلِسُوا حَتَّى يُعَلَّمَ مَنْ لاَ يَعْلَمُ، فَإِنَّ الْعِلْمَ لاَ يَهْلِكُ حَتَّى يَكُونَ سِرًّا.
حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ بِذَلِكَ، يَعْنِي حَدِيثَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى قَوْلِهِ ذَهَابَ الْعُلَمَاءِ.
حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ بِذَلِكَ، يَعْنِي حَدِيثَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى قَوْلِهِ ذَهَابَ الْعُلَمَاءِ.
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ اللَّهَ لاَ يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا، يَنْتَزِعُهُ مِنَ الْعِبَادِ، وَلَكِنْ يَقْبِضُ الْعِلْمَ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ، حَتَّى إِذَا لَمْ يُبْقِ عَالِمًا، اتَّخَذَ النَّاسُ رُءُوسًا جُهَّالاً فَسُئِلُوا، فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ، فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا ". قَالَ الْفِرَبْرِيُّ حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ قَالَ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ هِشَامٍ نَحْوَهُ.
তাহকীক: