হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪১
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৪ - ৪৫৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১০। বর্শা নিয়ে মসজিদে প্রবেশ
৪৪১। আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার ঘরের দরজায় দেখলাম। তখন হাবশার লোকেরা মসজিদে (বর্শা দ্বারা) অনুশীলন করছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর চাঁদর দিয়ে আমাকে আড়াল করে রাখছিলেন। আমি ওদের অনুশীলন দেখছিলাম।
ইবরাহীম ইবনে মুনযির (রাহঃ) আয়িশা (রাযিঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমি নবী (ﷺ) কে দেখলাম এমতাবস্থায়, হাবশীরা তাদের বর্শা নিয়ে অনুশীলন করছিল।
ইবরাহীম ইবনে মুনযির (রাহঃ) আয়িশা (রাযিঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমি নবী (ﷺ) কে দেখলাম এমতাবস্থায়, হাবশীরা তাদের বর্শা নিয়ে অনুশীলন করছিল।
كتاب الصلاة
باب أَصْحَابِ الْحِرَابِ فِي الْمَسْجِدِ
454 - حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا عَلَى بَابِ حُجْرَتِي وَالحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ فِي المَسْجِدِ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتُرُنِي بِرِدَائِهِ، أَنْظُرُ إِلَى لَعِبِهِمْ»
455 - زَادَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ المُنْذِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ بِحِرَابِهِمْ»
455 - زَادَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ المُنْذِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ بِحِرَابِهِمْ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১১। মসজিদের মিম্বরে ক্রয়-বিক্রয়ের আলোচনা
৪৪২। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বারীরা (রাযিঃ) তাঁর কাছে এসে কিতাবতের দেনা শোধের জন্য সাহায্য চাইলেন। তখন তিনি বললেনঃ তুমি চাইলে আমি (তোমার মূল্য) তোমার মালিককে দিয়ে দিব এ শর্তে যে, উত্তরাধিকারস্বত্ব থাকবে আমার। তাঁর মালিক আয়িশা (রাযিঃ)-কে বললোঃ আপনি চাইলে বাকী মূল্য বারীরাকে দিতে পারেন। রাবী সুফিয়ান (রাহঃ) আর একবার বলেছেনঃ আপনি চাইলে তাকে আযাদ করতে পারেন, তবে উত্তরাধিকারস্বত্ব থাকবে আমাদের। যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসলেন তখন আমি তাঁর কাছে ব্যাপারটি বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করে আযাদ করে দাও। কারণ উত্তরাধিকারস্বত্ব থাকে তারই, যে আযাদ করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বরের উপর দাঁড়ালেন। সুফিয়ান (রাহঃ) আর একবার বলেনঃ এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বরে আরোহণ করে বললেনঃ লোকদের কি হল? তারা এমন সব শর্ত করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই। কেউ যদি এমন শর্ত আরোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তাঁর সে শর্তের কোন মূল্য নেই। এমনকি এরূপ শর্ত একশবার আরোপ করলেও।
মালিক (রাহঃ) .... আমরা (রাহঃ) থেকে রাবী’য়া (রাযিঃ) এর ঘটনা বর্ণনা করেছেন, তবে মিম্বরে আরোহণের কথা উল্লেখ করেন নি।
আলী (রাহঃ) .... আমরা (রাহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। জাফর ইবনে আওন (রাহঃ) ইয়াহয়া (রাহঃ) এর মাধ্যমে আমরা (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আমি আয়িশা (রাযিঃ) থেকে শুনেছি।
মালিক (রাহঃ) .... আমরা (রাহঃ) থেকে রাবী’য়া (রাযিঃ) এর ঘটনা বর্ণনা করেছেন, তবে মিম্বরে আরোহণের কথা উল্লেখ করেন নি।
আলী (রাহঃ) .... আমরা (রাহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। জাফর ইবনে আওন (রাহঃ) ইয়াহয়া (রাহঃ) এর মাধ্যমে আমরা (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আমি আয়িশা (রাযিঃ) থেকে শুনেছি।
كتاب الصلاة
باب ذِكْرِ الْبَيْعِ وَالشِّرَاءِ عَلَى الْمِنْبَرِ فِي الْمَسْجِدِ
456 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: أَتَتْهَا بَرِيرَةُ تَسْأَلُهَا فِي كِتَابَتِهَا، فَقَالَتْ: إِنْ شِئْتِ أَعْطَيْتُ أَهْلَكِ وَيَكُونُ الوَلاَءُ لِي، وَقَالَ أَهْلُهَا: إِنْ شِئْتِ أَعْطَيْتِهَا مَا بَقِيَ - وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً: إِنْ شِئْتِ أَعْتَقْتِهَا، وَيَكُونُ الوَلاَءُ لَنَا - فَلَمَّا جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَّرَتْهُ ذَلِكَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ابْتَاعِيهَا فَأَعْتِقِيهَا، فَإِنَّ الوَلاَءَ لِمَنْ أَعْتَقَ» ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى المِنْبَرِ - وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً: فَصَعِدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى المِنْبَرِ - فَقَالَ: «مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا، لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ مَنِ اشْتَرَطَ شَرْطًا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ، فَلَيْسَ لَهُ، وَإِنِ اشْتَرَطَ مِائَةَ مَرَّةٍ» ، قَالَ عَلِيٌّ: قَالَ يَحْيَى، وَعَبْدُ الوَهَّابِ: عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَمْرَةَ، نَحْوَهُ، وَقَالَ جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ يَحْيَى، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَةَ، قَالَتْ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ، وَرَوَاهُ مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَمْرَةَ: أَنَّ بَرِيرَةَ وَلَمْ يَذْكُرْ صَعِدَ المِنْبَرَ
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১২। মসজিদে ঋণ পরিশোধের তাগাদা দেওয়া ও চাপ সৃষ্টি করা
৪৪৩। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... কা’ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি মসজিদের ভিতরে ইবনে আবু হাদরাদ (রাযিঃ) এর কাছে তাঁর পাওনা ঋণের তাগাদা করলেন। দু’জনের মধ্যে এ নিয়ে বেশ উচ্চঃস্বরে কথাবার্তা হল। এমনকি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘর থেকেই তাদের কথার আওয়াজ শুনলেন এবং তিনি পর্দা সরিয়ে তাদের কাছে বেরিয়ে গেলেন। আর ডাক দিয়ে বললেনঃ হে কা’ব! কা’ব (রাযিঃ) উত্তর দিলেন, লাব্বাইক ইয়া রাসুলাল্লাহ! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমর পাওনা ঋণ থেকে এতটুকু ছেড়ে দাও। আর হাতে ইশারা করে বোঝালেন, অর্থাৎ অর্ধেক পরিমাণ। তখন কা’ব (রাযিঃ) বললেনঃ আমি তাই করলাম ইয়া রাসুলাল্লাহ! তখন তিনি ইবনে আবু হাদরাদকে বললেনঃ উঠ আর বাকীটা দিয়ে দাও।
كتاب الصلاة
باب التَّقَاضِي وَالْمُلاَزَمَةِ فِي الْمَسْجِدِ
457 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ كَعْبٍ، أَنَّهُ تَقَاضَى ابْنَ أَبِي حَدْرَدٍ دَيْنًا كَانَ لَهُ عَلَيْهِ فِي المَسْجِدِ، فَارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُهُمَا حَتَّى سَمِعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي بَيْتِهِ، فَخَرَجَ إِلَيْهِمَا حَتَّى كَشَفَ سِجْفَ حُجْرَتِهِ، فَنَادَى: «يَا كَعْبُ» قَالَ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «ضَعْ مِنْ دَيْنِكَ هَذَا» وَأَوْمَأَ إِلَيْهِ: أَيِ الشَّطْرَ، قَالَ: لَقَدْ فَعَلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «قُمْ فَاقْضِهِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৩। মসজিদ ঝাড়ু দেওয়া এবং ন্যাকড়া, আবর্জনা ও কাঠ খড়ি কুড়ানো।
৪৪৪। সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একজন কালো বর্ণের পুরুষ অথবা বলেছেন কাল বর্ণের মহিলা মসজিদ ঝাড়ু দিত। সে ইন্তিকাল করল। নবী (ﷺ) তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাহাবীগণ বললেন, সে ইন্তিকাল করেছে। তিনি বললেনঃ তোমরা আমাকে খবর দিলে না কেন? আমাকে তার কবরটা দেখিয়ে দাও। তারপর তিনি তার কবরের কাছে গেলেন এবং তার জানাযার নামায আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
باب كَنْسِ الْمَسْجِدِ وَالْتِقَاطِ الْخِرَقِ وَالْقَذَى وَالْعِيدَانِ
458 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَجُلًا أَسْوَدَ أَوِ امْرَأَةً سَوْدَاءَ كَانَ يَقُمُّ المَسْجِدَ فَمَاتَ، فَسَأَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهُ، فَقَالُوا: مَاتَ، قَالَ: «أَفَلاَ كُنْتُمْ آذَنْتُمُونِي بِهِ دُلُّونِي عَلَى قَبْرِهِ - أَوْ قَالَ قَبْرِهَا - فَأَتَى قَبْرَهَا فَصَلَّى عَلَيْهَا»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৪। মসজিদে মদের ব্যবসা হারাম ঘোষণা করা
৪৪৫। আবদান (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মদ সম্পর্কীয় সূরা বাকারার আয়াতসমূহ নাযিল হলে নবী (ﷺ) মসজিদে গিয়ে সে সব আয়াত সাহাবীগণকে পাঠ করে শোনালেন। তারপর তিনি মদের ব্যবসা হারাম ঘোষণা করলেন।
كتاب الصلاة
باب تَحْرِيمِ تِجَارَةِ الْخَمْرِ فِي الْمَسْجِدِ
459 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَمَّا أُنْزِلَتِ الآيَاتُ مِنْ سُورَةِ البَقَرَةِ فِي الرِّبَا، «خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى المَسْجِدِ فَقَرَأَهُنَّ عَلَى النَّاسِ، ثُمَّ حَرَّمَ تِجَارَةَ الخَمْرِ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৫। মসজিদের জন্য খাদিম।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) (এ আয়াত) আমার গর্ভে যা আছে তা একান্ত আপনার জন্য উৎসর্গ করলাম’ (৩ : ৩৫)। এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ মসজিদের খিদমতের জন্য উৎসর্গ করলাম।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) (এ আয়াত) আমার গর্ভে যা আছে তা একান্ত আপনার জন্য উৎসর্গ করলাম’ (৩ : ৩৫)। এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ মসজিদের খিদমতের জন্য উৎসর্গ করলাম।
৪৪৬। আহমদ ইবনে ওয়াকীদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একজন পুরুষ অথবা বলেছেন একজন মহিলা মসজিদ ঝাড়ু দিতেন। [রাবী সাবিত (রাহঃ) বলেন] আমার মনে হয় তিনি বলেছেন একজন মহিলা। তারপর তিনি নবী (ﷺ) এর হাদীস বর্ণনা করে বলেন, নবী (ﷺ) তার কবরে জানাযার নামায আদায় করেছেন।
كتاب الصلاة
باب الْخَدَمِ لِلْمَسْجِدِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: (نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا) لِلْمَسْجِدِ يَخْدُمُهُ
460 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ وَاقِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ امْرَأَةً - أَوْ رَجُلًا - كَانَتْ تَقُمُّ المَسْجِدَ - وَلاَ أُرَاهُ إِلَّا امْرَأَةً - فَذَكَرَ حَدِيثَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «أَنَّهُ صَلَّى عَلَى قَبْرِهَا»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৬। কয়েদী অথবা ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে মসজিদে বেঁধে রাখা
৪৪৭। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ গত রাতে একটা অবাধ্য জ্বীন হঠাৎ করে আমার সামনে প্রকাশ পেল। রাবী বলেন, অথবা তিনি অনুরূপ কোন কথা বলেছেন, যেন সে আমার নামাযে বাধা সৃষ্টি করে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর ক্ষমতা দিলেন। আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, তাকে মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি, যাতে ভোরবেলা তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও। কিন্তু তখন আমার ভাই সুলাইমান (আলাইহিস সালাম) এর উক্তি আমার স্মরণ হল, “হে রব! আমাকে দান কর এমন রাজত্ব যার অধিকারী আমার পরে আর কেউ না হয়।” (৩৮ : ৩৫)
(বর্ণনাকারী) রাওহ (রাহঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) সেই শয়তানটিকে অপমানিত অবস্থায় তাড়িয়ে দিলেন।
(বর্ণনাকারী) রাওহ (রাহঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) সেই শয়তানটিকে অপমানিত অবস্থায় তাড়িয়ে দিলেন।
كتاب الصلاة
باب الأَسِيرِ أَوِ الْغَرِيمِ يُرْبَطُ فِي الْمَسْجِدِ
461 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا رَوْحٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنَّ عِفْرِيتًا مِنَ الجِنِّ تَفَلَّتَ عَلَيَّ البَارِحَةَ - أَوْ كَلِمَةً نَحْوَهَا - لِيَقْطَعَ عَلَيَّ الصَّلاَةَ، فَأَمْكَنَنِي اللَّهُ مِنْهُ، فَأَرَدْتُ أَنْ أَرْبِطَهُ إِلَى سَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي المَسْجِدِ حَتَّى تُصْبِحُوا وَتَنْظُرُوا إِلَيْهِ كُلُّكُمْ، فَذَكَرْتُ قَوْلَ أَخِي سُلَيْمَانَ: رَبِّ هَبْ لِي مُلْكًا لاَ يَنْبَغِي لِأَحَدٍ مِنْ بَعْدِي "، قَالَ رَوْحٌ: «فَرَدَّهُ خَاسِئًا»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭। ইসলাম গ্রহণের সময় গোসল করা এবং কয়েদীকে মসজিদে বাঁধা।
কাযী শুরাইহ (রাহঃ) দেনাদার ব্যক্তিকে মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখার নির্দেশ দিতেন।
কাযী শুরাইহ (রাহঃ) দেনাদার ব্যক্তিকে মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখার নির্দেশ দিতেন।
৪৪৮। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) কয়েকজন অশ্বারোহী মুজাহিদকে নজদের দিকে পাঠালেন। তারা বনু হানীফা গোত্রের ছুমামা ইবনে উছাল নামক এক ব্যক্তিকে নিয়ে এসে তাকে মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখলেন। নবী (ﷺ) তার কাছে গেলেন এবং বললেনঃ ছুমামাকে ছেড়ে দাও। (ছাড়া পেয়ে) তিনি মসজিদে নববীর নিকটে এক খেজুর বাগানে গিয়ে সেখানে গোসল করলেন, এরপর মসজিদে প্রবেশ করে বললেনঃ (أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ) “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল।”
كتاب الصلاة
بَابُ الاِغْتِسَالِ إِذَا أَسْلَمَ، وَرَبْطِ الأَسِيرِ أَيْضًا فِي الْمَسْجِدِ وَكَانَ شُرَيْحٌ يَأْمُرُ الْغَرِيمَ أَنْ يُحْبَسَ إِلَى سَارِيَةِ الْمَسْجِدِ
462 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: بَعَثَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْلًا قِبَلَ نَجْدٍ، فَجَاءَتْ بِرَجُلٍ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ يُقَالُ لَهُ: ثُمَامَةُ بْنُ أُثَالٍ، فَرَبَطُوهُ بِسَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي المَسْجِدِ، فَخَرَجَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَطْلِقُوا ثُمَامَةَ» ، فَانْطَلَقَ إِلَى نَخْلٍ قَرِيبٍ مِنَ [ص:100] المَسْجِدِ، فَاغْتَسَلَ، ثُمَّ دَخَلَ المَسْجِدَ، فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৮। রোগী ও অন্যদের জন্য মসজিদে তাঁবু স্থাপন
৪৪৯। যাকারিয়্যা ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ খন্দকের যুদ্ধে সা’দ (রাযিঃ) এর হাতের শিরা যখম হয়েছিল। নবী (ﷺ) মসজিদে (তাঁর জন্য) একটা তাঁবু স্থাপন করলেন। যাতে কাছে থেকে তাঁর দেখাশোনা করতে পারেন। মসজিদে বনু গিফারেরও একটা তাঁবু ছিল। সা’দ (রাযিঃ) এর প্রচুর রক্ত তাদের দিকে প্রবাহিত হওয়ায় তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে তাঁবুর লোকেরা! তোমাদের তাঁবু থেকে আমাদের দিকে কি প্রবাহিত হচ্ছে? তখন দেখা গেল যে, সা’দের যখম থেকে প্রচুর রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। অবশেষে এতেই তিনি ইনতিকাল করলেন।
كتاب الصلاة
باب الْخَيْمَةِ فِي الْمَسْجِدِ لِلْمَرْضَى وَغَيْرِهِمْ
463 - حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: أُصِيبَ سَعْدٌ يَوْمَ الخَنْدَقِ فِي الأَكْحَلِ، «فَضَرَبَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْمَةً فِي المَسْجِدِ، لِيَعُودَهُ مِنْ قَرِيبٍ فَلَمْ يَرُعْهُمْ» وَفِي المَسْجِدِ خَيْمَةٌ مِنْ بَنِي غِفَارٍ، إِلَّا الدَّمُ يَسِيلُ إِلَيْهِمْ، فَقَالُوا: يَا أَهْلَ الخَيْمَةِ، مَا هَذَا الَّذِي يَأْتِينَا مِنْ قِبَلِكُمْ؟ فَإِذَا سَعْدٌ يَغْذُو جُرْحُهُ دَمًا، فَمَاتَ فِيهَا
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫০
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৯। প্রয়োজনে উট নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করা।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) নিজের উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেছেন।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) নিজের উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেছেন।
৪৫০। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূল (ﷺ) এর কাছে (বিদায় হজ্জে) আমার অসুস্থতার কথা জানালাম। তিনি বললেনঃ সওয়ার হয়ে লোকদের হতে বাইরে থেকে তওয়াফ করে নাও। তখন আমি (সেভাবে) তওয়াফ করলাম। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়তুল্লাহর পাশে নামায আদায় করছিলেন। তিনি “সূরা ওয়াত-তুরি ওয়া কিতাবিম-মাসতূর” তিলাওয়াত করছিলেন।
كتاب الصلاة
بَابُ إِدْخَالِ البَعِيرِ فِي المَسْجِدِ لِلْعِلَّةِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «طَافَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى بَعِيرٍ»
464 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: شَكَوْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنِّي أَشْتَكِي قَالَ: «طُوفِي مِنْ وَرَاءِ النَّاسِ وَأَنْتِ رَاكِبَةٌ» فَطُفْتُ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي إِلَى جَنْبِ البَيْتِ يَقْرَأُ بِالطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫১
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ।
৪৫১। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রাহঃ) .... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এর দু’জন সাহাবী নবী (ﷺ) এর নিকট থেকে অন্ধকার রাতে বের হলেন। তাঁদের একজন আব্বাদ ইবনে বিশর (রাযিঃ) আর দ্বিতীয় জন সম্পর্কে আমার ধারণা যে, তিনি ছিলেন উসাইদ ইবনে হুযাইর (রাযিঃ), আর উভয়ের সাথে চেরাগ সদৃশ কিছু ছিল, যা তাঁদের সামনের দিকটাকে আলোকিত করছিল। তাঁরা উভয়ে যখন পৃথক হয়ে গেলেন, তখন প্রত্যেকের সাথে একটা করে রয়ে গেল। অবশেষে এভাবে তাঁরা নিজেদের বাড়ীতে পৌছলেন।
كتاب الصلاة
بَابُ إِدْخَالِ البَعِيرِ فِي المَسْجِدِ لِلْعِلَّةِ
465 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ المُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ «أَنَّ رَجُلَيْنِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَا مِنْ عِنْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي لَيْلَةٍ مُظْلِمَةٍ، وَمَعَهُمَا مِثْلُ المِصْبَاحَيْنِ يُضِيئَانِ بَيْنَ أَيْدِيهِمَا، فَلَمَّا افْتَرَقَا صَارَ مَعَ كُلِّ وَاحِدٍ، مِنْهُمَا وَاحِدٌ حَتَّى أَتَى أَهْلَهُ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১। মসজিদে ছোট দরজা ও পথ বানানো
৪৫২। মুহাম্মাদ ইবনে সিনান (রাহঃ) .... আবু সা’ঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) এক ভাষণে বললেনঃ আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাকে দুনিয়া ও আল্লাহর কাছে যা আছে-এ দুয়ের মধ্যে একটি গ্রহণের ইখতিয়ার দিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে যা আছে, তা গ্রহণ করলেন। তখন আবু বকর (রাযিঃ) কাঁদতে লাগলেন। আমি মনে মনে ভাবলাম, এই বৃদ্ধ কাঁদছেন কেন? আল্লাহ তাঁর এক বান্দাকে দুনিয়া ও আল্লাহর কাছে রয়েছে, এ দুয়ের একটা গ্রহণ করার ইখতিয়ার দিলে তিনি আল্লাহর কাছে যা আছে তা গ্রহণ করেছেন (এতে কাঁদার কি আছে?)। মূলত রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-ই ছিলেন সেই বান্দা। আর আবু বকর (রাযিঃ) ছিলেন আমাদের মাঝে সর্বাধিক জ্ঞানী। নবী (ﷺ) বলেনঃ হে আবু বকর, তুমি কাঁদবে না। নিজের সাহচর্য ও সম্পদ দিয়ে আমাকে যিনি সবচাইতে বেশী ইহসান করেছেন তিনি আবু বকর। আমার কোন উম্মতকে যদি আমি খলীল (অন্তরং্গ বন্ধু) রূপে গ্রহণ করতাম, তবে তিনি হতেন আবু বকর। কিন্তু তাঁর সাথে রয়েছে ইসলামের ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য। আবু বকরের দরজা ব্যতীত মসজিদের কোন দরজাই রাখা হবে না, সবই বন্ধ করা হবে।
كتاب الصلاة
باب الْخَوْخَةِ وَالْمَمَرِّ فِي الْمَسْجِدِ
466 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، قَالَ: خَطَبَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ خَيَّرَ عَبْدًا بَيْنَ الدُّنْيَا وَبَيْنَ مَا عِنْدَهُ فَاخْتَارَ مَا عِنْدَ اللَّهِ» ، فَبَكَى أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَقُلْتُ فِي نَفْسِي مَا يُبْكِي هَذَا الشَّيْخَ؟ إِنْ يَكُنِ اللَّهُ خَيَّرَ عَبْدًا بَيْنَ الدُّنْيَا وَبَيْنَ مَا عِنْدَهُ، فَاخْتَارَ مَا عِنْدَ اللَّهِ، فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ العَبْدَ، وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ أَعْلَمَنَا، قَالَ: «يَا أَبَا بَكْرٍ لاَ تَبْكِ، إِنَّ أَمَنَّ النَّاسِ عَلَيَّ فِي صُحْبَتِهِ وَمَالِهِ أَبُو بَكْرٍ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلًا مِنْ أُمَّتِي لاَتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ، وَلَكِنْ أُخُوَّةُ الإِسْلاَمِ وَمَوَدَّتُهُ، لاَ يَبْقَيَنَّ فِي المَسْجِدِ بَابٌ إِلَّا سُدَّ، إِلَّا بَابُ أَبِي بَكْرٍ»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১। মসজিদে ছোট দরজা ও পথ বানানো
৪৫৩। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ জু’ফী (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অন্তিম রোগের সময় এক টুকরা কাপড় মাথায় পেঁচিয়ে বাইরে এসে মিম্বরে বসলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও সানা সিফাত বর্ণনার পর বললেনঃ জান-মাল দিয়ে আবু বকর ইবনে আবু কুহাফার চাইতে অধিক কেউ আমার প্রতি ইহসান করেনি। আমি কাউকেও অন্তরং্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে অবশ্যই আবু বকরকে গ্রহণ করতাম। তবে ইসলামের বন্ধুত্বই উত্তম। আবু বকরের দরজা ব্যতীত এই মসজিদের সকল ছোট দরজা বন্ধ করে দাও।
كتاب الصلاة
باب الْخَوْخَةِ وَالْمَمَرِّ فِي الْمَسْجِدِ
467 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الجُعْفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ يَعْلَى بْنَ حَكِيمٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ، عَاصِبٌ رَأْسَهُ بِخِرْقَةٍ، فَقَعَدَ عَلَى المِنْبَرِ [ص:101]، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّهُ لَيْسَ مِنَ النَّاسِ أَحَدٌ أَمَنَّ عَلَيَّ فِي نَفْسِهِ وَمَالِهِ مِنْ أَبِي بكْرِ بْنِ أَبِي قُحَافَةَ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا مِنَ النَّاسِ خَلِيلًا لاَتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلِيلًا، وَلَكِنْ خُلَّةُ الإِسْلاَمِ أَفْضَلُ، سُدُّوا عَنِّي كُلَّ خَوْخَةٍ فِي هَذَا المَسْجِدِ، غَيْرَ خَوْخَةِ أَبِي بَكْرٍ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২২। বায়তুল্লাহ শরীফে ও অন্যান্য মসজিদে দরজা রাখা ও তালা লাগানো।
আবু আব্দুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রাহঃ)] বলেনঃ আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ বলেছেন যে, আমাকে সুফিয়ান (রাহঃ) ইবনে জুরাইজ (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ আমাকে ইবনে আবী মুলায়কা (রাহঃ) বলেছেন, হে আব্দুল মালিক! তুমি ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর মসজিদ ও তাঁর দরজাগুলো যদি দেখতে।
আবু আব্দুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রাহঃ)] বলেনঃ আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ বলেছেন যে, আমাকে সুফিয়ান (রাহঃ) ইবনে জুরাইজ (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ আমাকে ইবনে আবী মুলায়কা (রাহঃ) বলেছেন, হে আব্দুল মালিক! তুমি ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর মসজিদ ও তাঁর দরজাগুলো যদি দেখতে।
৪৫৪। আবু নু’মান ও কুতায়বা (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) যখন মক্কায় আসেন তখন উসমান ইবনে তালহা (রাযিঃ)-কে ডাকলেন। তিনি দরজা খুলে দিলে নবী (ﷺ), বিলাল, উসামা ইবনে যায়দ ও উসমান ইবনে তালহা (রাযিঃ) ভিতরে গেলেন। তারপর দরজা বন্ধ করে দেয়া হল। তিনি সেখানে কিছুক্ষণ থাকলেন। তারপর সবাই বের হলেন। ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেনঃ আমি তাড়াতাড়ি গিয়ে বিলাল (রাযিঃ) কে (নামাযের কথা) জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) ভিতরে নামায আদায় করেছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ কোন স্থানে? তিনি বলেনঃ দুই স্তম্ভের মাঝামাঝি। ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেনঃ কয় রাকআত আদায় করেছেন তা জিজ্ঞাসা করতে আমি ভুলে গিয়েছিলাম।
كتاب الصلاة
بَابُ الأَبْوَابِ وَالغَلَقِ لِلْكَعْبَةِ وَالمَسَاجِدِ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَقَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: قَالَ لِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ: «يَا عَبْدَ المَلِكِ، لَوْ رَأَيْتَ مَسَاجِدَ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَبْوَابَهَا»
468 - حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدِمَ مَكَّةَ فَدَعَا عُثْمَانَ بْنَ طَلْحَةَ فَفَتَحَ البَابَ فَدَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِلاَلٌ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ، ثُمَّ أَغْلَقَ البَابَ، فَلَبِثَ فِيهِ سَاعَةً، ثُمَّ خَرَجُوا» قَالَ ابْنُ عُمَرَ: فَبَدَرْتُ فَسَأَلْتُ بِلاَلًا فَقَالَ: صَلَّى فِيهِ، فَقُلْتُ: فِي أَيٍّ؟ قَالَ: بَيْنَ الأُسْطُوَانَتَيْنِ، قَالَ: ابْنُ عُمَرَ: فَذَهَبَ عَلَيَّ أَنْ أَسْأَلَهُ كَمْ صَلَّى
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২৩। মসজিদে মুশরিকের প্রবেশ
৪৫৫। কুতায়বা (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কতিপয় অশ্বারোহী সৈন্য নজদ অভিমুখে পাঠালেন। তারা বনু হানীফা গোত্রের ছুমামা ইবনে উছাল নামক এক ব্যক্তিকে নিয়ে এলেন। তারপর তাকে মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখলেন।
كتاب الصلاة
باب دُخُولِ الْمُشْرِكِ الْمَسْجِدَ
469 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: " بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْلًا قِبَلَ نَجْدٍ، فَجَاءَتْ بِرَجُلٍ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ يُقَالُ لَهُ: ثُمَامَةُ بْنُ أُثَالٍ، فَرَبَطُوهُ بِسَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي المَسْجِدِ "
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২৪। মসজিদে আওয়াজ উঁচু করা
৪৫৬। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... সায়িব ইবনে ইয়াযীদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি মসজিদে নববীতে দাঁড়িয়েছিলাম। এমন সময় একজন লোক আমার দিকে একটা কাঁকর নিক্ষেপ করলো। আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)। তিনি বললেনঃ যাও, এ দু’জনকে আমার কাছে নিয়ে এস। আমি তাদের নিয়ে তাঁর কাছে এলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কারা? অথবা তিনি বললেনঃ তোমরা কোন স্থানের লোক? তারা বললোঃ আমরা তায়েফের অধিবাসী। তিনি বললেনঃ তোমরা যদি মদীনার লোক হতে, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা দু’জনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মসজিদে উচ্চঃস্বরে কথা বলছো!
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الصَّوْتِ فِي الْمَسَاجِدِ
470 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الجُعَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ خُصَيْفَةَ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: كُنْتُ قَائِمًا فِي المَسْجِدِ فَحَصَبَنِي رَجُلٌ، فَنَظَرْتُ فَإِذَا عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ، فَقَالَ: اذْهَبْ فَأْتِنِي بِهَذَيْنِ، فَجِئْتُهُ بِهِمَا، قَالَ: مَنْ أَنْتُمَا - أَوْ مِنْ أَيْنَ أَنْتُمَا؟ - قَالاَ: مِنْ أَهْلِ الطَّائِفِ، قَالَ: «لَوْ كُنْتُمَا مِنْ أَهْلِ البَلَدِ لَأَوْجَعْتُكُمَا، تَرْفَعَانِ أَصْوَاتَكُمَا فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২৪। মসজিদে আওয়াজ উঁচু করা
৪৫৭। আহমদ ইবনে সালিহ (রাহঃ) ..... কা’ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে তিনি ইবনে আবু হাদরাদের কাছে তাঁর প্রাপ্য সম্পর্কে মসজিদে নববীতে তাগাদা করেন। এতে উভয়ের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। এমনকি সে আওয়াজ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘর থেকে শুনতে পেলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘরের পর্দা সরিয়ে তাদের দিকে বের হয়ে এলেন এবং কা’ব ইবনে মালিককে ডেকে বললেনঃ হে কা’ব! উত্তরে কা’ব (রাযিঃ) বললেনঃ লাব্বায়কা ইয়া রাসুলাল্লাহ! তখন নবী (ﷺ) হাতে ইশারা করলেন যে, তোমার প্রাপ্য থেকে অর্ধেক ছেড়ে দাও। কা’ব (রাযিঃ) বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি তাই করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইবনে আবু হাদরাদ (রাযিঃ)-কে বললেনঃ উঠ এবার (বাকী) ঋণ পরিশোধ কর।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الصَّوْتِ فِي الْمَسَاجِدِ
471 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ تَقَاضَى ابْنَ أَبِي حَدْرَدٍ دَيْنًا لَهُ عَلَيْهِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي المَسْجِدِ، فَارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُهُمَا حَتَّى سَمِعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي بَيْتِهِ، فَخَرَجَ إِلَيْهِمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى كَشَفَ سِجْفَ حُجْرَتِهِ، وَنَادَى كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ: «يَا كَعْبُ» قَالَ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَأَشَارَ بِيَدِهِ أَنْ ضَعِ الشَّطْرَ مِنْ دَيْنِكَ، قَالَ كَعْبٌ: قَدْ فَعَلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قُمْ فَاقْضِهِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২৫। মসজিদে হালকা বাঁধা ও বসা।
৪৫৮। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন সাহাবী নবী (ﷺ)-কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বরে ছিলেন; আপনি রাতের নামায কিভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বললেনঃ দু-দু’রাকআত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাকআত আদায় করে নিবে। আর এইটি তার পূর্ববর্তী নামাযকে বিতর করে দেবে।
[নাফি (রাহঃ) বলেন] ইবনে উমর (রাযিঃ) বলতেনঃ তোমরা বিতরকে রাতের শেষ নামায হিসাবে আদায় কর। কেননা নবী (ﷺ) এই নির্দেশ দিয়েছেন।
[নাফি (রাহঃ) বলেন] ইবনে উমর (রাযিঃ) বলতেনঃ তোমরা বিতরকে রাতের শেষ নামায হিসাবে আদায় কর। কেননা নবী (ﷺ) এই নির্দেশ দিয়েছেন।
كتاب الصلاة
باب الْحِلَقِ وَالْجُلُوسِ فِي الْمَسْجِدِ
472 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ المُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عَلَى المِنْبَرِ، مَا تَرَى فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ، قَالَ: «مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً، فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا صَلَّى» وَإِنَّهُ كَانَ يَقُولُ: اجْعَلُوا آخِرَ صَلاَتِكُمْ وِتْرًا، فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِهِ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২৫। মসজিদে হালকা বাঁধা ও বসা।
৪৫৯। আবু নু’মান (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, এক সাহাবী নবী (ﷺ) এর কাছে এমন সময় আসলেন যখন তিনি খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ রাতের নামায কিভাবে আদায় করতে হয়? নবী (ﷺ) বললেনঃ দু’রাকআত দু’রাকআত করে আদায় করবে। আর যখন ভোর হওয়ার আশঙ্কা করবে, তখন আরো এক রাকআত আদায় করে নিবে। সে রাকআত তোমার আগের নামাযকে বিতর করে দিবে।
ওয়ালীদ ইবনে কাসীর (রাহঃ) বলেনঃ উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) আমার কাছে বলেছেন যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাঁদের বলেছেনঃ এক সাহাবী নবী (ﷺ)-কে সম্বোধন করে বললেন, তখন তিনি মসজিদে ছিলেন।
ওয়ালীদ ইবনে কাসীর (রাহঃ) বলেনঃ উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) আমার কাছে বলেছেন যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাঁদের বলেছেনঃ এক সাহাবী নবী (ﷺ)-কে সম্বোধন করে বললেন, তখন তিনি মসজিদে ছিলেন।
كتاب الصلاة
باب الْحِلَقِ وَالْجُلُوسِ فِي الْمَسْجِدِ
473 - حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَجُلًا، جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَخْطُبُ، فَقَالَ: كَيْفَ صَلاَةُ اللَّيْلِ؟ فَقَالَ: «مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيتَ الصُّبْحَ فَأَوْتِرْ بِوَاحِدَةٍ، تُوتِرُ لَكَ مَا قَدْ صَلَّيْتَ» قَالَ الوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ: حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُمْ: أَنَّ رَجُلًا نَادَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي المَسْجِدِ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২৫। মসজিদে হালকা বাঁধা ও বসা।
৪৬০। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... আবু ওয়াকিদ লায়সী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে ছিলেন। এমন সময় তিনজন লোক এলেন। তাঁদের দুজন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে এগিয়ে এলেন আর একজন চলে গেলেন। এ দুজনের একজন হালকায় খালি স্থান পেয়ে সেখানে বসে পড়লেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি মজলিসের পেছনে বসলেন। আর তৃতীয় ব্যক্তি পিঠটান দিয়ে সরে পড়ল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কথাবার্তা থেকে অবসর হয়ে বললেনঃ আমি কি তোমাদের ঐ তিন ব্যক্তি সম্পর্কে খবর দেব? এক ব্যক্তি তো আল্লাহর দিকে অগ্রসর হল। আল্লাহও তাকে আশ্রয় দিলেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি লজ্জা করলো, আর আল্লাহ তাআলাও তাকে (বঞ্চিত করতে) লজ্জাবোধ করলেন। তৃতীয় ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিল, কাজেই আল্লাহও তাঁর থেকে ফিরে থাকলেন।
كتاب الصلاة
باب الْحِلَقِ وَالْجُلُوسِ فِي الْمَسْجِدِ
474 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّ أَبَا مُرَّةَ مَوْلَى عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي وَاقِدٍ اللَّيْثِيِّ، قَالَ: بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي المَسْجِدِ فَأَقْبَلَ ثَلاَثَةُ نَفَرٍ، فَأَقْبَلَ اثْنَانِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذَهَبَ وَاحِدٌ، فَأَمَّا أَحَدُهُمَا، فَرَأَى فُرْجَةً فِي الحَلْقَةِ، فَجَلَسَ وَأَمَّا الآخَرُ فَجَلَسَ خَلْفَهُمْ، فَلَمَّا فَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " أَلاَ أُخْبِرُكُمْ عَنِ النَّفَرِ الثَّلاَثَةِ؟ أَمَّا أَحَدُهُمْ: فَأَوَى إِلَى اللَّهِ، فَآوَاهُ اللَّهُ، وَأَمَّا الآخَرُ: فَاسْتَحْيَا فَاسْتَحْيَا اللَّهُ مِنْهُ، وَأَمَّا الآخَرُ: فَأَعْرَضَ فَأَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ "
তাহকীক:
বর্ণনাকারী: