হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২১
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৪। আল্লাহর গযবে বিধ্বস্ত ও আযাবের স্থানে নামায আদায় করা।
উল্লেখ রয়েছে যে, আলী (রাযিঃ) ব্যাবিলনের ধ্বংসস্তূপে নামায আদায় করা মাকরূহ মনে করতেন।
উল্লেখ রয়েছে যে, আলী (রাযিঃ) ব্যাবিলনের ধ্বংসস্তূপে নামায আদায় করা মাকরূহ মনে করতেন।
৪২১। ইসমাঈল ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা এসব আযাবপ্রাপ্ত সম্প্রদায়ের লোকালয়ে ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতীত প্রবেশ করবে না। কান্না না আসলে সেখানে প্রবেশ করো না, যেন তোমাদের প্রতিও এমন আযাব না আসে যা তাদের উপর আপতিত হয়েছিল।
كتاب الصلاة
بَابُ الصَّلاَةِ فِي مَوَاضِعِ الخَسْفِ وَالعَذَابِ وَيُذْكَرُ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «كَرِهَ الصَّلاَةَ بِخَسْفِ بَابِلَ»
433 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ تَدْخُلُوا عَلَى هَؤُلاَءِ المُعَذَّبِينَ إِلَّا أَنْ تَكُونُوا بَاكِينَ، فَإِنْ لَمْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَلاَ تَدْخُلُوا عَلَيْهِمْ، لاَ يُصِيبُكُمْ مَا أَصَابَهُمْ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৫। গির্জায় নামায আদায় করা।
উমর (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমরা তোমাদের গির্জাসমূহে প্রবেশ করি না, কারণ তাতে মূর্তি রয়েছে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) গির্জায় নামায আদায় করতেন। তবে যেগুলোতে মূর্তি ছিল সেগুলোতে নয়।
উমর (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমরা তোমাদের গির্জাসমূহে প্রবেশ করি না, কারণ তাতে মূর্তি রয়েছে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) গির্জায় নামায আদায় করতেন। তবে যেগুলোতে মূর্তি ছিল সেগুলোতে নয়।
৪২২। মুহাম্মাদ ইবনে সালাম (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, উম্মে সালামা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে তাঁর হাবশায় দেখা মারিয়া নামক একটা গির্জার কথা উল্লেখ করলেন। তিনি সেখানে যে সব প্রতিচ্ছবি দেখেছিলেন, সেগুলোর বর্ণনা দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এরা এমন সম্প্রদায় যে, এদের মধ্যে কোন সৎ বান্দা অথবা বলেছেন কোন সৎ লোক মারা গেলে তার কবরের উপর তারা মসজিদ বানিয়ে নিত। আর তাতে ঐ সব ব্যক্তির প্রতিচ্ছবি স্থাপন করতো। এরা আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম সৃষ্টি।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْبِيعَةِ وَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنَّا لاَ نَدْخُلُ كَنَائِسَكُمْ مِنْ أَجْلِ التَّمَاثِيلِ الَّتِي فِيهَا الصُّوَرَ وَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يُصَلِّي فِي الْبِيعَةِ إِلاَّ بِيعَةً فِيهَا تَمَاثِيلُ
434 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ [ص:95]: أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ، ذَكَرَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَنِيسَةً رَأَتْهَا بِأَرْضِ الحَبَشَةِ يُقَالُ لَهَا مَارِيَةُ، فَذَكَرَتْ لَهُ مَا رَأَتْ فِيهَا مِنَ الصُّوَرِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أُولَئِكَ قَوْمٌ إِذَا مَاتَ فِيهِمُ العَبْدُ الصَّالِحُ، أَوِ الرَّجُلُ الصَّالِحُ، بَنَوْا عَلَى قَبْرِهِ مَسْجِدًا، وَصَوَّرُوا فِيهِ تِلْكَ الصُّوَرَ، أُولَئِكَ شِرَارُ الخَلْقِ عِنْدَ اللَّهِ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৫ - ৪৩৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৬। শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ।
৪২৩। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) .... উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, আয়িশা ও আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেছেনঃ নবী (ﷺ) এর ওফাত নিকটবর্তী হলে তিনি তাঁর একটা চাঁদরে নিজ মুখমণ্ডল আবৃত করতে লাগলেন। যখন শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল, তখন মুখ থেকে চাঁদর সরিয়ে দিলেন। এমতাবস্থায় তিনি বললেনঃ ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে। (এ বলে) তারা যে (বিদআতী) কার্যকলাপ করত তা থেকে তিনি সতর্ক করলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْبِيعَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، قَالاَ لَمَّا نَزَلَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَفِقَ يَطْرَحُ خَمِيصَةً لَهُ عَلَى وَجْهِهِ، فَإِذَا اغْتَمَّ بِهَا كَشَفَهَا عَنْ وَجْهِهِ، فَقَالَ وَهْوَ كَذَلِكَ " لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ ". يُحَذِّرُ مَا صَنَعُوا.
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ।
৪২৪। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা ইয়াহুদীদের ধ্বংস করুন। তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْبِيعَةِ
437 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ المُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «قَاتَلَ اللَّهُ اليَهُودَ، اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭। নবী (ﷺ) এর উক্তিঃ আমার জন্য যমীনকে নামায আদায়ের স্থান ও পবিত্রতা হাসিলের উপায় করা হয়েছে।
৪২৫। মুহাম্মাদ ইবনে সিনান (রাহঃ) .... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় প্রদান করা হয়েছে, যা আমার আগে কোন নবীকে দেয়া হয়নি।
১. আমাকে এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে যা একমাসের দূরত্ব পর্যন্ত অনুভূত হয়।
২. সমস্ত জমিন আমার জন্য নামায আদায়ের স্থান ও পবিত্রতা অর্জনের উপায় করা হয়েছে। কাজেই আমার উম্মতের যে কেউ যেখানে নামাযের ওয়াক্ত হয় (সেখানেই) যেন নামায আদায় করে নেয়।
৩. আমার জন্য গনিমত হালাল করা হয়েছে।
৪. অন্যান্য নবী নিজেদের বিশেষ গোত্রের প্রতি প্রেরিত হতেন আর আমাকে সকল মানবের প্রতি প্রেরণ করা হয়েছে।
৫. আমাকে (ব্যাপক) শাফাআতের অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
১. আমাকে এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে যা একমাসের দূরত্ব পর্যন্ত অনুভূত হয়।
২. সমস্ত জমিন আমার জন্য নামায আদায়ের স্থান ও পবিত্রতা অর্জনের উপায় করা হয়েছে। কাজেই আমার উম্মতের যে কেউ যেখানে নামাযের ওয়াক্ত হয় (সেখানেই) যেন নামায আদায় করে নেয়।
৩. আমার জন্য গনিমত হালাল করা হয়েছে।
৪. অন্যান্য নবী নিজেদের বিশেষ গোত্রের প্রতি প্রেরিত হতেন আর আমাকে সকল মানবের প্রতি প্রেরণ করা হয়েছে।
৫. আমাকে (ব্যাপক) শাফাআতের অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا "
438 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَيَّارٌ هُوَ أَبُو الحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ الفَقِيرُ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ أَحَدٌ مِنَ الأَنْبِيَاءِ قَبْلِي: نُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيرَةَ شَهْرٍ، وَجُعِلَتْ لِي الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا، وَأَيُّمَا رَجُلٍ مِنْ أُمَّتِي أَدْرَكَتْهُ الصَّلاَةُ فَلْيُصَلِّ، وَأُحِلَّتْ لِي الغَنَائِمُ، وَكَانَ النَّبِيُّ يُبْعَثُ إِلَى قَوْمِهِ خَاصَّةً، وَبُعِثْتُ إِلَى النَّاسِ كَافَّةً، وَأُعْطِيتُ الشَّفَاعَةَ "
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৮। মসজিদে মহিলাদের ঘুমানো
৪২৬। উবাইদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, কোন আরব গোত্রের একটি কালো দাসী ছিল। তারা তাকে আযাদ করে দিল। সে তাদেরই সাথে থেকে গেল। সে বলেছে যে, তাদের একটি মেয়ে গলায় লাল চামড়ার ওপর মূল্যবান পাথর খচিত হার পরে বাইরে গেল। দাসী বলেছে, সে হারটা হয়তো নিজে কোথাও রেখে দিয়েছিল, অথবা কোথাও পড়ে গিয়েছিল। তখন চিল তা পড়ে থাকা অবস্থায় গোশতের টুকরা মনে করে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল। দাসী বলেছেঃ তারপর গোত্রের লোকেরা বেশ খোঁজাখুঁজি করতে লাগলো। কিন্তু তারা তা পেল না। তখন তারা আমার উপর এর দোষ চাপাল।
সে বলেছেঃ তারা আমার উপর তল্লাশী শুরু করলো, এমনকি আমার লজ্জাস্থানেও তল্লাশী চালাল। দাসীটি বলেছেঃ আল্লাহর কসম! আমি তাদের সাথে সে অবস্থায় দাঁড়ানো ছিলাম, এমন সময় চিলটি উড়ে যেতে যেতে হারটি ফেলে দিল। সে বলেছে, তাদের সামনেই তা পড়লো। তখন আমি বললামঃ তোমরা তো এর জন্যই আমার উপর দোষ চাপিয়েছিলে! তোমরা আমার উপর সন্দেহ করেছিলে অথচ আমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নির্দোষ। এই তো সেই হার! সে বলেছেঃ তারপর সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এসে ইসলাম গ্রহণ করলো।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ তাঁর জন্য মসজিদে (নববীতে) একটা তাঁবু অথবা ছাপড়া করে দেওয়া হয়েছিল। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ সে (দাসীটি) আমার কাছে আসতো আর আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলতো। সে আমার কাছে যখনই বসত তখনই বলতোঃ
وَيَوْمَ الْوِشَاحِ مِنْ أَعَاجِيبِ رَبِّنَا * أَلاَ إِنَّهُ مِنْ بَلْدَةِ الْكُفْرِ أَنْجَانِي
“সেই হারের দিনটি আমার রবের আশ্চর্য ঘটনা বিশেষ। জেনে রাখুন সে ঘটনাটি আমাকে কুফরের শহর থেকে মুক্তি দিয়েছে”।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললামঃ কি ব্যাপার, তুমি আমার কাছে বসলেই যে এ কথাটা বলে থাক? আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, সে তখন আমার কাছে উক্ত ঘটনা বর্ণনা করল।
সে বলেছেঃ তারা আমার উপর তল্লাশী শুরু করলো, এমনকি আমার লজ্জাস্থানেও তল্লাশী চালাল। দাসীটি বলেছেঃ আল্লাহর কসম! আমি তাদের সাথে সে অবস্থায় দাঁড়ানো ছিলাম, এমন সময় চিলটি উড়ে যেতে যেতে হারটি ফেলে দিল। সে বলেছে, তাদের সামনেই তা পড়লো। তখন আমি বললামঃ তোমরা তো এর জন্যই আমার উপর দোষ চাপিয়েছিলে! তোমরা আমার উপর সন্দেহ করেছিলে অথচ আমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নির্দোষ। এই তো সেই হার! সে বলেছেঃ তারপর সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এসে ইসলাম গ্রহণ করলো।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ তাঁর জন্য মসজিদে (নববীতে) একটা তাঁবু অথবা ছাপড়া করে দেওয়া হয়েছিল। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ সে (দাসীটি) আমার কাছে আসতো আর আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলতো। সে আমার কাছে যখনই বসত তখনই বলতোঃ
وَيَوْمَ الْوِشَاحِ مِنْ أَعَاجِيبِ رَبِّنَا * أَلاَ إِنَّهُ مِنْ بَلْدَةِ الْكُفْرِ أَنْجَانِي
“সেই হারের দিনটি আমার রবের আশ্চর্য ঘটনা বিশেষ। জেনে রাখুন সে ঘটনাটি আমাকে কুফরের শহর থেকে মুক্তি দিয়েছে”।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললামঃ কি ব্যাপার, তুমি আমার কাছে বসলেই যে এ কথাটা বলে থাক? আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, সে তখন আমার কাছে উক্ত ঘটনা বর্ণনা করল।
كتاب الصلاة
باب نَوْمِ الْمَرْأَةِ فِي الْمَسْجِدِ
439 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ وَلِيدَةً كَانَتْ سَوْدَاءَ لِحَيٍّ مِنَ العَرَبِ، فَأَعْتَقُوهَا، فَكَانَتْ مَعَهُمْ، قَالَتْ: فَخَرَجَتْ صَبِيَّةٌ لَهُمْ عَلَيْهَا وِشَاحٌ أَحْمَرُ مِنْ سُيُورٍ، قَالَتْ: فَوَضَعَتْهُ - أَوْ وَقَعَ مِنْهَا - فَمَرَّتْ بِهِ حُدَيَّاةٌ وَهُوَ مُلْقًى، فَحَسِبَتْهُ لَحْمًا فَخَطِفَتْهُ، قَالَتْ: فَالْتَمَسُوهُ، فَلَمْ يَجِدُوهُ، قَالَتْ: فَاتَّهَمُونِي بِهِ، قَالَتْ: فَطَفِقُوا يُفَتِّشُونَ حَتَّى فَتَّشُوا قُبُلَهَا، قَالَتْ: وَاللَّهِ إِنِّي لَقَائِمَةٌ مَعَهُمْ، إِذْ مَرَّتِ الحُدَيَّاةُ فَأَلْقَتْهُ، قَالَتْ: فَوَقَعَ بَيْنَهُمْ، قَالَتْ: فَقُلْتُ هَذَا الَّذِي اتَّهَمْتُمُونِي بِهِ، زَعَمْتُمْ وَأَنَا مِنْهُ بَرِيئَةٌ، وَهُوَ ذَا هُوَ، قَالَتْ: «فَجَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَسْلَمَتْ» ، قَالَتْ عَائِشَةُ: «فَكَانَ لَهَا خِبَاءٌ فِي المَسْجِدِ - أَوْ حِفْشٌ -» قَالَتْ: فَكَانَتْ تَأْتِينِي فَتَحَدَّثُ عِنْدِي، قَالَتْ: فَلاَ تَجْلِسُ عِنْدِي مَجْلِسًا، إِلَّا قَالَتْ:
وَيَوْمَ الوِشَاحِ مِنْ أَعَاجِيبِ رَبِّنَا ... أَلاَ إِنَّهُ مِنْ بَلْدَةِ الكُفْرِ أَنْجَانِي قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقُلْتُ لَهَا مَا شَأْنُكِ، لاَ تَقْعُدِينَ مَعِي مَقْعَدًا إِلَّا قُلْتِ هَذَا؟ قَالَتْ: فَحَدَّثَتْنِي بِهَذَا الحَدِيثِ
وَيَوْمَ الوِشَاحِ مِنْ أَعَاجِيبِ رَبِّنَا ... أَلاَ إِنَّهُ مِنْ بَلْدَةِ الكُفْرِ أَنْجَانِي قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقُلْتُ لَهَا مَا شَأْنُكِ، لاَ تَقْعُدِينَ مَعِي مَقْعَدًا إِلَّا قُلْتِ هَذَا؟ قَالَتْ: فَحَدَّثَتْنِي بِهَذَا الحَدِيثِ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৯। মসজিদে পুরুষদের ঘুমানো।
আবু কিলাবা (রাহঃ) আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, উকল গোত্রের কতিপয় ব্যক্তি নবী (ﷺ) এর কাছে আসলেন এবং সুফফায় অবস্থান করলেন। আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ) বলেনঃ সুফফাবাসিগণ ছিলেন দরিদ্র।
আবু কিলাবা (রাহঃ) আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, উকল গোত্রের কতিপয় ব্যক্তি নবী (ﷺ) এর কাছে আসলেন এবং সুফফায় অবস্থান করলেন। আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ) বলেনঃ সুফফাবাসিগণ ছিলেন দরিদ্র।
৪২৭। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি মসজিদে নববীতে ঘুমাতেন। তিনি ছিলেন অবিবাহিত। তাঁর কোন পরিবার-পরিজন ছিল না।
كتاب الصلاة
بَابُ نَوْمِ الرِّجَالِ فِي المَسْجِدِ وَقَالَ أَبُو قِلاَبَةَ: عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: «قَدِمَ رَهْطٌ مِنْ عُكْلٍ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانُوا فِي الصُّفَّةِ» وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ: «كَانَ أَصْحَابُ الصُّفَّةِ الفُقَرَاءَ»
440 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي نَافِعٌ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، «أَنَّهُ كَانَ يَنَامُ وَهُوَ شَابٌّ أَعْزَبُ لاَ أَهْلَ لَهُ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৯। মসজিদে পুরুষদের ঘুমানো।
৪২৮। কুতায়বা ইবনে সা’ঈদ (রাহঃ) .... সাহল ইবনে সা’দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফাতিমা (রাযিঃ) এর ঘরে এলেন, কিন্তু আলী (রাযিঃ)-কে ঘরে পেলেন না। তিনি ফাতিমা (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার চাচাতো ভাই কোথায়? তিনি বললেনঃ আমার ও তাঁর মধ্যে কিছু ঘটেছে। তিনি আমার সাথে রাগ করে বাইরে চলে গেছেন। আমার কাছে দুপুরের বিশ্রামও করেন নি। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বললেনঃ দেখ তো সে কোথায়? সে ব্যক্তি খুঁজে এসে বললোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! তিনি মসজিদে শুয়ে আছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এলেন, তখন আলী (রাযিঃ) কাত হয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর শরীরের এক পাশের চাঁদর পড়ে গিয়েছে এবং তাঁর শরীরে মাটি লেগেছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর শরীরের মাটি ঝেড়ে দিতে দিতে বললেনঃ উঠ, হে আবু তুরাব! উঠ, হে আবু তুরাব!
كتاب الصلاة
بَابُ نَوْمِ الرِّجَالِ فِي المَسْجِدِ
441 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْتَ فَاطِمَةَ فَلَمْ يَجِدْ عَلِيًّا فِي البَيْتِ، فَقَالَ: «أَيْنَ ابْنُ عَمِّكِ؟» قَالَتْ: كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ شَيْءٌ، فَغَاضَبَنِي، فَخَرَجَ، فَلَمْ يَقِلْ عِنْدِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِإِنْسَانٍ: «انْظُرْ أَيْنَ هُوَ؟» فَجَاءَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هُوَ فِي المَسْجِدِ رَاقِدٌ، فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ مُضْطَجِعٌ، قَدْ سَقَطَ رِدَاؤُهُ عَنْ شِقِّهِ، وَأَصَابَهُ تُرَابٌ، فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْسَحُهُ عَنْهُ، وَيَقُولُ: «قُمْ أَبَا تُرَابٍ، قُمْ أَبَا تُرَابٍ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪২৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৯। মসজিদে পুরুষদের ঘুমানো।
৪২৯। ইউসুফ ইবনে ঈসা (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সত্তরজন আসহাবে সুফফাকে দেখেছি, তাঁদের কারো গায়ে বড় চাঁদর ছিল না। হয়ত ছিল কেবল তহবন্দ কিংবা ছোট চাদর, যা তাঁরা ঘাড়ে বেঁধে রাখতেন। (নীচের দিকে) কারো নিসফে সাক বা অর্ধ হাঁটু পর্যন্ত আর কারো টাখনু পর্যন্ত ছিল। তাঁরা লজ্জাস্থান দেখা যাওয়ার ভয়ে কাপড় হাতে ধরে একত্র করে রাখতেন।
كتاب الصلاة
بَابُ نَوْمِ الرِّجَالِ فِي المَسْجِدِ
442 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «لَقَدْ رَأَيْتُ سَبْعِينَ مِنْ أَصْحَابِ الصُّفَّةِ مَا مِنْهُمْ رَجُلٌ عَلَيْهِ رِدَاءٌ، إِمَّا إِزَارٌ وَإِمَّا كِسَاءٌ، قَدْ رَبَطُوا فِي أَعْنَاقِهِمْ، فَمِنْهَا مَا يَبْلُغُ نِصْفَ السَّاقَيْنِ، وَمِنْهَا مَا يَبْلُغُ الكَعْبَيْنِ، فَيَجْمَعُهُ بِيَدِهِ، كَرَاهِيَةَ أَنْ تُرَى عَوْرَتُهُ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০০। সফর থেকে ফিরে আসার পর নামায।
কা‘ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) সফর হতে ফিরে এসে প্রথমে মসজিদে প্রবেশ করে নামায আদায় করতেন।
কা‘ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) সফর হতে ফিরে এসে প্রথমে মসজিদে প্রবেশ করে নামায আদায় করতেন।
৪৩০। খাল্লাদ ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ...... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) এর কাছে আসলাম। তিনি তখন মসজিদে ছিলেন। তখন মিসআর (রাহঃ) বলেনঃ আমার মনে পড়ে রাবী মুহারিব (রাহঃ) চাশতের সময়ের কথা বলেছেন। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ তুমি দু’রাকআত নামায আদায় কর। জাবির (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) এর কাছে আমার কিছু পাওনা ছিল। তিনি তা দিয়ে দিলেন এবং কিছু বেশীও দিলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ وَقَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ بَدَأَ بِالْمَسْجِدِ فَصَلَّى فِيهِ
443 - حَدَّثَنَا خَلَّادُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَارِبُ بْنُ دِثَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي المَسْجِدِ - قَالَ مِسْعَرٌ: أُرَاهُ قَالَ: ضُحًى - فَقَالَ: «صَلِّ رَكْعَتَيْنِ» وَكَانَ لِي عَلَيْهِ دَيْنٌ فَقَضَانِي وَزَادَنِي
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১। তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাকআত নামায আদায় করে নেয়।
৪৩১। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আবু কাতাদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাকআত নামায আদায় করে নেয়।
كتاب الصلاة
بَابُ إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ المَسْجِدَ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَجْلِسَ
444 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ السَّلَمِيِّ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ المَسْجِدَ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَجْلِسَ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২। মসজিদে হাদাস হওয়া (উযু নষ্ট হওয়া)
৪৩২। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে নামাযের পর হাদাসের পূর্ব পর্যন্ত যেখানে সে নামায আদায় করেছে সেখানে যতক্ষণ বসে থাকে ততক্ষণ ফিরিশতারা তার জন্য দু'আ করতে থাকেন। তাঁরা বলেনঃ হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন! হে আল্লাহ! তার প্রতি রহম করুন।
كتاب الصلاة
باب الْحَدَثِ فِي الْمَسْجِدِ
445 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " المَلاَئِكَةُ تُصَلِّي عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِي مُصَلَّاهُ الَّذِي صَلَّى فِيهِ، مَا لَمْ يُحْدِثْ، تَقُولُ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ "
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩। মসজিদ নির্মাণ করা।
আবু সা’ঈদ (রাযিঃ) বলেন, মসজিদে নববীর ছাদ ছিল খেজুর গাছের ডালের তৈরী।
উমর (রাযিঃ) মসজিদ নির্মাণের হুকুম দিয়ে বলেনঃ আমি লোকদেরকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করতে চাই। মসজিদে লাল বা হলুদ রং লাগানো থেকে সাবধান থাক, এতে মানুষকে তুমি ফিতনায় ফেলবে।
আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ লোকেরা মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে অথচ তারা একে কমই (ইবাদতের মাধ্যমে) আবাদ রাখবে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ তোমরা তো ইয়াহুদী ও নাসারাদের মত মসজিদকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে ফেলবে।
আবু সা’ঈদ (রাযিঃ) বলেন, মসজিদে নববীর ছাদ ছিল খেজুর গাছের ডালের তৈরী।
উমর (রাযিঃ) মসজিদ নির্মাণের হুকুম দিয়ে বলেনঃ আমি লোকদেরকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করতে চাই। মসজিদে লাল বা হলুদ রং লাগানো থেকে সাবধান থাক, এতে মানুষকে তুমি ফিতনায় ফেলবে।
আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ লোকেরা মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে অথচ তারা একে কমই (ইবাদতের মাধ্যমে) আবাদ রাখবে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ তোমরা তো ইয়াহুদী ও নাসারাদের মত মসজিদকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে ফেলবে।
৪৩৩। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সময়ে মসজিদ তৈরী হয় কাঁচা ইট দিয়ে, তার ছাদ ছিল খেজুরের ডালের, খুঁটি ছিল খেজুর গাছের। আবু বকর (রাযিঃ) এতে কিছু বাড়ান নি। অবশ্য উমর (রাযিঃ) বাড়িয়েছেন। আর তার ভিত্তি তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে যে ভিত্তি ছিল তার উপর কাঁচা ইট ও খেজুরের ডাল দিয়ে নির্মাণ করেন এবং তিনি খুঁটিগুলো পরিবর্তন করে কাঠের (খুঁটি) লাগান। তারপর উসমান (রাযিঃ) তাতে পরিবর্তন সাধন করেন এবং অনেক বৃদ্ধি করেন। তিনি দেওয়াল তৈরী করেন নকশী পাথর ও চুন-সুরকি দিয়ে। খুঁটিও দেন নকশা করা পাথরের, ছাদ বানান সেগুণ কাঠ দিয়ে।
كتاب الصلاة
باب بُنْيَانِ الْمَسْجِدِ وَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ كَانَ سَقْفُ الْمَسْجِدِ مِنْ جَرِيدِ النَّخْلِ. وَأَمَرَ عُمَرُ بِبِنَاءِ الْمَسْجِدِ وَقَالَ أَكِنَّ النَّاسَ مِنَ الْمَطَرِ، وَإِيَّاكَ أَنْ تُحَمِّرَ أَوْ تُصَفِّرَ، فَتَفْتِنَ النَّاسَ. وَقَالَ أَنَسٌ يَتَبَاهَوْنَ بِهَا، ثُمَّ لاَ يَعْمُرُونَهَا إِلاَّ قَلِيلاً. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَتُزَخْرِفُنَّهَا كَمَا زَخْرَفَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى
446 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَافِعٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، أَخْبَرَهُ " أَنَّ المَسْجِدَ كَانَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَبْنِيًّا بِاللَّبِنِ، وَسَقْفُهُ الجَرِيدُ، وَعُمُدُهُ خَشَبُ النَّخْلِ، فَلَمْ يَزِدْ فِيهِ أَبُو بَكْرٍ شَيْئًا، وَزَادَ فِيهِ عُمَرُ: وَبَنَاهُ عَلَى بُنْيَانِهِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّبِنِ وَالجَرِيدِ وَأَعَادَ عُمُدَهُ خَشَبًا، ثُمَّ غَيَّرَهُ عُثْمَانُ فَزَادَ فِيهِ زِيَادَةً كَثِيرَةً: وَبَنَى جِدَارَهُ بِالحِجَارَةِ المَنْقُوشَةِ، وَالقَصَّةِ وَجَعَلَ عُمُدَهُ مِنْ حِجَارَةٍ مَنْقُوشَةٍ وَسَقَفَهُ بِالسَّاجِ "
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৪। মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা।
আর আল্লাহ তাআলার বাণীঃ এমন হতে পারে না যে, মুশরিকরা আল্লাহর মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করবে ... (৯ : ১৭)
আর আল্লাহ তাআলার বাণীঃ এমন হতে পারে না যে, মুশরিকরা আল্লাহর মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করবে ... (৯ : ১৭)
৪৩৪। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... ইকরিমা (রাহঃ) বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আমাকে ও তার ছেলে আলী (রাহঃ)-কে বললেনঃ তোমরা উভয়ই আবু সা’ঈদ (রাযিঃ) এর কাছে যাও এবং তাঁর থেকে হাদীস শুনে আস। আমরা গেলাম। তখন তিনি এক বাগানে কাজ করছেন। তিনি আমাদেরকে দেখে চাদরে হাঁটু মুড়ি দিয়ে বসলেন এবং পরে হাদীস বর্ণনা শুরু করলেন। শেষ পর্যায়ে তিনি মসজিদে নববী নির্মাণ আলোচনায় আসলেন। তিনি বললেনঃ আমরা একটা একটা করে কাঁচা ইট বহন করছিলাম আর আম্মার (রাযিঃ) দুটো দুটো করে কাঁচা ইট বহন করছিলেন। নবী (ﷺ) তা দেখে তাঁর দেহ থেকে মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেনঃ আম্মারের জন্য আফসোস, তাকে বিদ্রোহী দল হত্যা করবে। সে তাদেরকে আহবান করবে জান্নাতের দিকে আর তারা আহবান করবে জাহান্নামের দিকে। আবু সা’ঈদ (রাযিঃ) বলেনঃ তখন আম্মার (রাযিঃ) বললেনঃ আমি ফিতনা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।
كتاب الصلاة
بَابُ التَّعَاوُنِ فِي بِنَاءِ المَسْجِدِ {مَا كَانَ لِلْمُشْرِكِينَ أَنْ يَعْمُرُوا مَسَاجِدَ اللَّهِ شَاهِدِينَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ بِالكُفْرِ، أُولَئِكَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ وَفِي النَّارِ هُمْ خَالِدُونَ، إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَاليَوْمِ الآخِرِ وَأَقَامَ الصَّلاَةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَلَمْ يَخْشَ إِلَّا اللَّهَ، فَعَسَى أُولَئِكَ أَنْ يَكُونُوا مِنَ المُهْتَدِينَ}
447 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ مُخْتَارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ الحَذَّاءُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ لِي ابْنُ عَبَّاسٍ وَلِابْنِهِ عَلِيٍّ: انْطَلِقَا إِلَى أَبِي سَعِيدٍ فَاسْمَعَا مِنْ حَدِيثِهِ، فَانْطَلَقْنَا فَإِذَا هُوَ فِي حَائِطٍ يُصْلِحُهُ، فَأَخَذَ رِدَاءَهُ فَاحْتَبَى، ثُمَّ أَنْشَأَ يُحَدِّثُنَا حَتَّى أَتَى ذِكْرُ بِنَاءِ المَسْجِدِ، فَقَالَ: كُنَّا نَحْمِلُ لَبِنَةً لَبِنَةً وَعَمَّارٌ لَبِنَتَيْنِ لَبِنَتَيْنِ، فَرَآهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَنْفُضُ التُّرَابَ عَنْهُ، وَيَقُولُ: «وَيْحَ عَمَّارٍ، تَقْتُلُهُ الفِئَةُ البَاغِيَةُ، يَدْعُوهُمْ إِلَى الجَنَّةِ، وَيَدْعُونَهُ إِلَى النَّارِ» قَالَ: يَقُولُ عَمَّارٌ: أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الفِتَنِ "
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫। কাঠের মিম্বর তৈরী ও মসজিদ নির্মাণে কাঠমিস্ত্রী ও রাজমিস্ত্রীর সাহায্য গ্রহণ করা।
৪৩৫। কুতায়বা ইবনে সা’ঈদ (রাহঃ) .... সাহল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মহিলার নিকট লোক পাঠিয়ে বললেনঃ তুমি তোমার গোলাম কাঠমিস্ত্রীকে বল, সে যেন আমার বসার জন্য কাঠের মিম্বর তৈরী করে দেয়।
كتاب الصلاة
باب الاِسْتِعَانَةِ بِالنَّجَّارِ وَالصُّنَّاعِ فِي أَعْوَادِ الْمِنْبَرِ وَالْمَسْجِدِ
448 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ، حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى امْرَأَةٍ: «مُرِي غُلاَمَكِ النَّجَّارَ، يَعْمَلْ لِي أَعْوَادًا، أَجْلِسُ عَلَيْهِنَّ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৪৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫। কাঠের মিম্বর তৈরী ও মসজিদ নির্মাণে কাঠমিস্ত্রী ও রাজমিস্ত্রীর সাহায্য গ্রহণ করা।
৪৩৬। খাল্লাদ ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) .... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি কি আপনার বসার জন্য কিছু তৈরী করে দিব? আমার এক কাঠমিস্ত্রী গোলাম আছে। তিনি বললেনঃ যদি তোমার ইচ্ছা হয়। তারপর তিনি একটি মিম্বর তৈরী করিয়ে দিলেন।
كتاب الصلاة
باب الاِسْتِعَانَةِ بِالنَّجَّارِ وَالصُّنَّاعِ فِي أَعْوَادِ الْمِنْبَرِ وَالْمَسْجِدِ
449 - حَدَّثَنَا خَلَّادٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ بْنُ أَيْمَنَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّ امْرَأَةً قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ أَجْعَلُ لَكَ شَيْئًا تَقْعُدُ عَلَيْهِ، فَإِنَّ لِي غُلاَمًا نَجَّارًا؟ قَالَ: «إِنْ شِئْتِ» فَعَمِلَتِ المِنْبَرَ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৬। যে ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণ করে।
৪৩৭। ইয়াহয়া ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) .... উবাইদুল্লাহ খাওলানী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি উসমান ইবনে আফফান (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি যখন মসজিদে নববী নির্মাণ করেছিলেন তখন লোকজনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছিলেনঃ তোমরা আমার উপর অনেক বাড়াবাড়ি করছ অথচ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণ করে, বুকায়র (রাহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় রাবী আসিম (রাহঃ) তাঁর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর তৈরী করবেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ بَنَى مَسْجِدًا
450 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ بُكَيْرًا، حَدَّثَهُ أَنَّ عَاصِمَ بْنَ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ اللَّهِ الخَوْلاَنِيَّ، أَنَّهُ سَمِعَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، يَقُولُ عِنْدَ قَوْلِ النَّاسِ فِيهِ حِينَ بَنَى مَسْجِدَ الرَّسُولِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّكُمْ أَكْثَرْتُمْ، وَإِنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " مَنْ بَنَى مَسْجِدًا - قَالَ بُكَيْرٌ: حَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ: يَبْتَغِي بِهِ وَجْهَ اللَّهِ - بَنَى اللَّهُ لَهُ مِثْلَهُ [ص:98] فِي الجَنَّةِ "
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৭। মসজিদ অতিক্রমকালে তীরের ফলক ধরে রাখবে।
৪৩৮। কুতায়বা ইবনে সা’ঈদ (রাহঃ) ..... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তীর সাথে করে মসজিদে নববী অতিক্রম করছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ এর ফলকগুলো হাতে ধরে রাখ।
كتاب الصلاة
باب يَأْخُذُ بِنُصُولِ النَّبْلِ إِذَا مَرَّ فِي الْمَسْجِدِ
451 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: قُلْتُ لِعَمْرٍو: أَسَمِعْتَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ: مَرَّ رَجُلٌ فِي المَسْجِدِ وَمَعَهُ سِهَامٌ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمْسِكْ بِنِصَالِهَا» ؟
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৮। মসজিদ অতিক্রম করা।
৪৩৯। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আবু বুরদা (রাহঃ) এর পিতা আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তীর নিয়ে আমাদের মসজিদ অথবা বাজার দিয়ে চলে সে যেন তার ফলক হাতে ধরে রাখে, যাতে করে তার হাতে কোন মুসলমান আঘাত না পায়।
كتاب الصلاة
باب الْمُرُورِ فِي الْمَسْجِدِ
452 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بُرْدَةَ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ مَرَّ فِي شَيْءٍ مِنْ مَسَاجِدِنَا أَوْ أَسْوَاقِنَا بِنَبْلٍ، فَلْيَأْخُذْ عَلَى نِصَالِهَا، لاَ يَعْقِرْ بِكَفِّهِ مُسْلِمًا»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৪৪০
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৯। মসজিদে কবিতা পাঠ
৪৪০। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ..... আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, হাসসান ইবনে সাবিত আনসারী (রাযিঃ) আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে আল্লাহর কসম দিয়ে এ কথার সাক্ষ্য চেয়ে বলেনঃ আপনি কি নবী (ﷺ)-কে একথা বলতে শুনেছেন, হে হাসসান! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পক্ষ থেকে (কবিতার মাধ্যমে মুশরিকদের) জওয়াব দাও। হে আল্লাহ! হাসসানকে রূহুল কুদুস (জিবরাঈল আ.) দ্বারা সাহায্য করুন। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) জওয়াবে বললেনঃ হ্যাঁ।
كتاب الصلاة
باب الشِّعْرِ فِي الْمَسْجِدِ
453 - حَدَّثَنَا أَبُو اليَمَانِ الحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ حَسَّانَ بْنَ ثَابِتٍ الأَنْصَارِيَّ، يَسْتَشْهِدُ أَبَا هُرَيْرَةَ: أَنْشُدُكَ اللَّهَ، هَلْ سَمِعْتَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «يَا حَسَّانُ، أَجِبْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، اللَّهُمَّ أَيِّدْهُ بِرُوحِ القُدُسِ» قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: نَعَمْ
তাহকীক:
বর্ণনাকারী: